Posts tagged ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’

June 5, 2016

আ.লীগ ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ এতদিনে আমেরিকা হয়ে যেত – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিচ্ছিন্ন প্রতিবেদকঃ বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ এতদিনে আমেরিকা হয়ে যেত। এই প্রতিবেদকের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, “ভাগ্যিস আমরা ক্ষমতায়। নইলে এই দেশে আমেরিকার মত প্রতিদিন শত শত মানুষ সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হত, টাওয়ার ভেঙে যেত, শাকিব খানের বিয়ে হত, অপু বিশ্বাস মোটা হত, সাবিলার নেইলস বড় হয়ে গেলে সে ভাত বেশি খেত। একটা চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিত।”

দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও জঙ্গীবাদ দমন বিষয়ে তার বিরুদ্ধে জনগণের অভিযোগ অস্বীকার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল। অস্বীকার করে তিনি বলেন “দেখুন, এটা একটা অবান্তর অভিযোগ। আপনাকে গ্যারান্টি দিয়ে বলছি, আমি সবসময় জঙ্গী দমন করি। হয়তো আমার সেলিম ওসমান অত্যন্ত ভারী হওয়ার কারণে বাইরে গিয়ে জঙ্গী দমন করতে পারি না, কিন্তু অফিসে বসে বসে দমন করি। জানেনইতো, মন্ত্রী হওয়ার আগে আমার সেলিম ওসমান খুব হালকা ছিলো, কিন্তু মন্ত্রী হওয়ার পর এটা খুব ভারী হয়ে গেছে। এত ভারী সেলিম ওসমান নিয়ে বসা থেকে উঠতে কষ্ট হয়, বয়ে বেড়াতে কষ্ট হয়। কষ্ট না হলে শহরের অলি গলি তন্ন তন্ন করে জঙ্গী খুঁজে বের করতাম, তারপর দমন করতাম। আপনি হয়তো জানেন না, আমি জঙ্গী দমন খুব ভালোবাসি। আই লাইক জঙ্গী দমন।”

বাংলাদেশের সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

বাংলাদেশের সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ মন্ত্রীসভার কয়েকজন সদস্য সবসময় বলেন বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ দেশ, অথচ কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন বাংলাদেশ পৃথিবীর ৩৩ তম নিরাপদ দেশ। এ বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষন করলে তিনি বলেন, “হা হা হা। জানেন, এটা বলার পর পাবলিক রিঅ্যাকশন দেখে খুব হতাশ হয়েছি, টাশকি খেয়েছি। পাবলিক শুধু মতিকণ্ঠের স্যাটায়ারই বোঝে, কামালের স্যাটায়ার বোঝে না। বাংলাদেশ পৃথিবীর ১ নাম্বার নিরাপদ দেশ, আমি স্যাটায়ার করে বলেছি ৩৩ নাম্বার। অথচ পাবলিক তা বুঝলো না। পাবলিক আমাকে ষাঁড় বললো, ভাঁড় বললো, উন্মাদ বললো, ছাগল বললো। আমি কিছু মনে করিনি। কারণ ওরা আমার অবুঝ, ওরা আমার কাঁচা; আমি আমার আধমরাদের ঘা মেরে বাঁচাবো। এটা আমার এইম ইন লাইফ।”

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হলেন। তিনি একজন পর্দানশীল মুসলিম রমণী এবং অবশ্যই ব্লগার নন, কখনো সীমা লংঘন করেননি। তার খুনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিমত জানতে চাইলে মন্ত্রী অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেন। দুঃখ প্রকাশ করতে করতে চেয়ারের উপর হেলান দিয়ে শুয়ে পড়েন, তারপর শুয়ে শুয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। দুঃখ প্রকাশ শেষে মন্ত্রী জানালেন সন্দেহের তীর জঙ্গীদের দিকে। কারণ বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু মুসলিম, ঠিক আছে। তিনি পর্দানশীল, তাও ঠিক আছে। তিনি হিজাব পরেন, এটাও ঠিক আছে। কিন্তু মৃত্যুকালে তার নিকাব পরা ছিলো না। মুখ উন্মুক্ত ছিলো। তিনি কেন মুখ উন্মুক্ত রেখেছেন, এ বিষয়টা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন মন্ত্রী কামাল। কামাল বলেন, “যেহেতু মিতু ব্লগ লিখত না, ফেসবুকে স্ট্যাটাস লিখত না, সেহেতু আমরা তার বোরকা, হিজাব ও নিকাব খতিয়ে দেখবো। খুন করা অপরাধ, অন্যায়। কিন্তু মিসেস বাবুল আখতারেরও এভাবে চেহারা দেখি চলাফেরা করা উচিত হয়নি।”

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী হামলার পরিমাণ কমে এলেও বাংলাদেশে জঙ্গী হামলার ঘটনা বেড়ে চলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এরকম একটি প্রতিবেদনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করলে মন্ত্রী ক্ষেপে যান। ক্ষেপে গিয়ে বলেন “আম্রিকা যখন এসব বলে, পাবলিক তখন খুব খায়। আর আমরা যখন বলি বাংলাদেশ জঙ্গী দমনে রোল মডেল, তখন পাবলিক পেছন ঘুরে আমাদেরকে সেলিম ওসমান দেখায়। পাবলিক সবসময় আমার সেলিম ওসমান মেরে দেয়ার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে। এই দেশের পাবলিকের কোন চরিত্র নেই। তাই আমরা মন্ত্রী এমপিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা আমাদের সেলিম ওসমানের নিরাপত্তা চাই। ইজ্জত নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই। মন্ত্রী হলেও আমরাতো মানুষ। আমাদেরও আছে সম্মানের সহিত বেঁচে থাকার অধিকার।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সাথে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছাড়াও ধর্ম, বিজ্ঞান, বাজেট ও মুস্তাফিজ নিয়ে কথা হয়। ধর্ম ও বিজ্ঞান নিয়ে বলা তার কথাগুলো এই প্রতিবেদনে অনুল্লেখ রাখার অনুরোধ করে তিনি বলেন, “ভাই ধর্ম আর বিজ্ঞান নিয়ে যা বলছি, তা লিইখেন না। জঙ্গীদের মা বাপ নাই।”

May 18, 2013

প্রেম করতে পত্র লাগে না – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর বলেছেন প্রেম করার জন্য প্রেমিক প্রেমিকার ইচ্ছাই যথেষ্ট, প্রেমপত্র জরুরী না। শনিবার সকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “প্রেম করিতে যেমন পত্রের প্রয়োজন নাই, সংলাপের জন্যও তেমনি চিঠির প্রয়োজন নাই বলিয়া ধারনা করি।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রেমিক এবং প্রেমিকা প্রথমে একটি ভবনের ভেতরে প্রবেশ করিবে। তারপর একে অপরকে ধরিয়া নাড়াচাড়া করিবে। অতঃপর তাহাদের মাঝে প্রেম সংঘটিত হইয়া যাইবে। এইখানে পত্রের কোন ভূমিকা দেখিতে পাই নাই।”

বিরোধীদলের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, “আমরা ভবনে রহিয়াছি, আপনারাও ভবনের অভ্যন্তরে চলিয়া আসুন। আমরা আপনাদিগকে হস্তগত করিয়া লইবো, আপনারা আমাদিগকে হস্তগত করিয়া লইবেন। অতঃপর নাড়িয়া চাড়িয়া একাকার হইবো। এইভাবে সংলাপ সংঘটিত হইয়া যাইবে। আপনারা টেরও পাইবেন না। সুতরাং ভবনের অভ্যন্তরে আসিয়া পড়ুন, সংলাপ সংঘটিত করিয়া ফেলুন।”

অধিক নড়াচড়া করার ফলে ভবন ভেঙে পড়ার আশংকা আছে কিনা, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “প্রেমিকের ভবন ভাঙিয়া পড়া আর হৃদয় ভাঙিয়া পড়া একই কথা নহে।”

January 1, 2013

বেডরুম এখন নিরাপদ – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাতভর পান চলেছে

রাতভর পান চলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

একটা সময় বাংলাদেশের বেডরুম নিরাপদ ছিলো না। সরকার পারতো না বেডরুমে নিরাপত্তা দিতে। ভয় ও আতংকে গিজগিজ করতো নাগরিক বেডরুম। এসব এখন অতীত। মানুষ লোডশেডিংয়ের মত অনিরাপদ বেডরুমের কথাও ভুলে গেছে। দেশের আনাচে কানাচে, শহরে বন্দরে সব বেডরুম এখন নিরাপদ। এমন দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম.খা আলমগীর।

থার্টিফার্স্ট নাইটে রাস্তা থেকে ধরে ধরে রাজধানীর মানুষকে বেডরুমে পাঠানো হয়েছিলো। কারো কোন সমস্যা হয় নাই। ম.খা বলেন, “রাস্তাঘাট, বাজার এসব হচ্ছে শয়তানের যায়গা। ঘর হচ্ছে রহমতের যায়গা, মহব্বতের যায়গা। নবীজী বলেছেন বাজারে কম সময় দিতে। আমি বলি বেডরুমে বেশি সময় দিতে।”

গতকাল রাজধানীতে উৎসবমূখর পরিবেশে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন হয়েছে বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমূখর পরিবেশ, লইট্টা ফিশ ও পানের সাথে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপিত হয়েছে। কোথাও কোন সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।”

তিনি আরো বলেন, “পানশালায় গিয়ে পান করা যায়, কিন্তু কাম করা যায় না। তাই গতকাল আমরা সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর সব পানশালা বন্ধ করে দিই। পান খাইবা, বেডরুমে খাও। একদিকে পান চালাও, আরেকদিকে কাম চালাও। রাস্তাঘাটে কী!”

বেডরুমে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যাহ শয়তান!”

August 17, 2011

ধমক শুনে হেসে দিলেন আবুল হোসেন

বিশেষ পাকিবেদক ।। ১৭ আগস্ট ২০১১

ধমক শুনে হেসে দিলেন আবুল হোসেন

ঢাকা-ময়মনসিংহ বেহাল মহাসড়ক নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ধমক শুনে হেসে দিলেন যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন। হেসে দেয়ার পর চালু হলো ওই রুটে বাস চলাচলও। সড়ক সংস্কারের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল এর ১৩টি রুটে বেসরকারি বাস চলাচল বন্ধ ছিলো।

সড়ক ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষের মধ্যে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠকে মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সচিব মোজাম্মেল হককে ধমক দিলেন শেখ হাসিনা। এর আগে ছাত্রলীগকেও নানান কারণে তিনি ধমক দিয়েছিলেন এবং ওরা হেসে দিয়েছিলো।

গতকাল বেহাল সড়ক সংস্কার নিয়ে অর্থমন্ত্রীর গায়ে দোষ চাপিয়ে আবুল হোসেন বলেছেন অর্থমন্ত্রী তাকে টাকা দেন না। এর প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, “যোগাযোগমন্ত্রী না বুঝে এ কথা বলেছেন এবং রাতের বেলা না বুঝে কাজের মেয়ের রুমে ঘুমিয়ে পড়েন।” এরপর অর্থমন্ত্রীও হেসে দেন। তিনি আরো বলেন, “আমি কখনো ভুল করে কাজের মেয়ের রুমে ঘুমিয়ে পড়িনি।”

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আবুল হোসেনকে কটাক্ষ করে বলেন, “আপনার যায়গায় আমি হলে আরো আগে পদত্যাগ করতাম। এতো লজ্জা নিয়ে আপনি হাসেন কিভাবে!”

বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানও একহাত দেখে নেন যোগাযোগমন্ত্রীকে। “দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক থাকার কারণে দ্রব্যমূল্য ঠেকানো যাচ্ছে না। এখন থেকে কম হাসবেন, কম টয়লেটে যাবেন। আপনার হাসি দেখলে বিরক্ত লাগে।”

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকে যোগাযোগমন্ত্রীকে রক্ষা করতে গিয়ে যোগাযোগ সচিব মোজাম্মেল হকও প্রধানমন্ত্রীর তোপে পড়েন বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, “যোগাযোগ সচিব প্রধানমন্ত্রীকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে ঠিকাদাররা ঠিকমতো হাসতে পারেনি বলেই সড়কের এ অবস্থা হয়েছে। তখন প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগ সচিবকে বলেন, আপনি চুপ করেন। আপনি নিজেই ঠিকমতো হাসতে পারেন না।”

July 27, 2011

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগের প্রয়োজন নেই

 

২৭ জুলাই ২০১১

আমরা প্রায়ই পত্র-পত্রিকায় বিদেশী মন্ত্রী অথবা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পদত্যাগের খবর পড়ি। বাংলাদেশেও কালেভদ্রে এ ধরনের খবর পাওয়া যায়। তবে সেটা হয়, “রাষ্ট্রপতি/প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে পদত্যাগ” জাতীয় খবর। বাংলাদেশের মন্ত্রী এবং অন্যান্য দায়িত্বশীলদের পদত্যাগ না করার ফলে প্রমাণিত হয়, বাংলাদেশের স্ব স্ব দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ যথেষ্ট সফল। প্রশাসনিক দায়িত্বের এতো বিরাট সফলতা বিশ্বের আর কোন দেশে নেই। যে দেশে মন্ত্রীদের পদত্যাগের হার যত বেশি সে দেশের মন্ত্রীরা ততো বেশি ব্যর্থ। সে হিসেবে বলা চলে ইউরোপের দেশগুলো অনেকটাই ব্যর্থ রাষ্ট্র। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওরা আমাদের চেয়ে ধনী এবং সভ্য।

দেশের মানুষ ফাইলবন্দী আইনগুলোকে এখন হাতে তুলে নিচ্ছে। প্রায়ই ওরা হুশে বেহুশে অল্প অল্প করে মানুষ মারছে। সম্প্রতি আদমশুমারীতে দেশের জনসংখ্যা অস্বাভাবিক কম দেখানো হয়। এ নিয়ে সমালোচনায় পড়ে সরকার। পুনরায় শুমারী চালিয়ে যাওয়া অর্থ অপচয়ের নামান্তর। সেক্ষেত্রে বাড়তি জনসংখ্যা কমিয়ে ফেলা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। দেশের জনসংখ্যা বেড়েছে জনগণের কারণে। কনডম কিনতে অনীহা দেখিয়ে মাছের পোনার মতো মানুষ বানিয়েছে, এখন এসব মাছের পোনা ধ্বংসের দায়িত্বও দেশের জনগণকেই নিতে হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে দেশের মানুষকে আন্তরিক ধন্যবাদ দিয়েছেন। সম্প্রতি চালকের ভুলে মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনা, আমিন বাজারে গনহত্যা এবং সর্বশেষ নোয়াখালীতে গণপিটুনি দিয়ে দেশের জনগণ তাদের দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতার প্রমাণ রেখেছে। এভাবে চলতে থাকলে এ সরকারের আমলেই দেশের জনসংখ্যা ৭ কোটিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে। ৭২ এর সংবিধানের মতো আমরা ৭২ এর জনসংখ্যায়ও পৌঁছে যেতে পারবো।

অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি দ্রব্যমূল্যের বিষয়ে জনগণকে বাজার বিরতিতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, একদিন বাজার বয়কট করলে ব্যবসায়ীরা দাম কমাতে বাধ্য হবে। তিনি আরো বলেন, “ব্যবসায়ীদের সাথে সরাসরি জনগণের সম্পর্ক। সরবরাহকারী এবং ভোক্তার মাঝখানে বসে একজন অর্থমন্ত্রী হিসেবে গুপ্তকেশ পরিচর্যা ছাড়া আমার আর কোন কাজ নেই।” জনগণকে সচেতন করার জন্য একজন মন্ত্রীর এমন আন্তরিকতার নজির স্বয়ং পাকিস্তানের মতো প্রগতিশীল রাষ্ট্রেও নেই। শেয়ার বাজার ইস্যুতেও জনগণ চাইলে মাঠে নামতে পারে। অর্থমন্ত্রী যখন নিজের গুপ্তকেশ নিয়ে বেশি ব্যস্ত, জনগণ তখন দরবেশ সাহেবদের প্রকাশ্যকেশগুলো উচ্ছেদ করতে পারে। অবশ্য দেশের দরবেশরা গালের উপর বালের খামার করে আল্লাহর নামে রিজিকের বরকত করে যাবেন, এখানে ঈর্ষান্বিত না হলেও চলে। সৃষ্টিকর্তা কখন কোথায় কার রিজিকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, তা একমাত্র তিনিই ভালো জানেন।

সরকার ধীরে ধীরে গণমূখী হচ্ছে। দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জনগণের উপর নির্ভর করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। দ্রব্যমূল্য কমানোর জন্যও অর্থমন্ত্রী নির্ভর করছেন জনগণের উপর। জনগণের খানসামা আয়া’রা জনগণের উপর নির্ভর করছে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এরচেয়ে সুখবর আর কিছুই হতে পারে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্ভরতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে জনগণ খুব মনযোগের সহিত মানুষ হত্যায় মগ্ন হয়েছে। ঠিক একইভাবে অর্থমন্ত্রীর আহবানে সাড়া দিয়ে এদেশের মানুষ না খেয়ে না দেয়ে সময় করে একদিন রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে যেদিকে দু’চোখ যায়, সেদিকে চলে যাবে।

পরিশেষে এ কথা বলা যায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগের প্রয়োজন নেই।

June 1, 2011

লিমন সংগীত গাইতে নিষেধ করলেন প্রধানমন্ত্রী

লিমন এখন পা হারিয়ে জীবন ছেড়ে দিয়েছে ক্র্যাচের উপর

অনলাইন ডেস্ক ।। ০১ জুন ২০১১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লিমন ‘সন্ত্রাসী’, এমন অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে নিয়ে কোন গান না গাইতে সরকারি নেতা ও কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র আজ বুধবার এ খবর জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ সূত্র বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে জানান, প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্স সফর শেষে দেশে ফিরে এসে লিমনের ঘটনার তদন্তের বিষয়ে অবহিত হয়েছেন। সবকিছু দেখেশুনে তিনি বলেছেন, “অহেতুক লিমনকে নিয়ে মন্তব্য করবেন না। আগে সবাই মনযোগ দিয়ে তাকে সন্ত্রাসী প্রমাণ করুন, পরে মন্তব্য করুন।”

জনগন এখন অনেক সেয়ানা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগন এখন আর কাঠাল পাতা খায় না। সুতরাং তোমরাও আর কাঠালগাছের নিচ দিয়েও যাবে না।”

সাহারা খাতুনকে সতর্ক করে দিয়েছেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়। এখন থেকে কোন বিষয়ে মন্তব্য করার আগে মোবাইলে এসএমএস করে অবগত করার নির্দেশ দেন। সাহারাকে ডিজিটাল হওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

May 3, 2011

আল্লাহর হুকুম ছাড়া RAB এর পা নড়ে না – সাহারা

ক্রাইম রিপোর্টার ।। ৩ মে ২০১১

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন লিমনকে নিয়ে বিপদে আছেন। প্রথম আলো নামক দৈনিক পত্রিকার বাড়াবাড়ি এখন চরমে। ওরা প্রতিদিন লিমনকে নিয়ে নিউজ করে করে পাবলিক সেন্টিমেন্ট ধান ক্ষেতের আইলে নিয়ে যাচ্ছে। সাহারা খাতুন বিব্রত, সাহারা খাতুন চিন্তিত।

ঝালকাঠিতে RAB এর গুলিতে আহত কলেজছাত্র লিমনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত। একই সঙ্গে বিচারক নুশরাত জাহান জেল কর্তৃপক্ষকে লিমনের সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কাল বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় লিমনকে আদালতে হাজির করা হয়।

অনেকেই বলছেন লিমন কলেজছাত্র। সে সন্ত্রাসী নয়। এরকম একটি তরুনকে RAB গুলি করলো। এখন এ পঙ্গু ছেলেকে কারাবরণ করতে হচ্ছে। এটা কেমন বিচার! এ প্রসঙ্গে সাহারা খাতুন বলেন, মানুষ জন এখন ধর্মকর্ম করে না। এরাই একদিন মসজিদ ভেঙ্গে সিনেমাহল বানাবে। আল্লাহর হুকুম ছাড়া RAB এর একটি পাও নড়ে না। লিমনের পঙ্গু হওয়ার সাথে তার জেল খাটার কোন সম্পর্ক নাই। আইন সবসময় নিজস্ব গতিতে চলে। এ গতি বাড়ানো বা কমানো নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

প্রথম আলো বিরোধী দলের টাকা খেয়ে সন্ত্রাসী লিমনকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন সাহারা খাতুন। কিন্তু RAB এর কর্মকর্তা বলেছেন, লিমন ঘটনার স্বীকার। এটা মনে করিয়ে দিতেই সাহারা খাতুন বলেন, “ওই হইলো আরকি! লিমন কিন্তু ছেলে হিসেবে ভালো না। লাল জামা পরে ঘুরতেছিলো কেন? সন্ত্রাসী মোরশেদওতো লাল জামা পরেছিলো ওইদিন।

এতোকিছুর পরও লিমনের জন্য সাহারা খাতুনের মন কান্দে। তিনি সময় করে লিমনকে দেখতে যাবার জন্য চেষ্টা করবেন বলে জানান।

%d bloggers like this: