Posts tagged ‘বিএনপি’

October 28, 2015

জজ মিয়া নাটকের কপিরাইট দাবি করেছে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঢাকায় আওয়ামীলীগের সমাবেশে ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলার পর বিচারের নামে তামাশা করতে গিয়ে লজ্জাজনক এক নাটক সাজায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার। ইতিহাসের পাতায় এটি ‘জজ মিয়া নাটক’ নামে জায়গা করে নিয়েছে। গ্রেনেড হামলার সত্যিকারের অপরাধীকে আড়াল করার জন্য নিরপরাধ সিডি বিক্রেতা জজ মিয়াকে আটক করে হামলার মূল হোতা বানানোর চেষ্টা করে।

বহুল আলোচিত জনপ্রিয় এই নাটকের স্ক্রিপ্ট যেন কেউ নকল করতে না পারে, সে বিষয়ে উদ্যোগী হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আজ বিকেলে পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই নাটক বিএনপির, এই নাটক খালেদার, এই নাটক তারেকের। বাংলার বুকে আর কাউকে এই নাটকের স্ক্রিপ্ট নকল করতে দেয়া হবে না। আমরা পেটেন্টের জন্য আবেদন করবো।”

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন

দুই বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় সরকার জজ মিয়া নাটক সাজানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন রিপন। তিনি বলেন, “এই নির্লজ্জ সরকার নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে ‘জজমিয়া’ নাটকের আদলে ‘বড় ভাই’ নাটক সাজানোর অপচেষ্টা করছে। তাদের লজ্জা থাকা উচিত। তারা এভাবে নাটক সাজাতে পারে না।”

জজ মিয়া নাটকের ব্যবহারিক বিধিনিষেধ এর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রিপন বলেন, “আমরা একটি বড় রাজনৈতিক দলের প্রধানসহ শীর্ষনেতাদের খতম করার অপারেশনে যে নাটক ব্যবহার করেছি, মাত্র দুইজন বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় সেইম নাটক ব্যবহার করে তারা নাটকের মেরিটকে অপমান করতে পারে না। এই অধিকার তাদেরকে কেউ দেয়নি।”

তিনি বলেন, “আমরা আমাদের নেত্রীর সাথে যোগাযোগ করেছি। তিনি বলেছেন উনার সৃজনশীল স্ক্রিপ্টে যদি কেউ হাত দেয়, তাহলে সেই কুলাঙ্গারের নাম পাল্টে দিবেন।”

আপনারা জজমিয়া নাটক সাজাতে পারলে আওয়ামীলীগ কেন বড়ভাই নাটক সাজাতে পারবে না? এই প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, “বিএনপি অধম বলিয়া কি আওয়ামীলীগ উত্তম হইবে না?” তিনি বলেন, “এই জাতি বিএনপির কাছে কিছুই আশা করে না। সবকিছু আওয়ামীলীগের কাছে আশা করে। জাতির পিতা, জয় বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব, সব আওয়ামীলীগের। আমাদের ভাগে পড়েছে শুধু একজন আরজে। একজন আরজে দিয়ে আমরা আর কীইবা করতে পারি?”

তিনি আরো বলেন, “আমরা আওয়ামীলীগকে বলেছি, তোমরা আরজে জিয়াকে নিয়ে যাও, আমাদেরকে একটু জাতির পিতা ও জয় বাংলার ভাগ দাও। তারা বলে, আরজে জিয়া একটা খবিশ, তার উচ্চারণ ভালো না।”

“যারা দুই টাকার আরজে নিতে রাজি হয়নি, তাদেরকে কিভাবে কোটি টাকার জজমিয়া নাটকের স্ক্রিপ্ট দিয়ে দিই?” পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের নাম বললে আপনারা চিনবেন না।

October 25, 2015

দেশে এখন লাল টমেটোর বাজার নাই- বেবী নাজনীন

লাল টমেটোর বাজার এখন মন্দা! - বেবি নাজনীন

লাল টমেটোর বাজার এখন মন্দা! – বেবী নাজনীন

নিউইয়র্ক প্রতিনিধিঃ বিখ্যেত সংগীত শিল্পী বেবী নাজনীন বলেছেন,’ দেশে গান গাইবার পরিবেশ নাই- এইজন্য বিদেশ আসিয়া পলিটিক্যাল এসাইলাম মারিয়া বইসা আছি। খুকা ভাইয়ের কিছু হলে টেকাটুকা আমি পাহারা দিব।’ এইসময় পাশ থেকে জাসাসের একজন বলেন, ‘টেকাটুকা নয়, বলেন ডলার, ডলার।’

চার ভাগে বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করতে স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হইলে সেখানে বেবী নাজনীন এই কথা বলেন। দেশে গান গাইবার পরিবেশ নাই কেন এইকথা জিজ্ঞেস করলে বেবি নাজনীন বলেন, ‘ পরিবেশ থাকবে কেমনে, শিবিরের সব কচিকচি পুলাপানগুলুরে এখন সভা করতে দেয় না-আমি কুথায় গান গাইব? ছাত্রদলের গুলা তো পুলা নয়, পুলার বাপ। বুড়া পরিবেশ কি যৌবন লাল টেমটো গান গাওয়া যায়?’ এই কথা বইলা তিনি চোখটিপি দেন।

এইসময় তার সেখানে উপস্থিত এক ছাত্রদল নেতা নিজের টাকে হাত বুলাইতে বুলাইতে কথার প্রতিবাদ করে বলেন, ‘এই মহিলার কথা বিশ্বাস করবেন না, এই মহিলা মিথ্যাবাদী। ‘বেইবি’ নাম শুইনা আইসা দেখি এইখানে কোনো বেইবি নাই, আছে বেইবির বড় খালাম্মা। চারভাগের বিএনপিরে এই মহিলা দিয়া জুড়া দেয়া যাইবে না। পুরান আঠায় লাগে না লাগে না জোড়া।’

সভার মাঝখানে চাইরভাগে বিভক্ত বিএনপির কর্মীরা হাতাহাতি করে চলে যাওয়ার সময় বেইবি নাজনীন পিছন থেকে ডেকে বলেন, ‘যৌবন একটা লাল টমেটো গানটা শুইনা যাইও।’ এইসময় বিএনপির নেতাদের বলতে শোনা যায় , দেশে এখন লাল টমেটোর বাজার ভালো না। দেশে এখন আন্ডার দাম ভালো।’

এইসময় দূরে দাড়ানো খুকা ভাই, ‘ও সাকা ভাই..ও রাজহাসের ডিম..’ বইলা ফুপাইয়া কানতে থাকেন।

October 10, 2015

সিরিয়া যাওয়ার পথে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে আটক

লন্ডন প্রতিনিধিঃ রাশিয়ার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে সিরিয়া থেকে যখন আইএস সদস্যরা পালাচ্ছে, ঠিক তখন সিরিয়ায় যুদ্ধ করতে যাওয়ার পথে আটক হলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও তার বড় সন্তান তারেক রহমান।

লন্ডন থেকে তুরস্ক হয়ে সিরিয়ায় প্রবেশের পরিকল্পনা ছিলো তাদের। এমনটি জানিয়েছে লন্ডনের পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে আইএস এর দু’টি পতাকা, একটি চাপাতি, চাপাতি ধারানোর শান পাথর, কয়েকটি সিম কার্ড, দু’টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড, দুই লিটার দুধ, একটি হরলিক্স, বাংলাদেশের একটি টিভি চ্যানেলের মালিকের ছবি ও প্রচুর জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়।

আটক হওয়ার পর খালেদা জিয়া ও ছেলে তারেক।

আটক হওয়ার পর খালেদা জিয়া ও ছেলে তারেক।

গ্রেফতারের পর লন্ডন পুলিশের এক কর্মকর্তা তারেক রহমান ও খালেদা জিয়াকে জেরা করেন।

পুলিশঃ তোমরা কারা?

তারেকঃ আমরা তারেক ও খালেদা।

পুলিশঃ তোমরা কী করো?

তারেকঃ তারেক লন্ডনে পড়াশুনা করে আর খালেদা বেকার।

পুলিশঃ তোমরা কেন সিরিয়া যাচ্ছো?

তারেকঃ যুদ্ধ করতে।

পুলিশঃ আইএসএর বিরুদ্ধে নাকি রাশিয়ার বিরুদ্ধে?

তারেকঃ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে।

পুলিশঃ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বাংলাদেশে না গিয়ে সিরিয়া যাচ্ছো কেন?

খালেদাঃ এখন বাংলাদেশে কোন যুদ্ধ হচ্ছে না। সিরিয়ায় যুদ্ধ হচ্ছে, তাই সিরিয়ায় যাচ্ছি। কারণ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ অনিবার্য।

পুলিশঃ আপনিতো বৃদ্ধা রমনী, আপনি কেন যুদ্ধে যাচ্ছেন?

খালেদাঃ আমি যুদ্ধ করবো না।

পুলিশঃ তাহলে কেন যাচ্ছেন?

খালেদাঃ আমার ছেলেকে গরম দুধের সাথে হরলিক্স মিশিয়ে খাওয়াতে।

পুলিশঃ হরলিক্স খাওয়ালে কি মেরুদন্ড সোজা হয়ে যায়?

এই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে খালেদা জিয়া আবেগাপ্লুত হয়ে যান। এসময় তিনি পুলিশের গায়ের উপর কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুলিশ তাকে তুলে দিলে তিনি আবার ভেঙে পড়েন। পরে পুলিশ আর তাকে তোলেননি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়া কান্না করে যাচ্ছেন। পুলিশ আর কোন প্রশ্ন করেনি।

খালেদা ও তার ছেলের আটক হওয়ার ঘটনা বাংলাদেশে জানাজানি হলে রাজনৈতিক অঙ্গণে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “যুদ্ধে যাওয়ার সময়ও ‘উনার’ ছবি নিয়ে যাওয়া লাগে। কত্ত পিরীতি!” অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কোন মন্তব্য করতে অপারগতা জানিয়ে বলেন, “স্টুপিড মহিলা। একটা সিমকার্ডেরও ভ্যাট দেয়নি।”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “রায়ের মূলকপি হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিণাশের চেষ্টা করছে।” এ কথা বলে তিনি কল কেটে দেন। প্রশ্নটা যুদ্ধারপরাধীদের বিচার নিয়ে নয়, এটি বলার জন্য পুনরায় কল করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপনকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।

October 2, 2013

আমি সাকার ব্রাদার, সাকা আমার ফাকার – মির্জা ফখরুল

নিজস্ব সংবাদদাতা :

ব্রাদার ফাকার সাকা চৌধুরী আদালতে ন্যায় বিচার পায়নি। আজ এক “নো কুশ্চেন” সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল বলেন, “আমি সাকার ব্রাদার, সাকা আমার ফাকার। আমি জানি তিনি ন্যায় বিচার পাননি।” আপনি কিভাবে জানেন, প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, “নো কুশ্চেন!”

সাকা এতটুকু ন্যায়বিচার পেয়েছে

সাকা এতটুকু ন্যায়বিচার পেয়েছে

তিনি বলেন, “আদালতের রায় গভীর রাতে ফাঁস হয়ে গেছে। কে বা কাহারা মধ্যরাতে সাকার স্ত্রী ফারহাত কাদের ফাকার সামনে গিয়ে সবকিছু খুলে বলেন। খুলে বলার সময় হঠাৎ করে রায় ফাঁস হয়ে যায়। যেহেতু রায় ফাঁস হয়ে গেছে, সেহেতু আমি একটা বোকাচোদা। যেহেতু রায় ফাঁস হযে গেছে, সেহেতু আমি সাকার ব্রাদার। যেহেতু রায় ফাঁস হয়ে গেছে, সেহেতু সাকা আমার ফাকার। যেহেতু রায় ফাঁস হয়ে গেছে, সেহেতু সাকা ন্যায় বিচার পায়নি।”

রায় ফাঁস হওয়ার কারণে রায় বাতিল করতে হবে, ট্রাইব্যুনাল ভেঙে দিতে হবে, দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে, আমাকে একটা রেডিও কিনে দিতে হবে, সানি লিওনকে বোরকা পরতে হবে, রেল মন্ত্রীকে বিয়ে করতে হবে এবং ব্যারিস্টার মওদুদকে আবার মুসলমানি করাতে হবে বলে দাবি করেন মির্জা ফখরুল।

এ সময় সাংবাদিকরা বিভিন্ন প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, “নো কুশ্চেন।” তিনি বলেন, “যেহেতু সাকার রায়ের ফলে প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে গেছে, সেহেতু আমাকে কোন প্রশ্ন করা যাবে না। প্রশ্ন এক ভয়ানক ব্যাধি। সব প্রশ্নের জবাব হয় না। কিছু জবাব থাক না গুপন।”

বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিপক্ষে নয়। কিন্তু ব্রাদার ফাকারের বিচারের পক্ষেও নয়। আজকের সংবাদ সম্মেলনেও এই কথা উচ্চারিত হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে সবাই উঠে চলে যান। উঠে চলে যাওয়ার সময় মির্জা ফখরুল হালকা কোমর দুলিয়ে যান। এ সময় তিনি ফটো সাংবাদিকদের বলেন, “যাও পাখি বলো তারে, সে যেন ভোলে না মোরে।”

October 1, 2013

সাকা যুদ্ধাপরাধ করেনি, সব ফটোশপ : খালেদা জিয়া

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্রাদারফাকার সাকা

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্রাদারফাকার সাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গণহত্যাসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সালাউদ্দিন কাদের ওরফে সাকা চৌধুরীকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিচারকগণ।

বেগম খালেদা জিয়া ঘুমোচ্ছিলেন। রায় ঘোষনার পর দৈনিক মগবাজার সম্পাদকের ফোনে তার ঘুম ভাঙ্গে। আদালতের রায় জানার পর বেগম জিয়া বলেন, “সাকা যুদ্ধাপরাধ করেনি, সব ফটোশপ। সে আমার উপদেষ্টা, আমি জানি তার সবকিছু ফটোশপে তৈরি।”

দৈনিক মগবাজার সম্পাদককে ধমক দিয়ে তিনি বলেন, “চুপ থাকেন! আমার উপদেষ্টা, আমি জানি। সে যে হাত দিয়ে গণহত্যা করেছে, সে হাত ফটোশপে বানানো। সে যে বন্দুক দিয়ে গুলি করেছে, সে বন্দুক ফটোশপে বানানো। আদালতে যে জিহ্বা দিয়ে ভেংচি কেটেছে, সে জিহ্বাও ফটোশপের। তার এভরিথিং ফটোশপ, এভরিথিং!”

কিন্তু ম্যাডাম, আপনিতো ফটোশপের না, তাহলে ম্যাচ করলেন কিভাবে? এ প্রশ্নের জবাবে বেগম জিয়া বলেন, “আমার ব্যাপারে আপনার কোন ধারনাই নাই। সোনা দানা, দামী গহনা…”

সাকার রায়ের ব্যাপারে নেত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি ব্যারিস্টার মওদুদের সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তারপর এই প্রতিবেদক ফোন করেন ব্যারিস্টার মওদুদকে। প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “রতিক্রিয়া? হোয়াট’স ননসেন্স!! আমি সাকার ব্রাদার না। তার সাথে আমার কোন রতিক্রিয়া নেই।”

শেষ পর্যন্ত সাকার রায়ের প্রেক্ষিতে বিএনপির প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তার সাথেও সাকার কোন রত্রিক্রিয়া নেই। একই দাবি করেন, বিএনপি নেতা এমকে আনোয়ার।

অপরদিকে সকাল থেকে মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল নোমান, আমীর খসরু মাহমুদের কোন খোঁজ নেই। এই তিনজন সাকা চৌধুরীর ব্রাদার কিনা, এ ব্যাপারে কেউ মুখ খুলছে না।

September 28, 2013

অপু বিশ্বাসের মেদ কমার পরও সংলাপে যাচ্ছে না বিএনপি!

নিজস্ব সংলাপদাতা :

বিএনপি কথা দিয়েছিলো অপু বিশ্বাসের মেদ কমলে সরকারের সাথে সংলাপে যাবে। কিন্তু কথা দিয়েও কথা রাখেনি বিএনপি। কেবল একটুখানি সংলাপের জন্য অমানুষিক কষ্ট সহ্য করে অনেকখানি মেদ কমিয়ে অপু বিশ্বাস আজ জিরো ফিগারে এসেছেন। অথচ বিএনপি এখন সংলাপের কথা বেমালুম ভুলে গেছে।

চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছিলেন,

“দেশের অবস্থা খুব খারাপ। একদিকে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে ফাটল ধরেছে, অন্যদিকে অপু বিশ্বাসের মেদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাঁধের ফাটল আর অপু বিশ্বাসের মেদ মেরামত করার আগে এই বাংলার মাটিতে কোন সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে না। জনগণ তা হতে দেবে না।”

মেদ কমানোর পর নায়িকা অপু বিশ্বাস

মেদ কমানোর পর নায়িকা অপু বিশ্বাস

এর প্রেক্ষিতে টানা চার মাসের চেষ্টায় অপু বিশ্বাস তার মেদ কমাতে সক্ষম হন। এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মওদুদের আহমেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,

“অপু বিশ্বাসতো বুক ডন দিয়ে মেদ কমায়নি। দেশের মানুষ আজ ঠিক মত খেতে পারছে না। দু’বেলা দু’মুঠো খেতে না পেরে অপু বিশ্বাস শুকিয়ে গেছে। এর যাবতীয় দায় সরকারকে বহন করতে হবে।”

মওদুদ আরো বলেন,

“আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে মানুষের পকেটে টাকা থাকে না। অভাবের তাড়নায় দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত একটির বেশি জন্মদিন পালন করতে পারেন না। একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর মাত্র একটি জন্মদিন, এটা এটা আমাদের জাতীয় লজ্জা।”

বিএনপির শীর্ষস্থানীয়  এই নেতা বলেন,

“বেগম জিয়া এই দেশের মেহনতি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নের জন্য বার বার জন্ম নিয়েছেন। অপরদিকে বাকশালী হাসিনা জন্ম নিয়েছেন মাত্র একবার। মাত্র একবার জন্ম নিয়ে কেউ মা মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করতে পারে, এটা বাস্তবসম্মত কথা নয়। তাই দেশের মানুষ এবার বিএনপিকে ভোট দিবে।”

September 27, 2013

রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন মির্জা ফখরুল

রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম

রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আমলগীর রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছেন। আজ সন্ধ্যার আগে আগে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দিবেন বলে বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে।

খবর নিয়ে জানা গেছে রাজনীতি ছেড়ে তিনি মুখোশের ব্যবসা করবেন। এ জন্য আজিজ সুপার মার্কেটে একটি দোকান ভাড়া নিয়েছেন।

পরশু হঠাৎ করে আওয়ামীলীগের একটি মুখোশ খুলে যাওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে মির্জা ফখরুলের। কিছুক্ষণ পর আওয়ামীলীগের আরেকটি মুখোশ খুলে যায়। বিকেলের মধ্যে আরো কয়েকশ মুখোশ টপাটপ খুলে পড়ে। সন্ধ্যায় নাশতা সেরে এসে দেখেন সেখানে প্রায় হাজার খানেক মুখোশ জমা হয়ে গেছে।

আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিম বসে বসে এসব মুখোশ খুলেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী জানায়। রাত দশটার দিকে হোটেল থেকে রাতের খাবার নিয়ে আসেন মির্জা ফখরুল। তখনো মোহাম্মদ নাসিম মুখোশ খুলে যাচ্ছেন। মির্জা ফখরুল মোহাম্মদ নাসিমকে বলেন, “নাসিম ভাই, আপনি মুখোশ খুলে যান, আমি আছি।”

মধ্যরাতে মুখোশ খোলা শেষে মোহাম্মদ নাসিম চলে গেলে সবগুলো মুখোশ বস্তা ভরে ভ্যানে করে বাড়িতে নিয়ে যান মির্জা ফখরুল। স্ত্রী কন্যাসহ সবাই মিলে গুনে দেখেন হাজার হাজার মুখোশ। তখনই তার স্ত্রী রাজনীতি ছেড়ে মুখোশের দোকান দেয়ার পরামর্শ দিলে মির্জা ফখরুল এক বাক্যে রাজি হয়ে যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, “আওয়ামীলীগের মুখোশ খুলে গেছে। মোহাম্মদ নাসিম তার দলের মুখোশ খুলে দিয়েছেন। হাজার হাজার মুখোশ। সুন্দর সুন্দর মুখোশ। সবগুলো মুখোশ এখন আমার কাছে। রাজনীতি ছেড়ে মুখোশের দোকান দিবো। আপনি আইসেন। একটা মুখোশ কিইনেন। দাম কমায়া রাখবো।”

 

September 26, 2013

আমি কোলহারা কলংকীনি – মওদুদ

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কসাই কাদের মোল্লার আপীলের রিভিউ শেষ করে তারপর মৃত্যুদন্ড দেয়ার আহবান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ । তিনি বলেন, “এতে করে কাদের মোল্লাকে বাঁচানোর একটা সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। রিভিউ শেষ করা এবং রায় কার্যকর করার আগেই এই সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তারপর আর এসব বিচার টিচার থাকবে না। তখন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”

মওদুদ আরো বলেন, “পঁচাত্তরের পর কিছুদিন দেশে শান্তি ছিলো। এরশাদের আমলেও বেশ ভালো শান্তি ছিলো। কিন্তু যেদিন এরশাদ আমাকে কনডম আনতে ফার্মেসিতে পাঠিয়েছে, সেদিন থেকে দেশে আর শান্তি নাই। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য, একটু মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমি বিএনপিতে যোগ দিই। বিএনপির সাথে রাজাকার আছে। আমি রাজাকারে যোগ দেই। তারপর ২০০১ সালের নির্বাচনের পর দেশে শান্তি আসে, মানবাধিকার আসে।”

তারপর আবার দেশের আকাশে কালোমেঘ দেখা যায়। বাকশালীরা ক্ষমতায় এসে অশান্তি শুরু করে। কসাই থেকে শুরু করে আলেম, আলেম থেকে শুরু করে অধ্যাপক, অধ্যাপক থেকে শুরু করে সোনা ব্যবসায়ী, কেউ বাদ যায়নি। যারে তারে ধরে বিচার করতে থাকে।

দুঃখের সাথে ব্যরিস্টার মওদুদ বলেন, “বিএনপিতে যোগ দেয়ার পর আমি ছিলাম রাজাকারের কোল বালিশ। আমি তাদের আনন্দ দিতাম, তারা আমাকে আনন্দ দিতো। কিন্তু আজ আমার সব কোল বাকশালের জেলে। কোল হারিয়ে এখন আমি কোলহারা কলংকীনি!”

নিজেকে একজন নিরেপক্ষ আইনজীবী হিসেবে দাবি করেন মওদুদ। তিনি বলেন, “কিছুদিন আগে যুবদলের ছেলেরা আমায় জুতো মেরে তুলো বের করে দিয়েছে। সেই তুলো ওরা আকাশে উড়িয়ে দেয়। আমি কিচ্ছু বলিনি।” এ সময় তিনি কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে এই প্রতিবেদকের দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন।

অবস্থা বেগতিক দেখে এই প্রতিবেদক যখন মওদুদের চোখের জল মুছে দিতে যায়, তখন তিনি পেছনে সরে গেয়ে উঠেন, “আমারে কেও ছোঁয়োনাগো স্বজনী…।”

September 25, 2013

জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা নয় – মির্জা ফখরুল

রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র

রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের পুত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেছেন, “আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের দল নয়, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা নয়।” গতকাল এক আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “সত্যি কথা হচ্ছে, আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের দল নয়। অন্য কোন দল মুক্তিযুদ্ধের দল ছিলো, আমি নাম ভুলে গেছি। জিয়াউর রহমানও মুক্তিযোদ্ধা নন। অন্য কেউ একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তার নামও মনে নেই।”

এ বিষয়ে আমরা যোগাযোগ করি মির্জা ফখরুলের সাথে। উত্তরাঞ্চলের তালিকাভুক্ত রাজাকার মির্জা রুহুল আমিনের প্রসংগ আসতেই তিনি বলেন, “মির্জা রুহুল আমিন নামের ওই রাজাকারটি কোনভাবেই আমার বাবা নয়। এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আমি জানি না, কে বা কাহারা কী সব করে গেছে। জানি না কীভাবে সব হয়ে গেছে!”

এক পর্যায়ে এই প্রতিবেদকের মাথা টেনে কাছে নিয়ে কানে কানে বলেন, “শোনো, সানি লিওন কিন্তু পর্নস্টার না, পাপিয়া কিন্তু মহিলা না, আমি কিন্তু ফখরুল না, মওদুদ কিন্তু ব্যারিস্টার না, গোলাম আজম রাজাকার না, অ্যাঁ কিন্তু ভ্যাঁ না, ভ্যাঁ কিন্তু অ্যাঁ না…!” তারপর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন।

ঘুমিয়ে পড়ার কারণে বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের সাথে আর কথা বলা সম্ভব হয়নি।

May 29, 2013

অপু বিশ্বাসের মেদ না কমলে সংলাপ হবে না – মওদুদ

অপু বিশ্বাসের মেদ বেড়ে চারিদিকে গড়িয়ে পড়ছে বলে দাবি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ।

অপু বিশ্বাসের মেদ বেড়ে চারিদিকে গড়িয়ে পড়ছে বলে দাবি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ।

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন সরকার বালক সুলভ আচরণ করছে। তিনি বলেন, “সরকার মুখে বলছে সংলাপের কথা, অথচ তাদের কাজ কর্ম বলছে উল্টোটা। সংলাপের কোন পরিবেশই নাই। এ অবস্থায় আমরা সংলাপে যেতে পারি না।”

‘তারেক রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্যতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, “তারেক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। তারেকের জন্ম না হলে আজ আমরা বাংলাদেশ পেতাম না।”

তিনি আরো বলেন, “তারেককে জন্ম দেয়ার জন্য খালেদা জিয়ার জন্ম হয়েছিলো। খালেদা জিয়াকে বিয়ে করার জন্য জিয়াউর রহমানের জন্ম হয়েছিলো। জিয়া-খালেদার তালাক ঠেকানোর জন্য বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছে। আর এই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন।” সুতরাং এটা দিবালোকের মত সত্য যে, তারেক রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না – যোগ করেন তিনি।

অথচ এই স্বাধীন বাংলাদেশে কোন সংলাপ হচ্ছে না। কারণ সংলাপের পরিবেশ নাই। এর জন্য সরকারকে দায়ী করেন বর্ষীয়ান এই আইনজীবী। তিনি বলেন, “সংলাপ হতে হলে আমাদের সব নেতাকে মুক্তি দিতে হবে, নোয়াখালীর কম্পানিগঞ্জের চর এলাহীর গাংচিল উড়িয়ার চরের নদীতে জেলেদের নৌকা ডাকাতি বন্ধ করতে হবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” এসব না হলেতো সংলাপ হতে পারে না, তাই না? – প্রশ্ন রাখেন তিনি।

মওদুদ বলেন, “দেশের অবস্থা খুব খারাপ। একদিকে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে ফাটল ধরেছে, অন্যদিকে অপু বিশ্বাসের মেদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাঁধের ফাটল আর অপু বিশ্বাসের মেদ মেরামত করার আগে এই বাংলার মাটিতে কোন সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে না। জনগণ তা হতে দেবে না।”

এরপর তিনি সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সরকারকে বাধ্য করতে কিছুক্ষণ চাপ প্রয়োগ করেন।

%d bloggers like this: