Posts tagged ‘আওয়ামীলীগ’

October 28, 2015

জজ মিয়া নাটকের কপিরাইট দাবি করেছে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঢাকায় আওয়ামীলীগের সমাবেশে ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলার পর বিচারের নামে তামাশা করতে গিয়ে লজ্জাজনক এক নাটক সাজায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার। ইতিহাসের পাতায় এটি ‘জজ মিয়া নাটক’ নামে জায়গা করে নিয়েছে। গ্রেনেড হামলার সত্যিকারের অপরাধীকে আড়াল করার জন্য নিরপরাধ সিডি বিক্রেতা জজ মিয়াকে আটক করে হামলার মূল হোতা বানানোর চেষ্টা করে।

বহুল আলোচিত জনপ্রিয় এই নাটকের স্ক্রিপ্ট যেন কেউ নকল করতে না পারে, সে বিষয়ে উদ্যোগী হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আজ বিকেলে পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই নাটক বিএনপির, এই নাটক খালেদার, এই নাটক তারেকের। বাংলার বুকে আর কাউকে এই নাটকের স্ক্রিপ্ট নকল করতে দেয়া হবে না। আমরা পেটেন্টের জন্য আবেদন করবো।”

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন

দুই বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় সরকার জজ মিয়া নাটক সাজানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন রিপন। তিনি বলেন, “এই নির্লজ্জ সরকার নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে ‘জজমিয়া’ নাটকের আদলে ‘বড় ভাই’ নাটক সাজানোর অপচেষ্টা করছে। তাদের লজ্জা থাকা উচিত। তারা এভাবে নাটক সাজাতে পারে না।”

জজ মিয়া নাটকের ব্যবহারিক বিধিনিষেধ এর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রিপন বলেন, “আমরা একটি বড় রাজনৈতিক দলের প্রধানসহ শীর্ষনেতাদের খতম করার অপারেশনে যে নাটক ব্যবহার করেছি, মাত্র দুইজন বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় সেইম নাটক ব্যবহার করে তারা নাটকের মেরিটকে অপমান করতে পারে না। এই অধিকার তাদেরকে কেউ দেয়নি।”

তিনি বলেন, “আমরা আমাদের নেত্রীর সাথে যোগাযোগ করেছি। তিনি বলেছেন উনার সৃজনশীল স্ক্রিপ্টে যদি কেউ হাত দেয়, তাহলে সেই কুলাঙ্গারের নাম পাল্টে দিবেন।”

আপনারা জজমিয়া নাটক সাজাতে পারলে আওয়ামীলীগ কেন বড়ভাই নাটক সাজাতে পারবে না? এই প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, “বিএনপি অধম বলিয়া কি আওয়ামীলীগ উত্তম হইবে না?” তিনি বলেন, “এই জাতি বিএনপির কাছে কিছুই আশা করে না। সবকিছু আওয়ামীলীগের কাছে আশা করে। জাতির পিতা, জয় বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব, সব আওয়ামীলীগের। আমাদের ভাগে পড়েছে শুধু একজন আরজে। একজন আরজে দিয়ে আমরা আর কীইবা করতে পারি?”

তিনি আরো বলেন, “আমরা আওয়ামীলীগকে বলেছি, তোমরা আরজে জিয়াকে নিয়ে যাও, আমাদেরকে একটু জাতির পিতা ও জয় বাংলার ভাগ দাও। তারা বলে, আরজে জিয়া একটা খবিশ, তার উচ্চারণ ভালো না।”

“যারা দুই টাকার আরজে নিতে রাজি হয়নি, তাদেরকে কিভাবে কোটি টাকার জজমিয়া নাটকের স্ক্রিপ্ট দিয়ে দিই?” পাল্টা প্রশ্ন করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের নাম বললে আপনারা চিনবেন না।

July 11, 2012

প্রতি একশ স্যুটকেসের ভেতরে একটা পদ্মা সেতু – মির্জা ফখরুল

সরকারের সম্পত্তির পরিমান দেখাচ্ছেন মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেছেন, পদ্মাসেতু নির্মাণে সরকারের পদক্ষেপ বাস্তব সম্মত নয়। এভাবে পদ্মা সেতু হবে না। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে অল্প সুদে ঋণ নিয়ে পদ্মার বুকে তিনটি সেতু করার ঘোষণা দেন তিনি। মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “হাসিনার সরকার গরীব সরকার। হাসিনার ছেলে সিঙ্গাপুরে টাকা পাচার করতে পারে না। তিনি সৌদি আরব যেতে পারেন না, যাওয়ার সময় কয়েকশ স্যুটকেস নিয়ে যেতে পারেন না। এরকম একজন মানুষ সেতু বানাবে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না।”

পদ্মা নদীর আরিচা মাওয়া পয়েন্ট দু’টি এবং তার মাঝখানে আরো একটি সেতু করার কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, “তিনটা সেতু বানাবো আমরা। একটা দিয়ে গাড়ি যাবে, আরেকটা দিয়ে আসবে। বাকি সেতুতে গাড়ি বিশ্রাম নেবে। সন্ধ্যার পর পদ্মার বুকে জোছোনা উপভোগ করবে।” নিজস্ব অর্থায়নে সেতু হবে না বলে মনে করেন তিনি। “নিজস্ব অর্থায়নে সেতু কিভাবে হবে? টাকাতো সব স্যুটকেসে! প্রতি একশটা স্যুটকেসের ভেতরে একটা পদ্মা সেতু।”

সদ্য কারামুক্ত ছাত্রনেতাদের সাথে নিয়ে জিয়ার মাজার জিয়ারত করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। মুনাজাত শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এই যে লেকের উপর সেতুটা দেখেন; আমাদের সেতু বানানোর অভিজ্ঞতা আছে। আমরা জীবনে বহু সেতু বানাইছি। পানির উপর সেতু বানাতে হলে সেতুর খাম্বা অনেক বড় হতে হয়। খাম্বা দুর্বল হলে সেতু হবে না। এর জন্য দরকার আমাদের নেতা তারেক রহমানকে। তিনি খাম্বা সম্পর্কে ভালো জানেন।”

মির্জা ফলরুল বলেন, “যেহেতু পদ্মা সেতু বানাতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে, সেহেতু তাদের উচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রথা পুনর্বহাল করা। নইলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ হবে না। দাম্পত্য কলহ কমানো যাবে না। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমে যাবে। পাপিয়ার স্বাস্থ্য কমে যাবে। দেশ ভারত হয়ে যাবে।” তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতি পুনর্বহাল করা ছাড়া আর কোন পথ নেই বলে মনে করেন তিনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান খান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, আমান উল্লাহ আমান, মোঃ শাহজাহান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

February 6, 2012

ভাবমূর্তি ফেয়ারনেস ক্রীম

May 12, 2011

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

ঝালকাঠি পাকিনিধি ।। ১২ মে ২০১১

সম্প্রতি উইকিলিকস প্রধান জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ সিডনি শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। বিশ্ব মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ অবদানের জন্য অস্ট্রেলীয় এ হ্যাকার সম্মানজনক পুরস্কারটি পান।

পুরস্কার পাওয়ার পরপরই বাংলাদেশে মাঝারি আকারের তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। প্রচুর সমালোচনার মুখে পড়ে শান্তি পুরস্কার কমিটি। সমালোচনার রেশ ধরে শেষ পর্যন্ত মানহানির মামলায় পড়লেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ।

ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ আবদুল গণি বাদী হয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে এ মামলা করেন। বাদী আবদুল গণি তার মামলায় বলেন, “ছোকরাটা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করেছে। RAB পাঠিয়ে তাকে ধরে আনার আদেশ দেয়ার জন্য আদালতের নির্দেশ চাই।“

যে হাতে মেডেল ধরা, সে হাতেই পরবেন হাতকড়া!

মামলার পর ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়ায় এর্টনী জেনারেল বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করা হয়েছে, এটা সত্য। কিন্তু ড. ইউনূস দেশী মানুষ, জুলিয়ান সাহেব বিদেশী মানুষ। তার পেছনে লাগাটা কি ঠিক হলো?”

দেশের শীর্ষ বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার তাৎক্ষণিক মন্তব্যে বলেন, “মার্কিনীদের কলোনিয়ান চিন্তাভাবনার আরেকটি ঘটনা ঘটলো। কৃষিভিত্তিক দেশগুলোকে কৃষিজশিল্পোন্নত দেশের স্বীকৃতি না দিলে এসব পুরস্কার পশ্চিমাদের দখলেই থাকবে।“

অপরদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিনন্দন জানিয়েছেন গতকাল। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, “জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের আদর্শের মূলে রয়েছে জাতীয়তাবাদ। তারেক রহমানের পক্ষ থেকে জুলিয়ানকে অভিনন্দন। আমরা ক্ষমতায় এলে জুলিয়ানকে বাংলাদেশে এনে জিয়ার মাজার জিয়ারত করিয়ে নিবো।“

May 9, 2011

ওয়াজেদ মিয়ার ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ওয়াজেদ মিয়াকে নিয়ে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন আমু

নগর পাকিবেদক ।। ৯ মে ২০১১

পরমানু বিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়ার ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বিজ্ঞানভিত্তিক নানান সংগঠনের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গ সংগঠন মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন করে। দুপুরে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ড. এম ওয়াজেদ মিয়ার ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, ঢাকা জেলা শাখা এক আলোচনাসভার আয়োজন করে। সংগঠনটির সিনিয়র সহ সভাপতি সৈয়দা রাজিয়া মোস্তফার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আমির হোসেন আমু।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, গ্রাম গঞ্জের মানুষ এখন গরমে অস্থির। সবার উচিত নিয়ম করে আখের রস খাওয়া। তিনি আরো বলেন, যারা সাংবিধানিক অ্যাসেম্বলি গঠনের কথা বলছেন তারা জ্ঞানপাপী।

ওয়াজেদ মিয়াকে নিয়ে আলোচনা সভায় আমু বলেন, ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হল ভেঙে মার্কেট করার কাজ হাতে নেয়া হলেও দেশের আনাচে কানাচে আজ প্রচুর আনন্দ। এফডিসিতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান এ প্রবীন রাজনীতিবিদ।

ওয়াজেদ মিয়াকে নিয়ে আলোচনা সভায় সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন, আমাদের উচিত সবসময় সবখানে প্রাসংগিক কথা বলা। অথচ বিরোধীদল সংসদে না এসে রাস্তাঘাটে রাজনৈতিক কথা বলে বেড়ান। এখন বিরোধীদলকে কে শেখাবে যে, কোনখানে কোন কথা বলতে হয়!

ওয়াজেদ মিয়াকে নিয়ে আলোচনা সভায় কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ করিম বলেন, সরকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহনকে আরো ঢেলে সাজানোর দিকে মনোযোগ দিতে পারে। বিরোধী দলকে সংসদে এসে কথা বলার পরামর্শ দেন এম এ করিম।

ওয়াজেদ মিয়াকে নিয়ে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক জোটের অরুন সরকার রানা বলেন, শেয়ারবাজারের দুর্নীতির জন্য ড. ইউনূস দায়ী। এতোবড়ো অর্থনীতিবিদ দেশে থাকার পরও জাতি কেন শেয়ার বাজারের পতন ঠেকাতে পারেনি। এমন অকার্যকর অর্থনীতিবিদ আমাদের প্রয়োজন নেই। মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত উদ্দীন বলেন, বিরোধীদল বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চান।

শেষে ওয়াজেদ মিয়ার জন্য মিলাদ পড়ানো হয় এবং জিলাপি বিতরণ করা হয়।

May 3, 2011

আল্লাহর হুকুম ছাড়া RAB এর পা নড়ে না – সাহারা

ক্রাইম রিপোর্টার ।। ৩ মে ২০১১

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন লিমনকে নিয়ে বিপদে আছেন। প্রথম আলো নামক দৈনিক পত্রিকার বাড়াবাড়ি এখন চরমে। ওরা প্রতিদিন লিমনকে নিয়ে নিউজ করে করে পাবলিক সেন্টিমেন্ট ধান ক্ষেতের আইলে নিয়ে যাচ্ছে। সাহারা খাতুন বিব্রত, সাহারা খাতুন চিন্তিত।

ঝালকাঠিতে RAB এর গুলিতে আহত কলেজছাত্র লিমনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত। একই সঙ্গে বিচারক নুশরাত জাহান জেল কর্তৃপক্ষকে লিমনের সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কাল বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় লিমনকে আদালতে হাজির করা হয়।

অনেকেই বলছেন লিমন কলেজছাত্র। সে সন্ত্রাসী নয়। এরকম একটি তরুনকে RAB গুলি করলো। এখন এ পঙ্গু ছেলেকে কারাবরণ করতে হচ্ছে। এটা কেমন বিচার! এ প্রসঙ্গে সাহারা খাতুন বলেন, মানুষ জন এখন ধর্মকর্ম করে না। এরাই একদিন মসজিদ ভেঙ্গে সিনেমাহল বানাবে। আল্লাহর হুকুম ছাড়া RAB এর একটি পাও নড়ে না। লিমনের পঙ্গু হওয়ার সাথে তার জেল খাটার কোন সম্পর্ক নাই। আইন সবসময় নিজস্ব গতিতে চলে। এ গতি বাড়ানো বা কমানো নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না।

প্রথম আলো বিরোধী দলের টাকা খেয়ে সন্ত্রাসী লিমনকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন সাহারা খাতুন। কিন্তু RAB এর কর্মকর্তা বলেছেন, লিমন ঘটনার স্বীকার। এটা মনে করিয়ে দিতেই সাহারা খাতুন বলেন, “ওই হইলো আরকি! লিমন কিন্তু ছেলে হিসেবে ভালো না। লাল জামা পরে ঘুরতেছিলো কেন? সন্ত্রাসী মোরশেদওতো লাল জামা পরেছিলো ওইদিন।

এতোকিছুর পরও লিমনের জন্য সাহারা খাতুনের মন কান্দে। তিনি সময় করে লিমনকে দেখতে যাবার জন্য চেষ্টা করবেন বলে জানান।

April 21, 2011

নিরক্ষরতামুক্ত হচ্ছে ছাত্রলীগ

ছাত্রলীগের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাচীন শিলালিপি

বিশেষ পাকিনিধি ।। ২১ এপ্রিল ২০১১

আর নয় টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, খুন খারাবি। এবার ছাত্রলীগ নেতাদের জীবন হবে ফিলিপস বাত্তির মতো ফকফকা। ২ বছরের জন্য স্বাক্ষরতা স্কুলে ভর্তি হচ্ছে ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ জন্য টোটাল লিটারেসি মুভমেন্ট (টিএলএম) নামের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। পরের বছর ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. মোতাহার হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, এর মধ্যে ছাত্রলীগের সব নেতার মাঝে বাত্তি লাগানোর কাজ শেষ হয়ে যাবে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছিল, ২০১৪ সালের মধ্যে ছাত্রলীগকে নিরক্ষরমুক্ত করা হবে। মাস দুয়েক আগে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণে ছাত্রলীগের কাজ করা উচিত। ক্ষমতাসীন দলের গুন্ডাবাহিনী হিসেবে ছাত্রলীগের উচিত সবার আগে স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন হওয়া। এর পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগকে নিরক্ষরতা দূর করার কাজে হাত দেয়। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে দিয়ে টিএসসিতে ছাত্রলীগের নিরক্ষরতা দূরীকরণ কাজের উদ্বোধনও করানো হয়।

আজ দুপুরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা করছে। প্রথমদিনের পাঠ হিসেবে সবাই গুনগুন করে “পড়ালেখা করে যে গাড়িঘোড়া চড়ে সে” পড়তেছিলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বিশ্বে এ প্রথম কোন রাজনৈতিক দল তাদের ছাত্র সংগঠনকে স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছে। এ সংক্রান্ত নথিপত্র আমরা নোবেল কমিটিতে প্রেরণ করবো। আশা করি আগামী বছর শিক্ষায় নোবেল পাওয়ার বিষয়ে এসব নথিপত্র বিবেচনা করবে।”

%d bloggers like this: