April 11, 2012

সুরঞ্জিতের এখনই পদত্যাগ করা উচিত – সৈয়দ আবুল হোসেন

সুরঞ্জিত - টাকা - আবুল

মগবাজার ডেস্ক

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন বলেছেন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের এখনই পদত্যাগ করা উচিৎ। রেলমন্ত্রীর এপিএস এর গাড়িতে ৭০ লাখ টাকার কেলেংকারির পর দৈনিক মগবাজার কার্যালয়ে ফোন করে বর্তমান তথ্য  যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “দুর্নীতি এক জিনিস, বস্তা ভর্তি টাকা আরেক জিনিস। একটার সাথে আরেকটার কোন সম্পর্ক নাই।” এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। উত্তেজিত আবুল বলেন, “যার হাসি সুন্দর নাই, দুনিয়াতে তার কোন কিছু সুন্দর নাই। সুরঞ্জিতে হাসলে মনে হয় ভেটকি মারে, ভেটকি মারলে মনে হয় কান্দে।”

দৈনিক মগবাজার সম্পাদকের অনুরোধে কিছুটা শান্ত হয়ে বলেন, “হয় দুদক থেকে ‘নো করাপটেড’ সনদ নাও, নইলে পদত্যাগ করো। এ ছাড়া আর কোন পথ খোলা নাই।” এরপর তিনি আবারো উত্তেজিত হয়ে পড়েন। উত্তেজনা নিবারণ করতে গিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বলেন, “আমি বুঝি না সুরু কেন বস্তার ভেতরে টাকা নিতে গেলো! নতুন ছয়টা ব্যাংক আসতেছে, আমরা কি বাল জমানোর জন্য ব্যাংক খুলেছি!”

বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের প্রতি কোন বিশেষ পরামর্শ আছে কিনা, এমন প্রশ্ন করলে মন্ত্রী মহোদয় বলেন, “কাদেরকে আর কী বলবো? খালি একটা কথায়ই কইতে পারি, কাট পিপলস পকেট একর্ডিং টু ইওর স্টোরেজ!”

April 9, 2012

পহেলা বৈশাখে সেমাই ফিরনি খাবেন খালেদা জিয়া

হুর সর্দারনী বেগম খালেদা আজম

নিজস্ব প্রতিনিধি

আসন্ন পবিত্র পহেলা বৈশাখ সকালে বৈশাখী নামাজ শেষে সেমাই ফিরনি খাবেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা আজম। ‘জাতীয়তাবাদী মুসলিম সংস্কৃতি এবং মালাউন প্রেক্ষিত’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন “আমি মালাউন নই, পান্তা ভাত খাবো না। বেলা ১২টায় ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়ে দিন শুরু করি। আমি মুসলমান, তাই সেমাই ফিরনি খাবো।”

বেগম জিয়া বলেন, “যারা মালাউন, তারা স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় সংগীত পাঠ করে। আমি মুসলমান তাই শোকরানা নামাজ আদায় করি।” জাতীয় দিবস সমূহে আইন করে শোকরানা নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক করা হবে। এ প্রসংগে বলেন, “নিজে পড়তে না পারলে উপদেষ্টা দিয়ে পড়াতে হবে।”

বলতে বলতে বেগম জিয়া আরো বলেন, “অনেকেই আমার বেশভুষা নিয়ে কথা বলেন। এটা বেদায়াত। বেশভুষা নিয়ে কথা বলা যাবে না। আমি সুন্দরী নারী। সুন্দরী নারীরা হুরের মতো। তাই হুরের বেশে থাকি। এটা আমার গণতান্ত্রিক অধিকার।”

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি। বেগম জিয়া মনে করেন, যেহেতু দাঁড়িওয়ালা লোকের গানকে জাতীয় সংগীত বানাতে হবে, সেহেতু আমাদের দেশীয় দাঁড়িওলারাই উত্তম। মহাকবি দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, জাতীয় কবি আল মাহমুদ, নাগরিক কবি মতিউর রহমান মল্লিকেরও দাঁড়ি আছে। তারাও কবিতা টবিতা লেখেন। একটা বেছে দিয়ে দেয়া যাবে।

কবি নজরুলের দাঁড়ি নেই বলে তাকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেগম খালেদা আজম। বেগম জিয়া বলেন, “ফালুর দাঁড়ি নাই, শফিকেরও দাঁড়ি নাই। আমিতো তাদের ফেলতে পারি না, তাই না?”

April 7, 2012

ধন্যবাদ ফিরিয়ে নিলো বিএনপি

বালতিতে করে ধন্যবাদ ফিরিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছে মির্জা ফখরুল

রাজনৈতিক প্রতিনিধি

বাংলাদেশের সমুদ্র জয়ের পর সরকারকে দেয়া ধন্যবাদ ফিরিয়ে নিলো বিএনপি। কিছুদিন আগে মায়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা মামলায় বাংলাদেশ জয়লাভ করার পর বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে ধন্যবাদ দিয়েছিলো। সরকার ধন্যবাদ নিয়েছিলো। কিন্তু এক সপ্তাহের বেশি সে ধন্যবাদ সরকার রাখতে পারলো না। বিএনপি আবার তা ফিরিয়ে নিলো।

আজ সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল নিজ হাতে ধন্যবাদকে ফিরিয়ে নিয়ে চলে যান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ধন্যবাদকে নিয়ে সিএনজি করে বিজয় স্মরণী হয়ে চন্দ্রিমা উদ্যানে যান। সেখানে ধন্যবাদ জিয়ার মাজার জিয়ারত করেন। তারপর আবার ফখরুলের সাথে ধন্যবাদ গিয়ে উঠেন সিএনজিতে। এরপর সিএনজি চলতে থাকে। সিএনজির ভেতরে মির্জা ফখরুল ধন্যবাদকে আদর করতে থাকেন। এ সময় ফখরুলের গলা জড়িয়ে ধরেন ধন্যবাদ।

বাংলা মোটরে জ্যামে পড়লে তৃষ্ণার্ত ধন্যবাদকে বেলের শরবত খাওয়ান মির্জা ফখরুল। এ ক’দিন ধন্যবাদকে ঠিকমতো খেতে দিয়েছে কিনা, ঘুমানোর সময় মশারি টাঙিয়ে দিয়েছে কিনা- এসব প্রশ্ন করতে করতে  সদর ঘাটের দিকে যাচ্ছিলেন ধন্যবাদ এবং মির্জা ফখরুল। এক পর্যায়ে ফখরুলের বুকে বিলি কাটতে কাটতে ধন্যবাদ প্রশ্ন করলেন, “আপনি কেন হঠাৎ করে আমাকে সরকারের ঘরে পাঠালেন? ওরা ভালো না!” এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল। কোনমতে চোখের পানি কন্ট্রোল করে আর কখনো কোন কিছু না বুঝে সরকারের ঘরে না পাঠানোর অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, “ওরে… আর কাঁদিস না। তোকে পাঠানোর পেছনে শুভংকরের ফাঁকি ছিলো। আর কখনো তোকে আমরা পাঠাবো না রে…!”

এক সময় সিএনজি গিয়ে থামে সদরঘাটে। এরপর ধন্যবাদকে দু’টো ললিপপ কিনে দিয়ে সাথে করে নিয়ে আসা নৌকায় উঠেন মির্জা ফখরুল। নৌকা চলতে থাকে কাংখিত গন্তব্যে। বুড়িগঙ্গার বুকে মির্জা ফখরুল লগি চালাচ্ছেন, আর ঘরের ছেলে ধন্যবাদ ঘরে যাচ্ছেন। পেছনে পড়ে রইলো দু:সহ একটা সপ্তাহ!

April 6, 2012

সাঈদীকে গালি দেয়ার কারণে আমার বিয়ে হয়েছে – প্রভা

বিনোদন প্রতিনিধি

জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী প্রভাকে কে না চেনে! তার জীবনে ঘটে যাওয়া দু:খজনক ঘটনাগুলো কে না জানে! কিন্তু আসলে কতটুকুইবা জানে? প্রভার বিয়ে নিয়ে বেরিয়েছে চাঞ্চল্যকর খবর। কী সে খবর? শুনুন প্রভার মুখে, “সাঈদীকে গালি দেয়ার কারণে আমার বিয়ে হয়েছে।”

প্রভা জানালেন, ‘কিছুদিন আগে তিনি প্রথমে সাঈদীর নাম মুখে আনেন। এরপর সাঈদীকে গালি দেন। তারপর তার বিয়ে হয়।’ এরপর আর কী হয়েছে, তা তিনি বলেননি।

এর আগে সাঈদীকে গালি দিয়ে বৃহত্তর নোয়াখালীর হাজিগঞ্জ উপজেলার মোটর মেকানিক ফজলু মিয়া লটারীর তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ১০ লক্ষ টাকা জিতে নেন। এরপর থেকে সারা বাংলাদেশে সাঈদীকে গালি দেয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

ফজলু মিয়াকে অভিনন্দন জানিয়ে তাচ্ছিল্যের সুরে প্রভা বলেন, “তারতো বিয়ে হয়নি!” তিনি বলেন, “ঠিকমতো গালি দিতে না পারার কারণে ফজলু মিয়া তৃতীয় পুরস্কার জিতেছেন। নইলে প্রথম পুরস্কার জিততে পারতেন। এর আগে ঠিকমতো গালি দিতে না পারার কারণে সারাদেশে প্রচুর মানুষ অসুস্থ হয়ে যায়। আমাদের উচিৎ সহী পদ্ধতিতে রাজাকারদের গালি দেয়ার উপায় সমূহ জেনে নেয়া।”

ফজলু মিয়াকে অভিনন্দন জানালেও ক্ষেপে আছেন নাম্বার ওয়ান শাকিব খানের উপর। প্রভা বলেন, “শাকিব অনেক চেষ্টা করেও নিজের জেন্ডার কনভার্ট করতে পারছেন না। যেহেতু তার কনভার্টার কাজ করছে না, সেহেতু তার উচিত সময় নষ্ট না করে সাঈদীকে গালি দিয়ে বিয়ে করে সুখে শান্তিতে স্বামীর সংসার করে যাওয়া।”

April 6, 2012

বিদ্যুতের টাকা মেরে খাবেন না প্লীজ! – ফখরুল

নিজস্ব প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেছেন, সরকার সমুদ্রজয় করে এসেছে, এটা ভালো কথা। কিন্তু কিসের সমুদ্র জয় করেছেন, কার সমুদ্র জয় করেছেন, কোন ফরম্যাটের সমুদ্র জয় করেছেন, কেন জয় করেছেন, এসব কিছু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে হবে। নইলে পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না।

আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাবিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, “মীরাক্কেলে অংশ নেয়া বাদ দিয়ে মানুষের মুখে খাবার দিন। তাহলে জনরোষ থেকে কিছুটা হলেও লোক হাসাতে পারবেন। ফখরুলের কথায় এখন আর লোক হাসে না।”

তিনি বলেন, বাড়ির মহিলারা কখন ঘর থেকে রোডে বেরিয়ে আসে? যখন তাঁদের বাসায় বাচ্চার খাবার থাকে না, বিদ্যুত থাকে না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার দু’টা মাসুম বাচ্চার জন্য খাবার যোগাড় করতে না পেরে রোডে নেমে এসেছেন। তিনি এখন রোডে রোডে মার্চ করে যাচ্ছেন।

ফখরুল অভিযোগ করেন, “কুইক বিদ্যুত উৎপাদন করতে গিয়ে এ খাত থেকে তাঁরা ২০ হাজার কোটি হাতিয়ে নিয়েছে।” তিনি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বলেন, “বিদ্যুতের টাকা মেরে খাবেন না, তাহলে লন্ডনে গিয়ে বছরের পর বছর চিকিৎসা করাতে হবে।” বিদ্যুতের টাকা মেরে খাওয়া কবিরা গুনাহ, আর কবিরার টাকা মেরে খাওয়া রাষ্ট্রীয় আইনে অপরাধ। যোগ করেন তিনি।

April 4, 2012

মগবাজারে কনডম ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে

মগবাজারের ফার্মেসীগুলোয় পাকিস্তানি সাথী কনডম এখন আর দেখা যায় না।

অর্থনৈতিক প্রতিনিধি

এক সময় কনডম বাণিজ্যের জন্য সুপ্রসিদ্ধ মগবাজারে কনডম ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে। জামায়াতে ইসলামীর অফিস এবং গোলাম আজমের বাসভবন এলাকায় বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি কনডম আড়ত। বন্ধ হওয়ার পর আড়তদাররা বেকার হয়ে যান।

আড়তদাররা জানান, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পক্রিয়া শুরু হওয়ার পর হঠাৎ করে রমরমা ব্যবসা ঠান্ডা হয়ে যায়। কেবল কনডম নয়, এ এলাকায় শান্ডার তেল এবং শ্রিপুরের বড়ির ব্যবসাও বেশ ভালো ছিলো। এখন আর কোথায় কী! সব শ্যাষ হয়ে গেছে গা!”

স্থানীয় লোকজনও বিষয়টি টের পেয়েছেন। জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আজমের এক প্রতিবেশী বলেন, “আগে ওই দিকটা থেকে কনডমের ভোটকা গন্ধ আসতো। এখন আসে না।”

তবে সবকিছু মিলিয়ে কনডম ব্যবসায় যতটুকু প্রভাব পড়েছে, তার পুরোটাই আমদানিকৃত কনডমের উপর পড়েছে। পাকিস্তান থেকে আমদানীকৃত সাথী কনডম এ এলাকায় খুব জনপ্রিয় ছিলো। এখন আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে।

কনডম ব্যবসার মন্দার কারণে মন্দা নেমেছে কাগজ কুড়ানো টোকাইদের ব্যবসায়। এ রকমই এক টোকাই বললো, “স্যার, ওই যে একটা অফিস আর এ কয়েকটা বাসার পেছন থেকে আমরা মোটা কাগজের কার্টুন কুড়াইতাম। তারপর তা বেইচা ম্যালা ট্যাকা পাইতাম। অহন আমরা গরীব হয়ে গেছি। ক্যান যে এরাম হইলো!”

সারি সারি কনডমের আড়ত বন্ধ হয়ে গেছে, বন্ধ হয়েছে বাতাসে কনডমের ঘ্রাণ প্রবাহ, ঝিমিয়ে পড়েছে জনজীবন। ঢাকার অনেক ঐতিহ্যের মতো আরো একটি ঐতিহ্য আমরা পেলাম। এক সময় মানুষ বলবে, একদা মগবাজারের বাতাসে কনডমের গন্ধ ভাসতো!

স্থানীয় লোকজন এলাকার এ ঐতিহ্য সংরক্ষণের দাবি জানান। তারা একটি নির্দিষ্ট যায়গা দেখিয়ে বলেন, “ঠিক এ যায়গায় একটা কনডম স্ট্যাচু স্থাপন করার জোর দাবি জানাচ্ছি।”

 

 

April 3, 2012

মীরাক্কেলে অংশ নিবেন শেখ হাসিনা

মীরাক্কেল ৬ এর লোগো

বিনোদন প্রতিবেদক

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলার জনপ্রিয় কমেডি শো মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার ৭ এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ দুপুরে মন্ত্রীসভার নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার আলোচনায় ক্রিকেটে বাংলাদেশের সাফল্য এবং সমুদ্র জয়ের বিষয় উঠে আসে। জয়ের এ ধারা বজায় রেখে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মীরাক্কেল জয় করবেন আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর পাঞ্চ লাইন ডেলিভারি অসাধরণ।” তথ্য যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন বলেন, “সবাই যেখানে দুই মিনিট গল্প বলে একটা পাঞ্চ লাইন ছাড়ে, সেখানে আমাদের প্রধানমন্ত্রী একলাইন গল্প বলে দু’মিনিট পাঞ্চ লাইন ছাড়েন।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মীরাক্কেলে গেলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন হবে। সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতিকারীরা তখন বসে বসে মীরাক্কেল দেখবে। দুষ্টুমি করার সময় পাবে না।”

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন “মাঝে মাঝে মনে হয় এতোদিন ধরে প্রাপ্ত ডিগ্রীগুলো এক সপ্তাহের জন্য ফেরত দিয়ে আসি। জনগণ বুঝবে ডিগ্রীহীন একটা দেশে বসবাস করা কত কঠিন!” এ সময় অর্থমন্ত্রী বলে উঠেন, “বলছি না, উনার পাঞ্চ লাইন ডেলিভারি অসাধারণ!”

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গওহর রিজভী এ প্রতিবেদককে জানান, “ম্যাডাম মীরাক্কেলে যাবার জন্য বেশ কিছুদিন যাবত অনুশীলন করে যাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে উনি বেশ উন্নতি করেছেন। মীরাক্কেল ৭ চ্যম্পিয়ন হওয়ার বিষয়ে আমরা আশাবাদী।”

April 3, 2012

এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া টাই পরে

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে খালেদা জিয়ার ডান হাতে আসতে বললেন বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার কাকরাইলে ইনিস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক আলোচনা সভায় বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল বলেন, “পত্রিকায় দেখলাম, বর্তমান অবস্থা দেখে এরশাদ সাহেব বলেছেন, তিনি চতুর্দিকে অন্ধকার দেখছেন। তাই এরশাদ সাহেবকে বলব অনেকতো রাজনীতি করলেন, এবার ডেসটিনি করুন। খালেদা জিয়ার রাইট হ্যান্ডে নাম লেখান। আপনি নাম লেখালে ম্যাডামের এক সাইকেল পূর্ণ হবে।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “ম্যাডামও আগে চোখে অন্ধকার দেখতেন। ডেসটিনির সদস্য হয়ে তিনি রঙিন চশমা কিনেন। এখন আলো দেখেন। আপনিও আলোর পথে আসুন। ডান পাশে আসুন। বসুন। থাকুন।” সরকারের বিদ্যুত ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “কুইক রেন্টাল নতুন ব্র্যান্ড। অনেকে চেনেও না। ডেসটিনির বিদ্যুত চমৎকার। মানে ভালো, দামে কম। ব্যবহারে সাশ্রয়ী।”

ডেসটিনি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বাড়াবাড়ি করছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “এ দেশ থেকে জামায়াতকে উচ্ছেদ করা যায়নি, শহীদ জিয়াকে উচ্ছেদ করা যায়নি, ডেসটিনিকেও উচ্ছেদ করা যাবে না।” এ সময় তিনি “এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া টাই পরে ” বলে স্লোগান দেন। স্লোগান দিতে দিতে তিনি প্যান্টের বেল্ট ও বোতাম চেক করেন। এ সময় বিড়বিড় করে বলেন, “দেলোয়ার ভাইয়ের কথা আমরা ভুলে যাইনি, কখনো ভুলবো না।”

আলোচনা সভায় বক্তারা টাই’কে মুজিব কোটের প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে দাবি করেন এবং মুজিব পরিবারের কাউকে টাই পরতে নিষেধ করেন। নেতারা বলেন, “আমরা মুজিব কোট পরবো না, আপনারা টাই পরবেন না। টাই একটি জাতীয়তাবাদী পোশাক। জিয়াউর রহমান টাই পরতেন।”

February 26, 2012

লালটিপ সিনেমাকে ক্ষমা করে দিলেন রাষ্ট্রপতি

লালটিপ সিনেমার পোস্টার

বিনোদন প্রতিনিধি

রাজীব, প্রভা এবং অপূর্বকে ক্ষমা করার পর এবার স্বয়ং লালটিপকে ক্ষমা করে দিলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির অফিস থেকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায় লালটিপ এসে যখন ক্ষমা চায়, রাষ্ট্রপতি তখন ক্ষমা না করে থাকতে পারেননি। তবে এসময় রাষ্ট্রপতি লালটিপ সিনেমাকে হালকা বকে দেন।

মহামান্য বলেন, “তোমরা বলেছো লালটিপ এর কথা। কিন্তু পুরো সিনেমায় লাল টপস, লাল টাইটস, লাল জুতা এমনকি লাল জাঙ্গিয়াও দেখা গেছে। এতো বড় বড় জিনিস বাদ রেখে ছোট্ট একটা টিপের নামে সিনেমার নাম রেখে বাংলা চলচ্চিত্রকে অপমান করেছো। আমি বকে দিলাম, এরপর থেকে আর এরকম করবা না!”

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, “সিনেমা দেখে বের হবার পর কোন একজন দর্শকেরও লাল টিপ এর কথা মনে থাকে না। সবার চোখের সামনে লাল টাইটস ঘোরাঘুরি করে। সিনেমার নাম ‘লাল টাইটস’ হওয়া যুক্তিযুক্ত ছিলো।” এসময় তিনি লাল টাইটসকেও মৃদু ভৎর্সনা করেন। ” নিজের নামে চলচ্চিত্রে থাকতে পারলে থাকো, নইলে বিদেয় হও!” বলেন তিনি।

এর আগে লক্ষ্মীপুরের সেই আলোচিত ‘খুনি’ এ এইচ এম বিপ্লবের আরও দুটি খুনের সাজা আংশিক মাফ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। বিপ্লব লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতা আবু তাহেরের ছেলে।  তারও আগে গত বছরের জুলাইয়ে বহুল আলোচিত আইনজীবী নুরুল ইসলাম হত্যা মামলায় বিপ্লবের ফাঁসির দণ্ড মাফ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। এর কিছুদিন পরে রাজীব, প্রভা এবং অপূর্ব গিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইলে তিনি ক্ষমা করে দেন।

বিপ্লব এবং তার বাবা আবু তাহেরকে বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে গিয়ে লাল টাইটস সিনেমাটি দেখে আসার বিষয়ে হাইকোর্ট থেকে রুল জারির অনুরোধ জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি মনে করেন বার বার ক্ষমা পেয়ে বিপ্লব ক্লান্ত হয়ে গেছে। তার এখন বিশ্রাম ও ভালোমন্দ খাওয়া দরকার। মুরগীর কলিজা, ডিমের কুসুম, কুসুমের রান সহ এরকম পুষ্টিকর খাবার না খেলে বিপ্লবের শরীর খারাপ করবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “বিপ্লবের রং লাল, টাইটসের রংও লাল। এদেশে এখন লাল টাইটস হচ্ছে, একদিন লাল বিপ্লবও হবে।”

February 19, 2012

বস্ত্র খুলে লন্ড্রীতে দিবো – দুদু রহমান

দুদু রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা দুদু রহমান বলেছেন আওয়ামী লীগ নেতাদের জামা কাপড় খুলে লন্ড্রীতে ধুতে দিয়ে দিবেন।  চল চল ঢাকা চলো কর্মসূচি সফল করতে শনিবার ঝিনাইদহ শহরে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘মার্চ মাস হচ্ছে আওয়ামী লীগের জন্য আত্মসমপর্ণের মাস। আর বিএনপির জন্য এ মাস স্বাধীনতা যুদ্ধের।  যদি গণতন্ত্রকে মানতে হয় তবে শেখ মুজিবকে মানা যাবে না। কারণ, তিনি গণতন্ত্র হত্যাকারী। জিয়া হত্যাকারী। মুজিবের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে জিয়াকে হত্যা করা হয়।”

দুদু বলেন, “শেখ মুজিব হচ্ছেন জাতির পিতা, আর জিয়াউর রহমান হচ্ছেন গণতন্ত্রের পিতা। জিয়ার দু’সন্তান। গণতন্ত্র রহমান ও তারেক রহমান। এবার আপনারাই বলেন, কে বড়?”

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় আওয়ামী লীগের জন্মদাতা হচ্ছেন শহীদ জিয়াউর রহমান। তৃতীয় আওয়ামী লীগের জন্মদাতা হচ্ছেন তারেক রহমান। চতুর্থ আওয়ামী লীগের জন্মদাতা হচ্ছেন কোকো রহমান। পঞ্চম আওয়ামী লীগের জন্মদাতা হচ্ছি আমি দুদু রহমান। পিতা মানতে হলে আমাদেরকেই মানতে হবে।’