Posts tagged ‘খালেদা জিয়া’

October 27, 2015

দেশে চোখের চিকিৎসার মান খুব খারাপ – খালেদা জিয়া

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া

লন্ডন প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশে চোখের চিকিৎসার মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। লন্ডনের দ্যা এ্যাট্রিয়াম অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বেগম জিয়া বলেন, “দেশে চোখের চিকিৎসার মান অত্যন্ত খ্রাপ।”

তিনি বলেন, “দেশে চোখের চিকিৎসার মান ভালো না, তাই আওয়ামীলীগকে ক্ষমতা থেকে নামানো যাচ্ছে না। তাই গণতন্ত্র আজ খাঁচাবন্দী।” এসময় হাতের ইশারায় একটি খাঁচার আকৃতি তুলে ধরেন তিনি।

বেগম জিয়া বলেন, “আমি বাংলাদেশের ৩ বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। আপোষহীন দেশনেত্রী, অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলের চেয়ারপার্সন, প্রয়াত জনপ্রিয় আরজে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী, ডেমোক্রেসি ফর মার্চ-এপ্রিল-মে-জুন-জুলাই এর অধিনায়ক, এনটিভির একজন নিয়মিত দর্শক। অথচ আমার চোখে ছানি পড়েছে। আমি কিছুই দেখতে পাই না।”

চোখে ছানি পড়ার কারণে সরকার পতন আন্দোলন সফল হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমার চোখে ছানি পড়েছে, এই ফাঁকে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিলো। আমি দেখতে পাইনি, তাই আন্দোলন করতে পারিনি। সুন্দরবনে কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্র করে যাচ্ছে সরকার। আমি দেখতে পাইনি, তাই আন্দোলন করতে পারিনি। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে। আমি দেখতে পাইনি, তাই আন্দোলন করতে পারিনি। মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পিটিয়েছে। আমি দেখতে পাইনি, তাই আন্দোলন করতে পারিনি। একের পর এক ব্লগার হত্যা হয়েছে। আমি তাদের রক্তাক্ত বীভৎস চেহারা দেখতে পাইনি, তাই আন্দোলন করতে পারিনি। ষোল কোটি মানুষকে অভুখ রেখে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির বেতন দ্বিগুন করেছে। আমি দেখতে পাইনি, তাই আন্দোলন করতে পারিনি। সাকা চৌধুরীর পক্ষে সামান্য ক’জন পাকিস্তানিদের স্বাক্ষি হিসেবে আসতে দেয়নি। আমি দেখতে পাইনি, তাই আন্দোলন করিতে পারিনি।”

বেগম জিয়া বলেন, “আমি যদি দেখতে পাইতাম, তাহলে একটি জামায়াত, দুইটি আন্দালিব পার্থ, তিনটি মাহি বি চৌধুরী, চারটি গোলাম মাওলা রণি, পাঁচটি কাদের সিদ্দিকী, ছয়টি অলি, সাতটি বাবু নগরী, আটটি শফি হুজুরকে সাথে নিয়ে নয় দশটি আন্দোলন করিতাম এবং এই সরকারের ক্ষমতা ছিঁড়িতাম। ক্ষমতা ছিঁড়িয়া অবসর সময়ে বসে বসে আঁটি বাঁধিতাম। আঁটি বাঁধিয়া কাওরান বাজার যাইতাম। কাওরান বাজার গিয়ে সেই আঁটিগুলি বেচিতাম। বেচিয়া লাভের টাকা থেকে ১০ পারসেন্ট আমার ছেলের জন্য লন্ডনে পাঠাইতাম। এই টাকা দিয়া সে হাত খরচ চালাইতো।”

“অথচ, সরকার ষড়যন্ত্র করে দেশে চোখের চিকিৎসার মান খারাপ করে রেখেছে। তাই আমার চোখে ছানি পড়েছে। আমি কিছুই করতে পারিনি। এনটিভির অনুষ্ঠান দেখতে পারিনি।” – বলেন তিনি।

তুলে নাও চোখের ছানি, ফিরিয়ে দাও সিংহাসন খানি - বেগম জিয়া

তুলে নাও চোখের ছানি, ফিরিয়ে দাও সিংহাসন খানি – বেগম জিয়া

এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বিক্ষুব্দ এই দেশনেত্রী। একজন জনপ্রিয় আরজে’র স্ত্রী হয়েও আপনি কেন শোনার চাইতে দেখার উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন? এমন এক প্রশ্নের জবাবে বেগম জিয়া বলেন, “দেখুন, আমি জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল এনটিভির একজন নিয়মিত দর্শক। আর কিছু বলতে হবে?”

দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, “ম্যাডাম, আপনিতো দূর্গা পূজার সময় মূর্তি ভাঙতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের ধরা খাওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে গেলেন, এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?” জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, “ওই যে, গণধোলাই সবাই খায়, নাম হয় শুধু বিএনপির!”

প্রিয় ডট কম এর লন্ডন প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে বেগম জিয়া অভিযোগের সূরে বলেন, “আপনারা সানিকে নিয়ে প্রতিদিন নিউজ করতে পারেন, কই ছানি নিয়েতো কোন নিউজ করলেন না!” তিনি বলেন, “শোনার চাইতে দেখা ভালো, সানির চাইতে ছানি ভালো।”

কিন্তু আপনার চোখে ছানি পড়ার সাথে গণতন্ত্রের সম্পর্ক কী? বিডিনিউজ২৪.কম এর সাংবাদিকের করা এই প্রশ্নের জবাবে বেগম জিয়া তার স্মার্টফোনের ক্যালকুলেটর এপসটি ওপেন করেন। ওপেন করে বলেন, “দেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি। বিএনপির মোট জনসমর্থন ৩৩ পার্সেন্ট। ১৬ কোটির ৩৩ পার্সেন্টে কত হয়?” এ সময় সাংবাদিকরা নিরব থাকলে বেগম জিয়া হাসতে হাসতে বলেন, “একটাও অংক জানে না। ১৬ কোটির ৩৩ পার্সেন্টে হয় ৭৬৩ জন। এই ৭৬৩ জন হচ্ছে গণতন্ত্রের ৩৩ মার্ক। পাস মার্ক। পাস মার্কের চোখে ছানি পড়েছে। গণতন্ত্র ফেল। হিসাব বুঝা গেছে?”

সাংবাদিকরা সবাই সমস্বরে বলেন, “জ্বি ম্যাডাম, বুঝা গেছে।”

October 10, 2015

সিরিয়া যাওয়ার পথে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে আটক

লন্ডন প্রতিনিধিঃ রাশিয়ার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে সিরিয়া থেকে যখন আইএস সদস্যরা পালাচ্ছে, ঠিক তখন সিরিয়ায় যুদ্ধ করতে যাওয়ার পথে আটক হলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও তার বড় সন্তান তারেক রহমান।

লন্ডন থেকে তুরস্ক হয়ে সিরিয়ায় প্রবেশের পরিকল্পনা ছিলো তাদের। এমনটি জানিয়েছে লন্ডনের পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে আইএস এর দু’টি পতাকা, একটি চাপাতি, চাপাতি ধারানোর শান পাথর, কয়েকটি সিম কার্ড, দু’টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড, দুই লিটার দুধ, একটি হরলিক্স, বাংলাদেশের একটি টিভি চ্যানেলের মালিকের ছবি ও প্রচুর জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়।

আটক হওয়ার পর খালেদা জিয়া ও ছেলে তারেক।

আটক হওয়ার পর খালেদা জিয়া ও ছেলে তারেক।

গ্রেফতারের পর লন্ডন পুলিশের এক কর্মকর্তা তারেক রহমান ও খালেদা জিয়াকে জেরা করেন।

পুলিশঃ তোমরা কারা?

তারেকঃ আমরা তারেক ও খালেদা।

পুলিশঃ তোমরা কী করো?

তারেকঃ তারেক লন্ডনে পড়াশুনা করে আর খালেদা বেকার।

পুলিশঃ তোমরা কেন সিরিয়া যাচ্ছো?

তারেকঃ যুদ্ধ করতে।

পুলিশঃ আইএসএর বিরুদ্ধে নাকি রাশিয়ার বিরুদ্ধে?

তারেকঃ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে।

পুলিশঃ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বাংলাদেশে না গিয়ে সিরিয়া যাচ্ছো কেন?

খালেদাঃ এখন বাংলাদেশে কোন যুদ্ধ হচ্ছে না। সিরিয়ায় যুদ্ধ হচ্ছে, তাই সিরিয়ায় যাচ্ছি। কারণ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ অনিবার্য।

পুলিশঃ আপনিতো বৃদ্ধা রমনী, আপনি কেন যুদ্ধে যাচ্ছেন?

খালেদাঃ আমি যুদ্ধ করবো না।

পুলিশঃ তাহলে কেন যাচ্ছেন?

খালেদাঃ আমার ছেলেকে গরম দুধের সাথে হরলিক্স মিশিয়ে খাওয়াতে।

পুলিশঃ হরলিক্স খাওয়ালে কি মেরুদন্ড সোজা হয়ে যায়?

এই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে খালেদা জিয়া আবেগাপ্লুত হয়ে যান। এসময় তিনি পুলিশের গায়ের উপর কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুলিশ তাকে তুলে দিলে তিনি আবার ভেঙে পড়েন। পরে পুলিশ আর তাকে তোলেননি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়া কান্না করে যাচ্ছেন। পুলিশ আর কোন প্রশ্ন করেনি।

খালেদা ও তার ছেলের আটক হওয়ার ঘটনা বাংলাদেশে জানাজানি হলে রাজনৈতিক অঙ্গণে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “যুদ্ধে যাওয়ার সময়ও ‘উনার’ ছবি নিয়ে যাওয়া লাগে। কত্ত পিরীতি!” অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কোন মন্তব্য করতে অপারগতা জানিয়ে বলেন, “স্টুপিড মহিলা। একটা সিমকার্ডেরও ভ্যাট দেয়নি।”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “রায়ের মূলকপি হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিণাশের চেষ্টা করছে।” এ কথা বলে তিনি কল কেটে দেন। প্রশ্নটা যুদ্ধারপরাধীদের বিচার নিয়ে নয়, এটি বলার জন্য পুনরায় কল করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপনকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।

October 15, 2012

ক্ষমতায় এলে ইসলামী ব্যাংকের টাকায় এতিম পুনঃর্বাসন করা হবে – বেগম জিয়া

[লেখাটি একজন পাঠকের পাঠানো। আমরা স্বাভাবিকভাবে পাঠকদের পাঠানো লেখা প্রকাশ করি না। কিন্তু এই পাঠকের গভীর আগ্রহের কাছে নতি স্বীকার করতে হলো। লেখাটির কিছু অংশ বাদ দেয়া হয়েছে এবং অনেক যায়গায় সম্পাদনা করা হয়েছে। – সম্পাদক।]

বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামীর বিএনপি শাখার মহিলা আমীর বেগম খালেদা জিয়া সরকারকে সাবধান করে বলেছেন,”দেশের মুল আদর্শ হলো ফাকিস্তানি জাতীয়তাবাদ। সেই জাতীয়তাবাদী জামায়াতে ইসলামীর আদর্শে গঠিত সরকারের অধীনে নির্বাচন না হলে কঠোর আন্দোলন শুরু হবে।“ ঈদের পর ফাকিস্তানের গ্রীন সিগন্যাল পেয়ে বিএনপি নির্ভয়ে এগিয়ে যাবে, বলেন খালেদা জিয়া।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বলেন। এ সময় তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের এগিয়ে যেতে বাধা দিলে দেশের সবার সার্টিফিকেট কেড়ে নেওয়া হবে। কেবলমাত্র এইট পাশ সার্টিফিকেটওয়ালাদেরটা বহাল তবিয়তে থাকবে।“ এসময় কিছুটা স্মৃতি বিজড়িত হয়ে হয়ে পড়েন। তারপর তিনি ক্ষেপে উঠেন। ক্ষেপে উঠে বলেন, “এই যে সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল নাহিদ এত শিক্ষা শিক্ষা করে কেন যে মাতামাতি করছে, এর কোন অর্থ হয় না। বুঝতে পারি না কেন সবাইকে পড়ালেখার বিষয়ে এত মনোযোগ দিতে বলছে!”

বেগম জিয়া বলেন, “সবাই আমার মতো হলেই চলে। আমি কি প্রধানমন্ত্রী হই নাই?” আট কেলাসের বেশি এক কেলাসও পড়ার দরকার নেই বলে মনে করেন বেগম জিয়া। “এইট পর্যন্ত পড়লে দেশের অনেক টাকা বেঁচে যাবে। তাতে অনেক খাম্বা প্রকল্প করতে পারব। ব্রিফকেসগুলো আবার ভরে উঠবে। দূরে চলে যাওয়া ফালুরা আবার কাছে আসবে।“

তিনি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্যেশ্য বলেন, “বিশ্বব্যাংক কেন আবার ফিরে আসছে? সরকার ক্ষমতায় এসে গ্রামীণ ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিশ্বব্যাংকে দলীয় নিয়োগ দিয়েছে। তা নাহলে বিশ্ব ব্যাংক কেন আবার পদ্মা সেতুতে টাকা দিতে চাইবে?” পদ্মার উপর সেতু নির্মাণকে বাড়াবাড়ি বলে মনে করেন বিরোধীদলীয় নেত্রী। তার মতে নদীতে এমনিতেই চর জাগছে সেতু করার কী দরকার! এর চেয়ে বেশি বেশি খাম্বা প্রকল্প হাতে নেয়া প্রয়োজন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে খাম্বা প্রকল্পের মাধ্যমে তারেক ও কোকোর মতো এতিমদের পুন:র্বাসনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

আগামীবার ক্ষমতায় এসে এসলামী ব্যাংকের টাকায় এসব প্রকল্প হাতে নেয়ার কথাও বলেন বেগম জিয়া। এসময় তিনি বলেন, “এসলামী ব্যাংক সুদমুক্ত। এনশাল্লাহ সুদমুক্ত ঋণে আমরা এতিম পুনঃর্বাসন করবো।“

June 17, 2012

মীর কাশেম গ্রেফতার, কান্নায় ভেসে যাচ্ছে সৌদি আরব!

শুয়োরের বাচ্চার চোখের ভেতরেও ছাগল নাচে!

নিজস্ব প্রতিনিধি

জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্যা ও দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলীকে গ্রেফতারের সাথে সাথে সৌদি আরবে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। বৃষ্টির রং গোলাপি। খবর নিয়ে জানা গেছে মীর কাশেম ছিলেন দুধেল গাই। তিনি নিয়মিত দুধ দিতেন। সে দুধ খেয়ে জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন বিএনপি, শিবিরের নেতাকর্মীরা শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতো। এখন চারিদিকে মহররমের মাতম লেগেছে। যেদিকেই কান পাতি খালি হায় কাশেম! হায় কাশেম! মাতম শোনা যায়।

কাশেমের গ্রেফতারের বিষয়টা আগেভাগে আঁচ করতে পেরে সৌদি আরব চলে গেছেন জামায়াতের মহিলা নেত্রী বেগম খালেদা আজম। বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে প্রথমে কাশেম গ্রেফতার হতে পারে, এমন পূর্বাভাস পেয়েছিলেন। পরে বুকের বাম পাশে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করেন। এরপর কোনমতে সৌদি আরব চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি কেঁদে দেন। বেগম খালেদা আজম শাড়ি ও লিপস্টিকের সাথে ম্যাচ করে কান্না করেন। তাঁর অশ্রুর রং গোলাপি। ঘটনার পর সেখানে এক হৃদয় বিদায়ক দৃশ্যের অবতারনা হয়। উপস্থিত সৌদি রাজ পরিবারের সদস্যরাও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ওরা সবাই খালেদার সামনে জল ছেড়ে দেন।

এদিকে হাজার হাজার গেলমান পশ্চাৎদেশে টু-লেট লাগিয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের চোখে জল টলমল করছে এবং কিছুক্ষণ পরপর মূর্ছা যাচ্ছে। শহরের লাখ লাখ মানুষের ভিঁড়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে একজন মীর কাশেমকে।

অপরদিকে মীর কাশেমকে গ্রেফতারের পর ডিমের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সুখবর হচ্ছে দেশের হাস মুরগীগুলো ডিম উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকি তাদের বিদেশী বন্ধুদের এ এদেশে আসতে আমন্ত্রন জানিয়েছে। সবাই মিলেমিশে বেশি বেশি ডিম পেড়ে আসন্ন সংকট মোকাবেলা করবে। হাঁস মুরগিগুলো জানিয়েছে, “দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ।”

কিছুক্ষণ আগে খবর পাওয়া গেছে দৈনিক প্রথম আলো অফিসের উটপাখিগুলোও আজ রাত থেকে ডিম উৎপাদন শুরু করে দেবে। উৎপাদিত ডিম যেন প্রথম আলো সম্পাদক বাসায় নিয়ে যেতে  না পারে, সেজন্য ড. আসিফ নজরুল ও ফারুক ওয়াসিফ নামের দুই ভাইকে পাহারা দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দু:খ সইতে না পেরে আসিফ ও ওয়াসিফ যেন ডিমের ব্যবহার শুরু করে না দেয়, এ জন্য দৈনিক আমারদেশ অফিস থেকে বদরুদ্দিন ওমর নামক এক ব্যক্তিকে হায়ার করা হয়েছে। ওরা সবাই মিলেমিশে ডিমের দেখভাল করবে।

মীর কাশেমের গ্রেফতারের খবরে মীর বংশের জামাতা মীরজা ফখরুল ইসলাম বলেন, “আমি জামাই বলে ওরা আমাকে ডিম দেয়নি। মীর বংশের ছেলে বলে কাশেমকে ওরা ডিম দেবে। এ সরকার বাকশালী জালেম সরকার।”

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মীর কাশেমকে গোলাপ জলের পানিতে গোসল টোসল করিয়ে, আতর মেখে ডিম থেরাপীর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

April 9, 2012

পহেলা বৈশাখে সেমাই ফিরনি খাবেন খালেদা জিয়া

হুর সর্দারনী বেগম খালেদা আজম

নিজস্ব প্রতিনিধি

আসন্ন পবিত্র পহেলা বৈশাখ সকালে বৈশাখী নামাজ শেষে সেমাই ফিরনি খাবেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা আজম। ‘জাতীয়তাবাদী মুসলিম সংস্কৃতি এবং মালাউন প্রেক্ষিত’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন “আমি মালাউন নই, পান্তা ভাত খাবো না। বেলা ১২টায় ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়ে দিন শুরু করি। আমি মুসলমান, তাই সেমাই ফিরনি খাবো।”

বেগম জিয়া বলেন, “যারা মালাউন, তারা স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় সংগীত পাঠ করে। আমি মুসলমান তাই শোকরানা নামাজ আদায় করি।” জাতীয় দিবস সমূহে আইন করে শোকরানা নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক করা হবে। এ প্রসংগে বলেন, “নিজে পড়তে না পারলে উপদেষ্টা দিয়ে পড়াতে হবে।”

বলতে বলতে বেগম জিয়া আরো বলেন, “অনেকেই আমার বেশভুষা নিয়ে কথা বলেন। এটা বেদায়াত। বেশভুষা নিয়ে কথা বলা যাবে না। আমি সুন্দরী নারী। সুন্দরী নারীরা হুরের মতো। তাই হুরের বেশে থাকি। এটা আমার গণতান্ত্রিক অধিকার।”

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি। বেগম জিয়া মনে করেন, যেহেতু দাঁড়িওয়ালা লোকের গানকে জাতীয় সংগীত বানাতে হবে, সেহেতু আমাদের দেশীয় দাঁড়িওলারাই উত্তম। মহাকবি দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী, জাতীয় কবি আল মাহমুদ, নাগরিক কবি মতিউর রহমান মল্লিকেরও দাঁড়ি আছে। তারাও কবিতা টবিতা লেখেন। একটা বেছে দিয়ে দেয়া যাবে।

কবি নজরুলের দাঁড়ি নেই বলে তাকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেগম খালেদা আজম। বেগম জিয়া বলেন, “ফালুর দাঁড়ি নাই, শফিকেরও দাঁড়ি নাই। আমিতো তাদের ফেলতে পারি না, তাই না?”

February 15, 2012

পদ্মা সেতু নিয়ে মুখ খুললেন হিমু

মগবাজার ডেস্ক

অবশেষে পদ্মা সেতু নিয়ে মুখ না খুলে থাকতে পারলেন না হিমু। এর আগে সৈয়দ আবুলের সময়ে একবার মুখ খুলতে গেলে জোবেদা খালা তার মুখ চেপে ধরেন। আজ পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আচমকা সে মুখ খুলে ফেলেন হিমু।

রাজধানীর একটি হোটেলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় মির্জা ফখরুল বলেন, “শেয়ার বাজার থেকে লুট হওয়া টাকা সরকার দুবাই পাঠিয়ে দিয়েছে। এখন মালয়শিয়াকে দিয়ে সে টাকা দুবাই থেকে এনে পদ্মা সেতুতে কাজে লাগানো হবে।” হিমু তখন চায়ে ভাপা পিঠা চুবিয়ে খেতে খেতে টিভি দেখছিলেন। মির্জা ফখরুলের কথা শুনেই ফোন করেন দৈনিক মগবাজারে।

হিমু বলেন, “মির্জা ফখরুল একটা বাটপার। বাটপার মানুষরা থেমে থেমে কথা বলে। জিয়াউর রহমান থেমে কথা বলতো। তারেক রহমান, খালেদা আজমও থেমে কথা বলে। মির্জা ফখরুলও জিয়া পরিবারের সদস্য। আয়াম ড্যাম শিওর, মির্জা তার পেগ লিমিট ক্রস করেছে। লিমিট ক্রস করলে বাটপাররা কথা উল্টো করে বলে। আসলে কোকোর পাচার করা টাকা মালয়শিয়া বিনিয়োগ করে ফেলছে কিনা, তা নিয়ে কোন ক্যারফা লেগেছে।” ক্যারফা মানে গিট্টু, যোগ করেন তিনি।

হিমু প্রায় চেঁচিয়ে আরো কয়েকটি দেশের নাম লিখে রাখতে বলেন। তিনি বলেন “সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, মালয়শিয়া, যুক্তরায্য যদি পদ্মা সেতুতে বিনিয়োগ করে তাহলে বিএনপি তার বিরোধিতা করবে। মির্জা, চৌধুরী, খান এরা সবাই বাংলা সিনেমার ভিলেন। এদেরকে বিশ্বাস করবেন না। এরা খালি খায় আর হাগে। হাগতে বসে টাকার গন্ধ শোঁকে।”

পদ্মা সেতু নিয়ে কথা শেষ হলে হিমু নিজের কথা বলতে শুরু করেন। এ সময় নিজেকে রাজনীতির বাইরে নয় উল্লেখ করে হিমু বলেন, “আমি সুপার হিরো হতে চাই না। সুপার হিরো হতে হলে ক্যান্সার হতে হয়। ক্যান্সার খুব অপছন্দের জিনিস। ক্যান্সার হলে মানুষ প্রচুর ফাউল টক করে।” পদ্মা সেতু নিয়ে আলটিমেটামও দিয়েছেন হিমু। তিনি জানিয়েছেন, “যতদিন পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হবে না, ততদিন পর্যন্ত হলুদ জাঙ্গিয়া পরে ঘুরবো। তবে জাঙ্গিয়া প্যান্টের ভেতরে পরবো, উপরে নয়। সুপারম্যান হওয়ার কোন ইচ্ছে আমার নেই।”

January 3, 2012

আত্মহত্যার হুমকী দিলেন খালেদা জিয়া

ইঁদুর মারার বিষ

পল্টন প্রতিনিধি

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতেই হবে, নইলে দেশের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে – এমন দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পত্র লেখক শফিক রেহমান। তিনি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার হচ্ছে বাংলাদেশের প্রাণ ভোমরা। সাগরের তলে লুকিয়ে থাকা দৈত্যের মতো, অথবা আলাদীনের চেরাগের মতো। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনলেই বিএনপি সংসদে যাবে, খোকা স্কুলে যাবে, দাদু টয়লেটে যাবে, আমিনী মাদ্রাসায় যাবে।”

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে না আনলে বেগম খালেদা জিয়া নিজের প্রাণ বিসর্জন দিতে পারেন বলে জানান আতংকিত শফিক রেহমান। তিনি বলেন, “বেগম জিয়া প্রথমে ইঁদুর মারার অষুধ খাবেন, পরে তিনি সুইডাইড খাবেন এবং শেষে আত্মহত্যা করবেন। পর্যাক্রমে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন। এ বিষয়ে তিনি আপোষহীন।” এ সময় শফিক রেহমান আতংকিত হয়ে উঠেন। আতংকিত হতে হতে তিনি চেয়ারে বসে পড়েন এবং এ প্রতিবেদকের দিকে তাকিয়ে থাকেন।

এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনলে হজ্জ্বে যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছিলেন চিত্র নায়িকা ময়ূরী। সরকার যদি এ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনে, তাহলে আরো বেশি বেশি ঘোষনা আসার নিশ্চয়তা দেন শফিক রেহমান। বিএনপির নেতা-নেত্রীরা বিভিন্ন প্যাকেজে এসব ঘোষনা দেবেন বলে জানান তিনি।

সরকার পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, বহন এবং সংরক্ষণ নিরোধক আইন প্রণয়ন করায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন শফিক রেহমান। তিনি বলেন, “পর্নো কেবল দেখার বিষয় নয়, পড়ার বিষয়ও। এখন থেকে মানুষ ‘মৌচাকে ঢিল’ ম্যাগাজিন পড়বে আর চুপি চুপি টয়লেটে যাবে। কাউকে জেলে যেতে হবে না।” পর্নোগ্রাফি আইনে কেউ ১০ বছরের কারাদন্ড পেলে, তার জন্য মৌচাকে ঢিল সরবরাহ করার অনুরোধ করেন তিনি।

 

December 26, 2011

উত্তর কোরিয়ার পরিবারতন্ত্রের নিন্দা জানালেন খালেদা জিয়া

উত্তর কোরিয়ার পরিবারতন্ত্র নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করছেন বেগম জিয়া

পিয়ং ইয়ং প্রতিনিধি

উত্তর কোরীয়ার নেতা কিম জং ইলের মৃত্যুর পর দেশের হাল ধরেছেন তার পুত্র কিম জং উন। বিশ্ব কাঁপিয়ে দেয়া কমিউনিস্ট নেতা কিম জং ইল হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যাবার পর কিম জং এর আস্থাভাজনরা তার ছেলেকেই যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচনা করেছেন।

দ্বায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ফুফা জাং সং থায়েককে সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন কিম জং উন। ফলে পুরো শাসন ব্যবস্থায় সমাজতন্ত্রের পরিবর্তে পরিবারতন্ত্র কায়েম হয়ে গেলো। এরপরই প্রতিবাদের ঝড় উঠে বাংলাদেশে। প্রধান বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ ধরনের কর্মকান্ডের নিন্দা জানিয়েছেন। এক নিন্দাবার্তায় তিনি বলেন, “পরিবারতন্ত্রের এ ধরনের নোংরা চর্চা সমাজতন্ত্রকে হুমকীর মুখে ছেড়ে দেবে। আমরা এর নিন্দা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, “কিম জং উন তার ফুফাকে সেনাপ্রধান বানিয়ে ভুল করেছে। ফুফা’র কারণে বৈশ্বিক শান্তিতে কুফা লেগে যেতে পারে।” বেগম জিয়া তার দল ক্ষমতায় গেলে আইন করে উত্তর কোরিয়ায় পরিবারতন্ত্র চর্চা নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন।

সদ্য বিএনপিতে যোগ দেয়া চিত্র নায়িকা ময়ূরীকে বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিঠি নিয়ে উত্তর কোরিয়ায় পাঠানো হচ্ছে। চিঠিতে কিম জং উনের প্রতি পরিবারতন্ত্র চর্চা না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আগামীকাল বা পরশু এ চিঠি নিয়ে উত্তর কোরিয়া যাবেন ময়ুরী। সেখান থেকেই সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আওয়ামী বাকশালী সরকারের মরনঘন্টা বেজে উঠেছে।”

December 1, 2011

দেহ পোড়ামাটির কলস নয় : খালেদা

অর্থনৈতিক প্রতিনিধি

অর্থনীতিকে এভাবে যত্ন নিতে হয়

বিরোধীদলীয় নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া অর্থনীতিকে পোড়ামাটির সাথে তুলনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “যারা অর্থনীতিতে পড়াশুনা করেছেন তারা বুঝবেন, অর্থনীতি হচ্ছে পোড়ামাটির মতো। দেখতে অবিকল মাটির কলসের মতো।”

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, “নারীর শরীর কখনোই পোড়ামাটির মতো নয়। অথচ সরকার এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।” পরে তিনি ‘দেহ… পোড়ামাটির কোন বাসন নয়/রং না করলেও হয়ে যাবে’ গানটি গেয়ে শোনান। গান শেষ করে দেহকে রঙিন করার বিষয়ে বিশেষ জোর প্রয়োগ করেন তিনি।

পোড়ামাটি নিয়ে সরকারকে আরো অধ্যয়ন করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন বেগম জিয়া। ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণরকে পোড়ামাটির উপর গবেষনা করতে সৌদি আরব পাঠানোর ঘোষনা দেন তিনি। এসময় একটি মাটির কলস কাঁখে নিয়ে কিভাবে অর্থনীতির সংবাদ করতে হয়, তা শেখান উপস্থিত সাংবাদিকদের।

November 20, 2011

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন :: তারেকের জন্মদিন, মওদুদের সংসারে অশান্তি

ছবি যেন শুধু ছবি নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

জিয়াউর রহমানের একমাত্র ছেলে এবং বেগম জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইসচেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৪৭তম জন্মদিনে ৪৭ পাউন্ডের চারটি কেক কেটে দিনটি উদযাপন করেছেন তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার ২য় ছেলে আরাফাত কোকো তখন মালেয়শিয়াতে ফোন বন্ধ করে অবস্থান নেন।

শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে গুলশানের দলীয় কার্যালয়ে কেক কেটে জন্মদিনের শুভ উদ্বোধন করা হয়।  বহুল আলোচিত এবং বহু ঘটনার জন্মদাতা তারেক রহমানের জন্মদিনেও ঘটে গেলো লোমবর্ধক কিছু ঘটনা। এর মধ্যে একটি ঘটনাকে ক্যামেরাবন্দী করেছেন আমাদের চিত্রগ্রাহক।

ছবি নং ১ (এক)

একে ৪৭ ওজনের কেকের সামনে চুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন বেগম খালেদা জিয়া। খালেদার হাতের দিকে নিবিড় এবং পরিচ্ছন্ন নয়নে তাকিয়ে আছেন ব্যরিস্টার মওদুদ আহমেদ। তার ঠোঁটে তৃপ্তির হাসি লেগে আছে। হাত দু’টো কচলাচ্ছেন আর কচলাচ্ছেন। কেক কাটার নাম করে বেগম সাহেবার হাত ধরে ফেলার ফন্দি করছেন।

ছবি নং ২ (দুই)

ব্যরিস্টার মওদুদ এ ফাঁকে বেগম সাহেবার হাতে হাত রাখলেন। এই শুরু হলো, একে একে বেগম সাহেবার হাতের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো কয়েক জোড়া জাতীয়তাবাদী হাত। ছবিটির দিকে ভালো করে চোখ রাখলে দেখবেন, পুরোনো নেতারা হাত ধরার তেমন একটা চান্স পাননি। এ যেন হিন্দি সিনেমার মতো… নায়িকার বয়স বাড়লেও বুড়ো হয় না, আর নায়কের কোমর কুঁজো হয়।

ছবি নং ৩ (তিন)

এমন সময় বাসা থেকে ফোন করলেন মওদুদ পত্নী। কে জানে কোন তরুন নেতা লাইন থেকে মওদুদকে সরানোর জন্য মওদুদ পত্নীকে ফোন করে বলেছিলেন, “আপনার সাহেবতো নেত্রীর হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছে। কোনভাবেই ছাড়তে চাইছেন না।” পরে বৌয়ের ফোন পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল ত্যাগ করছেন মওদুদ আহমেদ।

ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত মওদুদের সাথে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

%d bloggers like this: