Posts tagged ‘এরশাদ’

May 27, 2016

জমজম কূপের পানি সেক্স পাওয়ার বাড়ায়ঃ এরশাদ

জমজম কূপের পানি খেলে আমার মত পাওয়ারফুল থাকবেন - এরশাদ

জমজম কূপের পানি খেলে আমার মত পাওয়ারফুল থাকবেন – এরশাদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, জমজম কূপের পানি ‘ইয়ে’র পাওয়ার বাড়ায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সাবেক এই সেনা প্রধান বলেন, “কালা জ্বর, চোরা জ্বর, শিরায় শিরায় জ্বর, অঙ্গে অঙ্গে জ্বর, ঘন ঘন প্রস্রাব, টিপে টিপে প্রস্রাব, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, খাউজানি, চুলকানি, সর্ব প্রকার যৌন ও চর্ম রোগ, ক্যান্সার, এইডস, হাঁপানি, ডায়রিয়া, আমাশয়, সর্দি, কাশিসহ সর্ব রোগের মহৌষধ হচ্ছে জমজম কূপের পানি।”

তারপর খুব লাজুক লাজুক চেহারায় বলেন, “এখানে অনেকেই হয়তো লজ্জা পাবেন, কিন্তু লজ্জা পাবার কিছু নেই। তাছাড়া পুরুষের জন্য একটা খুব জরুরী বিষয়। এটা জেনে রাখা দরকারি। জমজম কূপের পানি পুরুষের যৌন শক্তি বাড়ায়। আমি এই কূপের পানি খেয়েছি বলেই এতকিছু সম্ভব হয়েছে। জমজম কূপের পানি না খেলে সব অর্জনই অসম্ভব হয়ে যেতো।”

এরপর আচমকা নারায়ণগঞ্জে শিক্ষক নির্যাতন প্রসঙ্গ এনে এরশাদ একটি স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি শুরু করে দেন। কবিতার নাম “আল্লাহর ওলি, ফুলের কলি।”

সেলিম ওসমান আল্লাহর ওলি,

আমি হলেম ফুলের কলি।

রাতের বেলা শরম করে, তাই

দ্বীনের পথে চলি।

ওলির কাছে আসো

ফুলের মত হাসো।

সুন্দরী নারী দেখলে

মৃদু স্বরে কাশো।

আমরা সবাই আল্লাহর ওলি,

আমরা সবাই ফুলের কলি।

কবিতা আবৃত্তি শেষে তিনি নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়ে যান। আক্রান্ত হয়ে বলেন, “গান, কবিতা, ফুল. প্রেম আমাকে পাগল করে দেয়। কত কিছু মনে পড়ে যায়। নদীর কথা, গ্রামের কথা, সমুদ্রের কথা, ঝরনার কথা, পাহাড়ের কথা… কত কথা। আহারে পাহাড়! আজ নাকি বান্দরবনের থানচি’র মানুষ চালের অভাবে জংলি আলু আর কলাগাছ খেয়ে বেঁচে আছে। কী বোকা! কী বোকা! আসলে যে যত উপরে থাকে, সে তত বোকা হয়, মূর্খ হয়।”

এরশাদ বলেন, “সেলিম ওসমান অষুধ পাচ্ছে না, জমজম কূপের পানি খেয়ে বেঁচে আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থতার কারণে কাউকে মুখ দেখাতে পারতো না। এখন জমজম কূপের পানি খেয়ে সংবাদ সম্মেলনে নির্লজ্জের মত হাসে। খালেদা জিয়ার টাকার অভাব, পানি কিনতে পারেন না। ওই পানির বদলে এখন এই পানি খান। কাজ হয়ে যায়। শেখ হাসিনাতো জমজম কূপের পানি খেয়ে দেশের মোল্লাদের নাকে দড়ি লাগিয়ে ঘুরাচ্ছেন, রেলের জমি দিচ্ছেন, সবকিছু সামাল দিচ্ছেন। তাই অতিসত্ত্বর থানচির দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের জন্য জমজম কূপের পানি পাঠানোর দাবি জানাই। এই পবিত্র পানির উপর গরীবেরও হক আছে। তাদের হক বুঝিয়ে দিতে হবে।”

এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্ন আহবান করলে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, “আপনি কি ওই কাজের সময় শুধুই জমজমের কূপের পানি খান? এতেই হয়ে যায়?” জবাবে এরশাদ একটা চোখ টিপুনি দিয়ে বলেন, “কী বোকা! কী বোকা! জমজম কূপের পানি দিয়ে টেবলেট খাই, এটাও বুঝে না! ব্যাটা, শুধু পানিতে কী আর হয়, সাথে দুই চারটে হারবাল না থাকিলেই নয়।”

December 31, 2012

জাতীয় পার্টিতে যোগ দিলেন আরেফিন রুমি

রুমি ও তার দুই স্ত্রী

রুমি ও তার দুই স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

অনেক তারকাই একসময় রাজনীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। আসাদুজ্জামান নূর, কবরী, মমতাজদের হাত ধরে  হাল আমলের ক্রেজ আরেফিন রুমিও রাজনীতিতে এলেন শেষ পর্যন্ত। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করলেন এ সংগীত তারকা।

আজ দুপুরে দুই পাশে দুই বৌ নিয়ে এরশাদের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি।

কিছুদিন আগে প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করে দারুণ আলোচিত সমালোচিত হন আরেফিন রুমি। তীব্র সমালোচনার মুখে ধৈর্য্য ধরে দু’পাশে দু’স্ত্রী রেখে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন তিনি।

নিজ দলে এরকম একজন তারকাকে পেয়ে এরশাদ জানালেন তাঁর অনুভূতি। তিনি জানান, “রুমি বেশ পরিশ্রমী এবং বলিষ্ঠ পুরুষ। সে আসল পুরুষও। তাকে দেখে এই শেষ বয়সেও আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি।“

আরেফিন রুমির প্রশংসা করে এরশাদ বলেন, “রুমি খুব ভালো ছেলে। সে বলেছে তার দু’স্ত্রীকেও রাজনীতিতে নিয়ে আসবে। ইনশাল্লাহ দেশ এগিয়ে যাবে।“

এ প্রতিবেদক আরেফিন রুমির প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, “অনেকে সাঈদীর মেশিনের কথা বলবেন, কিন্তু আমি বলবো এরশাদের কথা। আমরা লুইচ্চা হলেও রাজাকার না। জাতীয় পার্টিতে যোগ দিতে পেরে আমি আনন্দিত।“

এদিকে রুমির জাতীয় পার্টিতে যোগ দেয়ার পর এরশাদের মাঝে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। খোলামেলা আলোচনায় এ প্রতিবেদককে বলেন, “এটা ঠিক যে বেশ কিছুকাল ধরে আমার  মেশিন বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। অনেকে বলছে মেশিনের ওয়ারেন্টি শেষ। আমারো তাই মনে হচ্ছে। এ অবস্থায় আবার রুমি যোগ দিলো জাতীয় পার্টিতে। দেখি মেশিনটারে কোন কিছু করা যায় না কি!”

মেশিন ঠিক করা না গেলে পোর্ট্যাবল মেশিন ইউজ করবেন কি না জিজ্ঞাসা করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, “নাহ! ওইসব ফালতু জিনিসের নাম আমার সামনে উচ্চারণ করবেন না। এ জিনিসের কারণে আমি বিদিশাকে হারিয়েছি। আর কাউকে হারাতে চাই না।“

এসময় এরশাদের নাক ফুলে যায় এবং চোখ দু’টো ছলছল করে উঠে।

বিদিশার সাথে কোন যোগাযোগ আছে কিনা, জানতে চাইলে এরশাদ বলেন, “ওই… আরকী! মাঝে মধ্যে ফোনটোন দেয়। দিয়ে বলে, ‘অনেকদিন পর তোমার মত আরেকটা পেলাম। তোমাকে মনে পড়ে গেলো, তাই ফোন দিলাম।‘ এছাড়া অন্য কোন যোগাযোগ নাই।“

এরশাদ বলেন, “আল্লাহ পাক আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে।  জীবন সায়াহ্নে এসে রুমি আসলো আমার জীবনে দুই বৌকে নিয়ে। আসলে… যদি থাকে নসিবে, পাছার তল দিয়ে হলেও আসিবে! উপরওয়ালার কাছে লাখো কুটি শুকরিয়া।“

April 3, 2012

এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া টাই পরে

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে খালেদা জিয়ার ডান হাতে আসতে বললেন বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার কাকরাইলে ইনিস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক আলোচনা সভায় বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল বলেন, “পত্রিকায় দেখলাম, বর্তমান অবস্থা দেখে এরশাদ সাহেব বলেছেন, তিনি চতুর্দিকে অন্ধকার দেখছেন। তাই এরশাদ সাহেবকে বলব অনেকতো রাজনীতি করলেন, এবার ডেসটিনি করুন। খালেদা জিয়ার রাইট হ্যান্ডে নাম লেখান। আপনি নাম লেখালে ম্যাডামের এক সাইকেল পূর্ণ হবে।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “ম্যাডামও আগে চোখে অন্ধকার দেখতেন। ডেসটিনির সদস্য হয়ে তিনি রঙিন চশমা কিনেন। এখন আলো দেখেন। আপনিও আলোর পথে আসুন। ডান পাশে আসুন। বসুন। থাকুন।” সরকারের বিদ্যুত ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “কুইক রেন্টাল নতুন ব্র্যান্ড। অনেকে চেনেও না। ডেসটিনির বিদ্যুত চমৎকার। মানে ভালো, দামে কম। ব্যবহারে সাশ্রয়ী।”

ডেসটিনি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বাড়াবাড়ি করছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “এ দেশ থেকে জামায়াতকে উচ্ছেদ করা যায়নি, শহীদ জিয়াকে উচ্ছেদ করা যায়নি, ডেসটিনিকেও উচ্ছেদ করা যাবে না।” এ সময় তিনি “এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া টাই পরে ” বলে স্লোগান দেন। স্লোগান দিতে দিতে তিনি প্যান্টের বেল্ট ও বোতাম চেক করেন। এ সময় বিড়বিড় করে বলেন, “দেলোয়ার ভাইয়ের কথা আমরা ভুলে যাইনি, কখনো ভুলবো না।”

আলোচনা সভায় বক্তারা টাই’কে মুজিব কোটের প্রতিদ্বন্ধী হিসেবে দাবি করেন এবং মুজিব পরিবারের কাউকে টাই পরতে নিষেধ করেন। নেতারা বলেন, “আমরা মুজিব কোট পরবো না, আপনারা টাই পরবেন না। টাই একটি জাতীয়তাবাদী পোশাক। জিয়াউর রহমান টাই পরতেন।”

February 14, 2012

হ্যাকিং এ নামছেন এরশাদ

মগবাজার ডেস্ক

বাংলাদেশ সাইবার আর্মি এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার্স এর সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেছেন সাবেক স্বৈরশাসক হু মু এরশাদ। এ বিষয়ে সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আজ সন্ধ্যায় দৈনিক মগবাজারে পাঠানো এক দীর্ঘ ইমেইলে তিনি তার প্রস্তুতির কথা জানান।

ই মেইলে তিনি জানান, “হ্যাকিং শব্দটি শুনতে সুন্দর। এর সাথে ফাকিং শব্দের অদ্ভুত মিল আছে। এ দু’টি শব্দ দিয়ে কবিতা লেখাও সম্ভব।” এরপর চার লাইন কবিতা লিখে দেন-

যে মনের কামনায় একদা করেছি

জিনাত বিদিশা হ্যাকিং;

সেই মন আজ, করেছে পন

ভারতকেও করি ফাকিং।

এর আগে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের পথিকৃত মোস্তফা জব্বারের কাছে হ্যাকিং এর খুঁটিনাটি তালিম নেন। মোস্তফা জব্বার তাকে বৈধ হ্যাকিং এর নানা কলা কৌশল শিখিয়ে দেন।

অভিযান চালানোর আগে এক দীর্ঘ তালিকা করেছেন হু মু এরশাদ। যার মধ্যে বিদ্যা বালান, ক্যাটরিনা কাইফ, সানিয়া মির্জা, কারিনা কাপুর, এমরান হাশমী অন্যতম।

এরশাদ জানান, “প্রথমে জিনিসটার সামনে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। এরপর লগ ইন করতে হবে। লগ ইন করার পর প্রয়োজনীয় কাজ সেরে লগ আউট হয়ে যেতে হবে। লগ আ্উট না হয়ে জিনিসের সাথে লেগে থাকলে পুরো বিষয়টা অবৈধ হয়ে যাবে। যা সাইবার ক্রাইমের আওতায় পড়ে।” অবশ্য লগ ইন এবং লগ আউটের মাঝের সময় ঠিক কতক্ষণ হবে, তা আপেক্ষিক ব্যাপার বলে জানান এ দুর্ধর্ষ হ্যাকার।

দৈনিক মগবাজারের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন হু মু এরশাদ। দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “জাতি যখনই সংকটে পড়ে, এরশাদ তখনই কাছা তোলে।”

January 18, 2012

সারাদেশে ঝড় তুলবেন এরশাদ

ঝড় তুলবেন এরশাদ

রংপুর প্রতিনিধি

এরশাদ এবার সারাদেশে ঝড় তুলবেন। এর আগে কোনদিন সারাদেশে ঝড় তোলেননি। এবারই প্রথম তিনি এ কাজ করবেন। এরশাদ বলেন, “আমি প্রথমে লুঙ্গির কাছা তুলবো, পরে ঝড় তুলবো।” নদীর পানির নায্য হিস্যা আদায়ে তিস্তা অভিমুখে লং মার্চে ক্ষমতাসীন জোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে ঝড় তোলা হবে।

লুঙ্গির কাছার সাথে ঝড়ের সম্পর্ক নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “লুঙ্গির কাছা এক সাথে তুলে ফেলবেন না। একটু একটু করে তুলবেন। একটু একটু করে কাছা তুলবেন আর একটু একুট করে ঝড় উঠবে। অতীতে এরকমই ছিলো। জিনাতের উঠেছিলো, বিদিশার উঠেছিলো, আপনারও উঠবে।” তিনি আরো বলেন, “দেখুন, আপনি যখন কাছা তুলবেন, তখনই ঝড় উঠবে। অর্থাৎ, ঝড় তখনই উঠবে, যখন আপনি কাছা তুলবেন।”

এর আগে কখনো সারাদেশে ঝড় না তুললেও জিনাতের জন্য ফুল তুলেছিলেন এবং বিদিশার পায়ের কাঁটা তুলেছিলেন। ফুল এবং কাঁটা তুলতে লুঙ্গির কাছা তোলা লাগে না। কেবল ঝড় তুলতেই লুঙ্গির কাছা তুলতে হয়। এরশাদ বলেছেন, দু’নেত্রীকে দিয়ে আর কিছু হবে না। উনাদের বয়স হয়ে গেছে, তাই উনাদেরকে সরে যেতে হবে। উনারা সরে গিয়ে এরশাদকে সুযোগ দিতে হবে। সুযোগ দিলে তিনি সারাদেশে ঝড় তুলবেন।

September 14, 2011

ইভা রহমানের কারণে বন্ধ হলো এরশাদের কার্যালয়

নিজস্ব পাকিবেদক ।। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১১

(বাঁ থেকে) এরশাদ ও ইভা রহমান

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বনানীস্থ জাতীয় পার্টির কার্যালয় বন্ধ করে দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায় রাগে ক্ষোভে অপমানে এবং তীব্র দু:খ কষ্টের কারণে দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগাতে বাধ্য হলেন বর্ষীয়ান এ নেতা। কার্যালয় বন্ধ করে দেয়ার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন সূত্র বিভিন্ন কারণের কথা বলছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিলো দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মাসিক চাঁদা না দেয়ার বিষয়টি।

কিন্তু এরশাদ চাঁদার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি মনে করেন “জাতীয় পার্টির মালিক আল্লাহ, আল্লাহর দল আল্লাহ চালাবেন। রিজিকের বন্দোবস্ত কখনো প্রেসিডিয়াম সদস্যরা করতে পারে না। এসব কুফরী চিন্তা এরশাদ করে না।” অবশ্য তালা লাগানোর বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন কারণের কথা তিনি বলেননি।

read more »

July 13, 2011

মিউচুয়াল সেক্স ইজ অ্যাকচুয়াল সেক্স – হোসনে আরা

মিউচুয়াল সেক্স করলে এরকম প্রাণবন্ত হাসা যায়

নিজস্ব পাকিবেদক ।। ১৩ জুলাই ২০১১

অ্যামেচার সেক্স, কাপল সেক্স, হার্ডকোর সেক্স, টীন সেক্স এসবের হাত ধরে সেক্স দুনিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হলো নতুন আইটেম ‘মিউচুয়াল সেক্স’। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষা হোসনে আরা বেগমের হাত ধরে নতুন এ আইটেমের জন্ম হয়। ইতোমধ্যে বেগম সাহেবার মিউচুয়াল সেক্স পার্টনার বাবু পরিমল বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। গত এক সপ্তাহে মিডিয়ার প্রায় ১৭.৭৫% কভারেজ দখল নিতে সক্ষম হয়েছেন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিএনপির জয়নাল ভাইও এ কভারেজ দখলে নিতে পারেননি। অবশ্য জয়নাল ভাই ভালো অভিনেতা হলেও মিউচুয়াল সেক্সে একেবারেই অজ্ঞ। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায় পলিটিক্যাল নেতাদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন নতুন ধরনের সেক্স সম্পর্কে জানেন। যার মধ্যে মোহাম্মদ রাশেদ খান মেনন অন্যতম। তবে অনেকের মুখে মাওলানা এরশাদের নামও শোনা যায়।

এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে অধ্যক্ষার পদ থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার ঘটনাকে ভেটকি মেরে উড়িয়ে দেন বেগম সাহেবা। তিনি বলেন যে প্রতিষ্ঠানের মেয়েরা মিউচুয়াল সেক্স বুঝে না, সেখানে থাকার কোন মানে নেই। আমি নিজের থেকেই পদত্যাগ করেছি। এসময় তিনি বাম গালে ভেটকি মারেন এবং নিজেকে বামপন্থী বলে দাবি করেন। তবে একজন বামপন্থী নেতা বলেন “বাম নেতার সাথে মিউচুয়াল সেক্স করলেই বামপন্থী হওয়া যায় না।”

এদিকে পরিমল বাবু জনপ্রিয় হওয়ার পরই বেগম সাহেবা একটি মিউচুয়াল সেক্স ফাউন্ডেশন খুলেছেন। যেখানে প্রাথমিকভাবে দেশের পলিটিক্যাল নেতাদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। তৃতীয় সারির দেশ বাংলাদেশে পর্যাপ্ত এক্সপার্ট না থাকার কারণে আপাতত বেগম সাহেবা এবং মোহাম্মদ রাশেদ খান মেনন প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে মলমে বিষয়টি শেখাবেন। প্রতি সপ্তাহে একদিন মাওলানা এরশাদ অতিথি প্রশিক্ষক হিসেবে আসবেন বলে জানা যায়।

বেগম সাহেবা দাবি করেন, আকর্ষনীয় এ সেক্স আইটেম তার এখনকার ভাবনা নয়। পরীক্ষায় বেশি নাম্বার পাওয়ার জন্য গবেষনা করতে করতে তিনি এ থিওরি আবিষ্কার করেন। তিনিই প্রথম তার কলেজ শিক্ষককে শিখিয়েছিলেন মিউচুয়াল সেক্স সম্পর্কে। এসময় তিনি স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন। স্মৃতিকাতর হতে হতে প্রায় শুয়ে পড়েন। হোসনে আরা বলেন, “আমি স্মৃতিকাতর হলে শুয়ে পড়ি”।

অন্যান্য ধরনের সেক্সের সাথে মিউচুয়াল সেক্সের তুলনা করে হোসনে আরা বলেন “মিউচুয়াল সেক্স ইজ অ্যাকচুয়াল সেক্স!”

June 10, 2011

বিস্ময়কর নবজাতক জোনাথন হু মু

মগবাজার ডেস্ক ।। ১০ জুন ২০১১

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়ন অঙ্গরাজ্যের শিকাগো নগরীতে জন্ম নিয়েছে এক বিস্ময়কর শিশু। কোন রকম পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই জন্ম নেয়া শিশু এবং তার মা সুস্থ আছে। মা ক্রিস্টিনা রুজ জানান, মাত্র ২মাস আগে টের পান তিনি গর্ভবতী হয়েছেন। গতকাল তার সন্তান জন্ম নেয়ার সাথে সাথে অপরিচিত সব শব্দ উচ্চারণ শুরু করে। শুরুতে কেউ ধরতে না পারলেও পরে শনাক্ত করা গেছে যে, এসব শব্দ আসলে দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের নাম। আশ্চর্য এ শিশুর উচ্চারিত নামগুলোর মধ্যে হাসিনা, খালেদা, এরশাদ, ফালু, সাহারা খাতুন, রাশেদ খান মেনন, দিলিপ বড়ুয়া উল্লেখযোগ্য।

গবেষকদের একটি দল প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে নিশ্চিত হন, শিশুটির বাবা হয়তো বাংলাদেশের বর্তমান মূলধারার রাজনীতিবিদদের কেউ। কিন্তু ক্রিস্টিনা বিষয়টি অস্বীকার করেন। একটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে রিপোর্টার পদে কর্মরত ক্রিস্টিনা  রুজ জানান, “কিছুদিন আগে একটি পুরোনো ম্যাগাজিনে বাংলাদেশের এক সময়কার স্বৈর শাসক হু মু এরশাদের একটি ছবি দেখেছিলাম। কিছুক্ষণ মনযোগ দিয়ে তার ছবির দিকে তাকিয়েছিলাম। এছাড়া বাংলাদেশি কোন রাজনীতিবিদের সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি।”

পুরো বিষয়টাতে রহস্যের গন্ধ পেয়ে ১২ সদস্য বিশিষ্ট গবেষক দল বাংলাদেশে আসবেন এরশাদকে নিয়ে গবেষণার জন্য। উল্লেখ্য শিশুটি জন্ম নেয়ার পর নিজের নামও বলতে পারে। নিজেকে জোনাথন হু মু বলে পরিচয় দিচ্ছে সে।

গবেষণার সুবিধার্থে এখনো শিশুটির কোন ধরনের স্থির চিত্র, ভিডিও চিত্র কিংবা ভয়েস প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানার জন্য দৈনিক মগবাজারের সাথে থাকুন।

May 20, 2011

বিদিশা কারো জন্য শুয়ে থাকবে না – এরশাদ

সাবেক সেকেন্ড লেডী বিদিশা

বিনোদন পাকিনিধি ।। ২০ মে ২০১১

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, বাড়িতে কে এলো আর কে এলো না, তা দেখা বিদিশার দায়িত্ব নয়। যারা আসতে চায়, তারা আসবে। কারণ, কারও জন্য বিদিশা বসে থাকবে না। বিদিশা তার নিজের গতিতেই চলবে।
আজ শুক্রবার বেলা তিনটায় কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পাণ্ডুল ইউনিয়নে সমবেত জনতার উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
বিদিশা প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, ‘রাজনীতিবিদেরা নিজেদের বিশ্বাস করতে পারেননি বলেই বিদিশাও অন্য কাউকে বিশ্বাস করতে পারেনি। বিদিশা কারো জন্য শুয়ে বসে থাকবে না। যে আগে আসবে, সেই পাবে।’
এ সময় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মশিউর রহমান বলেন, ‘ম্যাডাম গত প্রজন্মের ইঞ্জিন হলেও সার্ভিস ভালো। জাতীয় পার্টি তার কথা দীর্ঘদিন মনে রাখবে।’

সভায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

%d bloggers like this: