October 2, 2013

আমি সাকার ব্রাদার, সাকা আমার ফাকার – মির্জা ফখরুল

নিজস্ব সংবাদদাতা :

ব্রাদার ফাকার সাকা চৌধুরী আদালতে ন্যায় বিচার পায়নি। আজ এক “নো কুশ্চেন” সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল বলেন, “আমি সাকার ব্রাদার, সাকা আমার ফাকার। আমি জানি তিনি ন্যায় বিচার পাননি।” আপনি কিভাবে জানেন, প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, “নো কুশ্চেন!”

সাকা এতটুকু ন্যায়বিচার পেয়েছে

সাকা এতটুকু ন্যায়বিচার পেয়েছে

তিনি বলেন, “আদালতের রায় গভীর রাতে ফাঁস হয়ে গেছে। কে বা কাহারা মধ্যরাতে সাকার স্ত্রী ফারহাত কাদের ফাকার সামনে গিয়ে সবকিছু খুলে বলেন। খুলে বলার সময় হঠাৎ করে রায় ফাঁস হয়ে যায়। যেহেতু রায় ফাঁস হয়ে গেছে, সেহেতু আমি একটা বোকাচোদা। যেহেতু রায় ফাঁস হযে গেছে, সেহেতু আমি সাকার ব্রাদার। যেহেতু রায় ফাঁস হয়ে গেছে, সেহেতু সাকা আমার ফাকার। যেহেতু রায় ফাঁস হয়ে গেছে, সেহেতু সাকা ন্যায় বিচার পায়নি।”

রায় ফাঁস হওয়ার কারণে রায় বাতিল করতে হবে, ট্রাইব্যুনাল ভেঙে দিতে হবে, দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে, আমাকে একটা রেডিও কিনে দিতে হবে, সানি লিওনকে বোরকা পরতে হবে, রেল মন্ত্রীকে বিয়ে করতে হবে এবং ব্যারিস্টার মওদুদকে আবার মুসলমানি করাতে হবে বলে দাবি করেন মির্জা ফখরুল।

এ সময় সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, “নো কুশ্চেন।” তিনি বলেন, “যেহেতু সাকার রায়ের ফলে প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে গেছে, সেহেতু আমাকে কোন প্রশ্ন করা যাবে না। প্রশ্ন এক ভয়ানক ব্যাধি। সব প্রশ্নের জবাব হয় না। কিছু জবাব থাক না গুপন।”

বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিপক্ষে নয়। কিন্তু ব্রাদার ফাকারের বিচারের পক্ষেও নয়। আজকের সংবাদ সম্মেলনেও এই কথা উচ্চারিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে সবাই উঠে চলে যান। উঠে চলে যাওয়ার সময় মির্জা ফখরুল হালকা কোমর দুলিয়ে যান। এ সময় তিনি ফটো সাংবাদিকদের বলেন, “যাও পাখি বলো তারে, সে যেন ভোলে না মোরে।”

October 1, 2013

সাকা যুদ্ধাপরাধ করেনি, সব ফটোশপ : খালেদা জিয়া

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্রাদারফাকার সাকা

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্রাদারফাকার সাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গণহত্যাসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সালাউদ্দিন কাদের ওরফে সাকা চৌধুরীকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিচারকগণ।

বেগম খালেদা জিয়া ঘুমোচ্ছিলেন। রায় ঘোষনার পর দৈনিক মগবাজার সম্পাদকের ফোনে তার ঘুম ভাঙ্গে। আদালতের রায় জানার পর বেগম জিয়া বলেন, “সাকা যুদ্ধাপরাধ করেনি, সব ফটোশপ। সে আমার উপদেষ্টা, আমি জানি তার সবকিছু ফটোশপে তৈরি।”

দৈনিক মগবাজার সম্পাদককে ধমক দিয়ে তিনি বলেন, “চুপ থাকেন! আমার উপদেষ্টা, আমি জানি। সে যে হাত দিয়ে গণহত্যা করেছে, সে হাত ফটোশপে বানানো। সে যে বন্দুক দিয়ে গুলি করেছে, সে বন্দুক ফটোশপে বানানো। আদালতে যে জিহ্বা দিয়ে ভেংচি কেটেছে, সে জিহ্বাও ফটোশপের। তার এভরিথিং ফটোশপ, এভরিথিং!”

কিন্তু ম্যাডাম, আপনিতো ফটোশপের না, তাহলে ম্যাচ করলেন কিভাবে? এ প্রশ্নের জবাবে বেগম জিয়া বলেন, “আমার ব্যাপারে আপনার কোন ধারনাই নাই। সোনা দানা, দামী গহনা…”

সাকার রায়ের ব্যাপারে নেত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি ব্যারিস্টার মওদুদের সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তারপর এই প্রতিবেদক ফোন করেন ব্যারিস্টার মওদুদকে। প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “রতিক্রিয়া? হোয়াট’স ননসেন্স!! আমি সাকার ব্রাদার না। তার সাথে আমার কোন রতিক্রিয়া নেই।”

শেষ পর্যন্ত সাকার রায়ের প্রেক্ষিতে বিএনপির প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তার সাথেও সাকার কোন রত্রিক্রিয়া নেই। একই দাবি করেন, বিএনপি নেতা এমকে আনোয়ার।

অপরদিকে সকাল থেকে মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল নোমান, আমীর খসরু মাহমুদের কোন খোঁজ নেই। এই তিনজন সাকা চৌধুরীর ব্রাদার কিনা, এ ব্যাপারে কেউ মুখ খুলছে না।

September 28, 2013

অপু বিশ্বাসের মেদ কমার পরও সংলাপে যাচ্ছে না বিএনপি!

নিজস্ব সংলাপদাতা :

বিএনপি কথা দিয়েছিলো অপু বিশ্বাসের মেদ কমলে সরকারের সাথে সংলাপে যাবে। কিন্তু কথা দিয়েও কথা রাখেনি বিএনপি। কেবল একটুখানি সংলাপের জন্য অমানুষিক কষ্ট সহ্য করে অনেকখানি মেদ কমিয়ে অপু বিশ্বাস আজ জিরো ফিগারে এসেছেন। অথচ বিএনপি এখন সংলাপের কথা বেমালুম ভুলে গেছে।

চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছিলেন,

“দেশের অবস্থা খুব খারাপ। একদিকে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে ফাটল ধরেছে, অন্যদিকে অপু বিশ্বাসের মেদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাঁধের ফাটল আর অপু বিশ্বাসের মেদ মেরামত করার আগে এই বাংলার মাটিতে কোন সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে না। জনগণ তা হতে দেবে না।”

মেদ কমানোর পর নায়িকা অপু বিশ্বাস

মেদ কমানোর পর নায়িকা অপু বিশ্বাস

এর প্রেক্ষিতে টানা চার মাসের চেষ্টায় অপু বিশ্বাস তার মেদ কমাতে সক্ষম হন। এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মওদুদের আহমেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,

“অপু বিশ্বাসতো বুক ডন দিয়ে মেদ কমায়নি। দেশের মানুষ আজ ঠিক মত খেতে পারছে না। দু’বেলা দু’মুঠো খেতে না পেরে অপু বিশ্বাস শুকিয়ে গেছে। এর যাবতীয় দায় সরকারকে বহন করতে হবে।”

মওদুদ আরো বলেন,

“আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে মানুষের পকেটে টাকা থাকে না। অভাবের তাড়নায় দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত একটির বেশি জন্মদিন পালন করতে পারেন না। একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর মাত্র একটি জন্মদিন, এটা এটা আমাদের জাতীয় লজ্জা।”

বিএনপির শীর্ষস্থানীয়  এই নেতা বলেন,

“বেগম জিয়া এই দেশের মেহনতি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য বার বার জন্ম নিয়েছেন। অপরদিকে বাকশালী হাসিনা জন্ম নিয়েছেন মাত্র একবার। মাত্র একবার জন্ম নিয়ে কেউ মা মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করতে পারে, এটা বাস্তবসম্মত কথা নয়। তাই দেশের মানুষ এবার বিএনপিকে ভোট দিবে।”

September 27, 2013

রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন মির্জা ফখরুল

রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম

রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আমলগীর রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন। আজ সন্ধ্যার আগে আগে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দিবেন বলে বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে।

খবর নিয়ে জানা গেছে রাজনীতি ছেড়ে তিনি মুখোশের ব্যবসা করবেন। এ জন্য আজিজ সুপার মার্কেটে একটি দোকান ভাড়া নিয়েছেন।

পরশু হঠাৎ করে আওয়ামীলীগের একটি মুখোশ খুলে যাওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে মির্জা ফখরুলের। কিছুক্ষণ পর আওয়ামীলীগের আরেকটি মুখোশ খুলে যায়। বিকেলের মধ্যে আরো কয়েকশ মুখোশ টপাটপ খুলে পড়ে। সন্ধ্যায় নাশতা সেরে এসে দেখেন সেখানে প্রায় হাজার খানেক মুখোশ জমা হয়ে গেছে।

আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিম বসে বসে এসব মুখোশ খুলেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী জানায়। রাত দশটার দিকে হোটেল থেকে রাতের খাবার নিয়ে আসেন মির্জা ফখরুল। তখনো মোহাম্মদ নাসিম মুখোশ খুলে যাচ্ছেন। মির্জা ফখরুল মোহাম্মদ নাসিমকে বলেন, “নাসিম ভাই, আপনি মুখোশ খুলে যান, আমি আছি।”

মধ্যরাতে মুখোশ খোলা শেষে মোহাম্মদ নাসিম চলে গেলে সবগুলো মুখোশ বস্তা ভরে ভ্যানে করে বাড়িতে নিয়ে যান মির্জা ফখরুল। স্ত্রী কন্যাসহ সবাই মিলে গুনে দেখেন হাজার হাজার মুখোশ। তখনই তার স্ত্রী রাজনীতি ছেড়ে মুখোশের দোকান দেয়ার পরামর্শ দিলে মির্জা ফখরুল এক বাক্যে রাজি হয়ে যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, “আওয়ামীলীগের মুখোশ খুলে গেছে। মোহাম্মদ নাসিম তার দলের মুখোশ খুলে দিয়েছেন। হাজার হাজার মুখোশ। সুন্দর সুন্দর মুখোশ। সবগুলো মুখোশ এখন আমার কাছে। রাজনীতি ছেড়ে মুখোশের দোকান দিবো। আপনি আইসেন। একটা মুখোশ কিইনেন। দাম কমায়া রাখবো।”

 

September 26, 2013

আমি কোলহারা কলংকীনি – মওদুদ

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কসাই কাদের মোল্লার আপীলের রিভিউ শেষ করে তারপর মৃত্যুদন্ড দেয়ার আহবান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ । তিনি বলেন, “এতে করে কাদের মোল্লাকে বাঁচানোর একটা সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। রিভিউ শেষ করা এবং রায় কার্যকর করার আগেই এই সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তারপর আর এসব বিচার টিচার থাকবে না। তখন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”

মওদুদ আরো বলেন, “পঁচাত্তরের পর কিছুদিন দেশে শান্তি ছিলো। এরশাদের আমলেও বেশ ভালো শান্তি ছিলো। কিন্তু যেদিন এরশাদ আমাকে কনডম আনতে ফার্মেসিতে পাঠিয়েছে, সেদিন থেকে দেশে আর শান্তি নাই। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য, একটু মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমি বিএনপিতে যোগ দিই। বিএনপির সাথে রাজাকার আছে। আমি রাজাকারে যোগ দেই। তারপর ২০০১ সালের নির্বাচনের পর দেশে শান্তি আসে, মানবাধিকার আসে।”

তারপর আবার দেশের আকাশে কালোমেঘ দেখা যায়। বাকশালীরা ক্ষমতায় এসে অশান্তি শুরু করে। কসাই থেকে শুরু করে আলেম, আলেম থেকে শুরু করে অধ্যাপক, অধ্যাপক থেকে শুরু করে সোনা ব্যবসায়ী, কেউ বাদ যায়নি। যারে তারে ধরে বিচার করতে থাকে।

দুঃখের সাথে ব্যরিস্টার মওদুদ বলেন, “বিএনপিতে যোগ দেয়ার পর আমি ছিলাম রাজাকারের কোল বালিশ। আমি তাদের আনন্দ দিতাম, তারা আমাকে আনন্দ দিতো। কিন্তু আজ আমার সব কোল বাকশালের জেলে। কোল হারিয়ে এখন আমি কোলহারা কলংকীনি!”

নিজেকে একজন নিরেপক্ষ আইনজীবী হিসেবে দাবি করেন মওদুদ। তিনি বলেন, “কিছুদিন আগে যুবদলের ছেলেরা আমায় জুতো মেরে তুলো বের করে দিয়েছে। সেই তুলো ওরা আকাশে উড়িয়ে দেয়। আমি কিচ্ছু বলিনি।” এ সময় তিনি কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে এই প্রতিবেদকের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন।

অবস্থা বেগতিক দেখে এই প্রতিবেদক যখন মওদুদের চোখের জল মুছে দিতে যায়, তখন তিনি পেছনে সরে গেয়ে উঠেন, “আমারে কেও ছোঁয়োনাগো স্বজনী…।”

September 25, 2013

জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা নয় – মির্জা ফখরুল

রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র

রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেছেন, “আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের দল নয়, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা নয়।” গতকাল এক আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “সত্যি কথা হচ্ছে, আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের দল নয়। অন্য কোন দল মুক্তিযুদ্ধের দল ছিলো, আমি নাম ভুলে গেছি। জিয়াউর রহমানও মুক্তিযোদ্ধা নন। অন্য কেউ একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তার নামও মনে নেই।”

এ বিষয়ে আমরা যোগাযোগ করি মির্জা ফখরুলের সাথে। উত্তরাঞ্চলের তালিকাভুক্ত রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের প্রসংগ আসতেই তিনি বলেন, “মির্জা রুহুল আমিন নামের ওই রাজাকারটি কোনভাবেই আমার বাবা নয়। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি জানি না, কে বা কাহারা কী সব করে গেছে। জানি না কীভাবে সব হয়ে গেছে!”

এক পর্যায়ে এই প্রতিবেদকের মাথা টেনে কাছে নিয়ে কানে কানে বলেন, “শোনো, সানি লিওন কিন্তু পর্নস্টার না, পাপিয়া কিন্তু মহিলা না, আমি কিন্তু ফখরুল না, মওদুদ কিন্তু ব্যারিস্টার না, গোলাম আজম রাজাকার না, অ্যাঁ কিন্তু ভ্যাঁ না, ভ্যাঁ কিন্তু অ্যাঁ না…!” তারপর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন।

ঘুমিয়ে পড়ার কারণে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের সাথে আর কথা বলা সম্ভব হয়নি।

June 4, 2013

তারেকের কাছে ক্ষমা চাইলেন আশরাফুল

আশরাফুল

আশরাফুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক ::

প্রথমে আশরাফুল বললেন, “পুরো বিষয়টার সাথে নূর-এ-ক্রিকেট উৎপল শুভ্র’র কোন সম্পৃক্ততা নেই।” তারপর তিনি বলেন, “আমি তারেক ভাইয়ার কাছে ক্ষমা চাই।” বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ টেষ্ট সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ আশরাফুল আজ তার বাসায় সাংবাদিকদের সামনে এভাবেই বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ক্ষমা চান।

আশরাফুল বলেন, “প্রথমে বাজিকরদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। তারপর টাকা খরচ করেছি। টাকা শেষ হওয়ার পর উৎপল শুভ্র আমাকে বলেছে তোমাকে আমি টাকা দিবো, তুমি আকসুর কাছে যাও। আমি বললাম কত টাকা? উৎপল দা ক্যালকুলেটরে বাটন টিপে টিপে টাকার অংক দেখান। আমি বলেছি এত কমে হবে না। উনার হাত থেকে ক্যালকুলেটর নিয়ে আমিও বাটন টিপে ডিমান্ড জানিয়ে দিই। দাদা বললেন ঠিক আছে দিবো। কিন্তু আরো তিনজনের নাম ঢুকিয়ে দিতে হবে। তখন আমি কবুল বলে আকসুর কাছে যাই।”

তিনি বলেন, “এরপর আকসু এসে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদেরকে সব বলে দিয়েছি যা যা উৎপল দা শিখিয়ে দিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আকসু চলে যায়, আমিও চলে আসি। রাতের খাবার দাবার খেয়ে বিছানায় যাই। যখন বালিশে মাথা রাখি, তখনই ঘটনাটা ঘটে। প্রথমে আমার মাথায় দুইটা চক্কর খায়। তারপর বমি বমি ভাব হয়। কিন্তু বমি আসে নাই। ঠিক সে সময় আচমকা মনে পড়ে আমিতো তারেক ভাইয়াকে টেন পার্সেন্ট কার্টেসি দেই নাই!” এ সময় উৎপল শুভ্র চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। তিনি আশরাফুলের দিকে তাকিয়ে জল ছেড়ে দেন।

উৎপল শুভ্রের কান্না দেখে মানসিক চাপে পড়ে যান আশরাফুল। এ সময় শক্ত হাতে মাইক্রোফোন মুঠ করে ধরে চাপ সামাল দেন তিনি। চাপ সামাল দিয়ে বলেন, “তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসলে উৎপল শুভ্র আমাকে টাকা দিবেন। তারপর আমি হজ্জ্বে যাবো। ভাইয়াও হজ্জ্বে আসবেন। তখন আমি তাকে লেট ফি সহ টেন পার্সেন্ট কার্টেসি বুঝিয়ে দিবো।”

 

May 29, 2013

অপু বিশ্বাসের মেদ না কমলে সংলাপ হবে না – মওদুদ

অপু বিশ্বাসের মেদ বেড়ে চারিদিকে গড়িয়ে পড়ছে বলে দাবি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ।

অপু বিশ্বাসের মেদ বেড়ে চারিদিকে গড়িয়ে পড়ছে বলে দাবি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ।

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন সরকার বালক সুলভ আচরণ করছে। তিনি বলেন, “সরকার মুখে বলছে সংলাপের কথা, অথচ তাদের কাজ কর্ম বলছে উল্টোটা। সংলাপের কোন পরিবেশই নাই। এ অবস্থায় আমরা সংলাপে যেতে পারি না।”

‘তারেক রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্যতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, “তারেক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। তারেকের জন্ম না হলে আজ আমরা বাংলাদেশ পেতাম না।”

তিনি আরো বলেন, “তারেককে জন্ম দেয়ার জন্য খালেদা জিয়ার জন্ম হয়েছিলো। খালেদা জিয়াকে বিয়ে করার জন্য জিয়াউর রহমানের জন্ম হয়েছিলো। জিয়া-খালেদার তালাক ঠেকানোর জন্য বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছে। আর এই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন।” সুতরাং এটা দিবালোকের মত সত্য যে, তারেক রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না – যোগ করেন তিনি।

অথচ এই স্বাধীন বাংলাদেশে কোন সংলাপ হচ্ছে না। কারণ সংলাপের পরিবেশ নাই। এর জন্য সরকারকে দায়ী করেন বর্ষীয়ান এই আইনজীবী। তিনি বলেন, “সংলাপ হতে হলে আমাদের সব নেতাকে মুক্তি দিতে হবে, নোয়াখালীর কম্পানিগঞ্জের চর এলাহীর গাংচিল উড়িয়ার চরের নদীতে জেলেদের নৌকা ডাকাতি বন্ধ করতে হবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” এসব না হলেতো সংলাপ হতে পারে না, তাই না? – প্রশ্ন রাখেন তিনি।

মওদুদ বলেন, “দেশের অবস্থা খুব খারাপ। একদিকে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে ফাটল ধরেছে, অন্যদিকে অপু বিশ্বাসের মেদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাঁধের ফাটল আর অপু বিশ্বাসের মেদ মেরামত করার আগে এই বাংলার মাটিতে কোন সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে না। জনগণ তা হতে দেবে না।”

এরপর তিনি সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সরকারকে বাধ্য করতে কিছুক্ষণ চাপ প্রয়োগ করেন।

May 29, 2013

পরিবেশ পরীক্ষা করতে বুয়েটে যাবে বিএনপি

পরিবেশ ভালো না হলে তারেক দেশে ফিরবেন না

পরিবেশ ভালো না হলে তারেক দেশে ফিরবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। সুদীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে লন্ডনে নির্বাসনে আছেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা, স্বৈর শাসক জিয়াউর রহমান ও বর্তমান বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র বড় ছেলে। এর আগে সেনা সমর্থিত ফখরুদ্দিন সরকার তারেক রহমানের মেরুদন্ডের নব্বই পার্সেন্ট ভেঙে দেয়। বাকি দশ পার্সেন্ট মেরুদন্ড নিয়ে কোনমতে লন্ডন পালিয়ে যান তিনি। এখন আবার দেশে ফিরে আসতে চান।

কিন্তু দেশের পরিবেশের অবস্থা ভালো না। এই প্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বললেন তারেককে ফিরিয়ে আনার জন্য পরিবেশ সৃষ্টির যাবতীয় দায় দায়িত্ব সরকারের উপর বর্তায়। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “পরিবেশ ঠিক করুন, তারেক আসবে।” সরকার বললো দেশের পরিবেশ এখন ভালো, তাকে আসতে বলুন। দুদু বললেন, “না, পরিবেশে কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণের হার অনেক বেশি।” সরকার বললো এটা ভুল তথ্য। নগরের আকাশে বাতাসে অক্সিজেনের ছড়াছড়ি। এরপরই দুদু উত্তেজিত হয়ে যান। উত্তেজিত হয়ে পরিবেশ পরীক্ষা করার জন্য বুয়েটে যাওয়ার হুমকী দেন। এ নিয়ে সরকারের মাঝে তীব্র আতংক বিরাজ করছে।

বিএনপি যখন তখন বুয়েটে চলে যেতে পারে। এরই মধ্যে পরিবেশের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা হাতে পেয়ে শামসুজ্জামান দুদু কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরিবেশের অবস্থা খুবই খারাপ। এমন পরিবেশে তারেক রহমান যদি দেশে ফিরে আসেন, তাহলে পাছার এক ইঞ্চি চামড়াও অবশিষ্ট থাকবে না, সব উচ্ছেদ হয়ে যাবে।

এ সময় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। দুদু বলেন, “আমাদের সরকারের সময় তারেক মামুনদের মত তরুণ প্রজন্ম চোখে সানগ্লাস লাগিয়ে কোমর ঝাঁকিয়ে পাছা দুলিয়ে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া ঘুরে বেড়িয়েছে। পরিবেশ এত ভালো ছিলো! সেই ভালো পরিবেশ নিয়ে এই বাকশালী সরকার ছিনিমিনি খেলেছে। পরিবেশকে খারাপ করে দিয়েছে, নষ্ট করে দিয়েছে। এখন পরিবেশ ডাইল খায়, গাঁজা খায়, ডিস্কোতে যায়, গভীর রাতে ঘরে ফিরে, নারীদেরকে বাবু দেয়।”

দেশের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোকে রাজপথে নামার অনুরোধ করেন দুদু। দুদু মনে করেন এখন যদি পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো তারেকের জন্য পরিবেশ ভালো করার কাজে হাঁটু পরিমান পানিতে না নামে, তাহলে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে এসব পরিবেশবাদীদের পাছার ছামড়া তুলতে তারেক রহমান গলা পরিমান পানিতে নামবেন। সুতরাং পরিবেশ ভালো করা সবার নৈতিক দায়িত্ব।

May 28, 2013

কাঠগড়ায় কাঁদলেন মুজাহিদ, কাওরান বাজারে বন্যা

কাওরান বাজার প্রতিনিধি ::

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের অভিযোগের বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। একপর্যায়ে আসামির কাঠগড়ায় থাকা মুজাহিদ কেঁদে ফেলেন। ট্রাইব্যুনালে থাকা মুজাহিদের স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েও তাঁর কান্না দেখে কেঁদে ফেলেন। তাদের কান্না দেখে আসামীর আইনজীবীও কেঁদে দেন।

বিষয়টা কোনভাবেই মেনে পারছেন না মতিউর রহমান

বিষয়টা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না মতিউর রহমান

আদালতে উপস্থিত দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি অফিসে ফোন করে সম্পাদকের অনুমতি নিয়ে তিনিও কান্না শুরু করেন। প্রতিনিধি থেকে খবর পেয়ে সম্পাদক মতিউর রহমান চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। অন দ্য স্পট তিনি কেঁদে দেন। এ সময় সম্পাদকের রুমে একটি লেখা দেখাতে আসেন সাহিত্য সম্পাদক সাজ্জাদ শরীফ। সম্পাদকের কান্না দেখে সাজ্জাদ শরীফ ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কেঁদে ফেলেন।

লেখা না দেখিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় নিউজরুমের সবাই দেখে ওরাও কান্নাকাটি শুরু করে। এসময় নিউজরুমে প্রচুর আবেগের সৃষ্টি হয়। ঠিক তখন অফিসে আসেন উপ সম্পাদক আনিসুল হক। অফিসে ঢুকে দেখেন হাঁটু পরিমান অশ্রুজল। জল দেখেই তার কান্না পায়। পরে যখন শুনলেন আদালতের কাঠগড়ায় আলী আহসান মুজাহিদ কান্না করেছেন, তখন আনিসুল হক নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। তার বুক ভেঙে যায়। ভাঙা বুক নিয়ে টেবিলের উপর বসে বসে তিনি কাঁদছেন।

খুব দ্রুত কার্যালয়ের সব ফ্লোরে কান্নাকাটির খবর পৌঁছুলে জলোচ্ছ্বাসের পরিমান বাড়তে থাকে। অল্প সময়ের মধ্যে ৫ ফুট উচ্চতায় জল বাড়তে থাকে। সন্ধ্যার পর অফিসের গেইট দিয়ে জল বাইরে গড়াতে শুরু করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাওরান বাজারে এখন হাঁটু পরিমান জল।

প্রতিবেশীর বিপদের খবর শুনে এটিএন নিউজ অফিস থেকে মুন্নি সাহা আসেন প্রথম আলো অফিসে। কোনমতে পানি সাতরে মতিউর রহমানের রুমে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন, “আপনার অনুভূতি কী?” মতিউর রহমান মুন্নি সাহার দিকে তাকিয়ে ঢুঁকরে কেঁদে উঠেন।

এইমাত্র পাওয়া খবরে জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা শুকনো খাবার, স্যালাইন ও বিশুদ্ধ জলসহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে কাওরান বাজারের দিকে রওনা দিয়েছেন।

%d bloggers like this: