Archive for ‘শিবির’

January 11, 2012

দৈনিক সংগ্রাম, আমার দেশ এবং নয়া দিগন্তে গোলাম আজমের খবর

মগবাজার এক্সক্লুসিভ

জামায়াতের সাবেক আমীর গোলাম আজমকে গ্রেফতারের ঘটনাটি দৈনিক সংগ্রাম, আমার দেশ এবং নয়া দিগন্তে বেশ গুরুত্বের সাথে ছাপা হয়েছে। পত্রিকাগুলো জরুরী ভিত্তিতে আগামীকালের ইস্যুর অগ্রিম বৈকালী সংস্করণ প্রকাশ করেছে। হকারের কাছে পত্রিকার কপি ফুরিয়ে গেলে ফটোকপি করে বিক্রি করার ঘটনাও ঘটেছে খোদ রাজধানীতে। আমাদের কাছে থাকা তিন পত্রিকার প্রথম পাতার স্থির চিত্র আপনাদের জন্য প্রকাশ করা হলো।

দৈনিক সংগ্রাম

আমার দেশ

নয়া দিগন্ত

December 4, 2011

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিদ্রুপের প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্র শিবির

দৈনিক মগবাজার সম্পাদককে খুঁজছে শিবির কর্মীরা

টিপাইমুখে বাঁধ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে করা একটি বিদ্রুপাত্মক সংবাদের নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির। ইসলামি ছাত্র শিবিরের কর্মীরা মনে করে এমন নিউজ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তীব্র অপমান করা হয়েছে। শিবিরের এমন দাবির সাথে সংহতি প্রকাশ করেছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এ ধরনের প্রতিবাদ এবং প্রতিবাদের সাথে সংহতি প্রকাশের ঘটনা মূলত অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিএনপি-জামাত শিবিরের কর্মীদের মাঝে ঘটেছে।

বিভিন্ন বাংলা ব্লগ সাইট এবং ফেসবুকে দৈনিক মগবাজারে প্রকাশিত এ নিউজটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলে। প্রতিবাদকারী বিএনপি-জামাত সমর্থকদের মতে “টিপাইমুখে বাঁধ সম্পূর্ণ ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়। এর সাথে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে জড়িত করার কোন মানে নেই।”

এ বিষয়ে ব্লগে লেখার পাশাপাশি র‌্যাব এবং পুলিশকে ইনফর্ম করেছে শিবির কর্মীরা। র‌্যাবের কাছে এক আবেদনে শিবির কর্মীরা বলেন, “দৈনিক মগবাজার আমাদের পশ্চাৎদেশের মানচিত্র বদলে দিয়েছে। এতোদিন কিছু বলিনি। এবার প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করেছে। এই সুযোগে দেন না দৈনিক মগবাজারটা বন্ধ করে… প্লীজ দেন্না!”

প্রতিবেদকের বক্তব্য :

বিএনপি-জামাত কর্মী সমর্থকদের প্রতিবাদের মুখে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে করা নিউজটি মুছে দেয়া হয়েছে। প্রতিবাদকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এখন থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আর কোন ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমরা কেবল জামাতী কুত্তার বাচ্চা ও তাদের মিত্রদের নিয়ে বিদ্রুপ করবো। প্রধানমন্ত্রীর সম্মান নিয়ে বিএনপি-জামাতপন্থীদের দরদ দেখে এ প্রতিবেদকের ঘন ঘন প্রস্রাব হচ্ছে। আমি আবিভূত।

May 24, 2011

জিয়াউর রহমান মুরতাদ – গোলাম আজম

বিশেষ পাকিনিধি ।। ২৪ মে ২০১১

জামায়াতের সাবেক আমীর বিশ্বখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, বিশিষ্ট মওদুদী বাইনচোদ বিশেষজ্ঞ, মরনোত্তর ভাষা শহীদ অধ্যাপক গোলাম আজম বলেছেন, জিয়াউর রহমান কেবল কুত্তার বাচ্চা নয় সে একজন জঘন্যতম মুরতাদ। জিয়াউর রহমান না থাকলে কখনোই পাকিস্তান ভাঙা পড়তো না।

মগবাজারস্থ মাজার-ই-গোলামে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক গোলাম আজম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জিয়া যদি স্বাধীনতার ঘোষনা না দিতো, তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। শেখ মুজিবের প্রতি আমাদের কোন রাগ ক্ষোভ কিছুই নেই। আওয়ামীলীগের প্রতি আমরা সব সময় আন্তরিক ছিলাম, এখনো আছি।

নিজামী, মুজাহিদ, সাঈদীদের কারাভোগের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “আপনি আমাকে দুর্বল ভাববেন না। আমাদের পুটকী অতো ঠুনকো নয়। আমি আরো আগেই প্রস্তুতি নিয়েছি। আল্লাহর রাস্তায় পুটকী মারা খেলেও সওয়াব আছে (মওদুদী)।”

গোলাম আজম ১৯৫২ সালের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বললেন, “জিয়ার কারণে যেমন দেশ স্বাধীন হয়েছে, ঠিক তেমনি আমার কারনেই আজ বাংলা ভাষা সুপ্রতিষ্ঠিত। ভাবতে ভালোই লাগে, আজ উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষায়ও কথা বলতে পারি।”

স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে জিয়া যদি মুরতাদ হয়, তবে ভাষা আন্দোলনের সময় একটি পত্র পাঠ করে আপনি কি খানকির পোলা হতে পারেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক আমীর বলেন, “কিন্তু জিয়াউর রহমানেরতো দাঁড়ি নেই।”

নিজ অধ্যয়ন কক্ষে মরনোত্তর ভাষা শহীদ অধ্যাপক গোলাম আজম

বর্তমান ৪ দলীয় জোটের ভবিষ্যত নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ আনলেন এবং বললেন, “তিনি যথেষ্ট সুন্দরী মহিলা। ৪ দলীয় জোটের ভবিষ্যত ভালো।”

দেশ বিদেশের আরো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাবেক জামায়াত আমীরের সাথে অনেকক্ষণ আলাপ হয়। এ সময় বাড়ির আশেপাশে প্রচুর ছাগলের আনাগোনা দেখা যায়। তবে বাড়ির ভেতরে কোন গেলমান পাওয়া যায়নি।

গোলাম আজম এখন অবসর কাটান মানবাধিকার বিষয়ক বই পড়ে এবং ইউটিউবে পুটকী মালিশের টিউটোরিয়াল ভিডিও দেখে। ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছে ভাষা শহীদের অনুরোধ, “অন্তত পুটকী মারার ভিডিওগুলো উর্দু ভাষায় রূপান্তরিত করে দিবেন।”

May 1, 2011

আর্কাইভ থেকে

প্রধান গেলমানের বক্তব্য রাখছেন ডা. ফখরুদ্দিন মানিক

গেলমান বলে কি ওরা শ্রমিক নয়!

মগবাজার এক্সক্লুসিভ

আজ ১লা মে। শ্রমিকের দিন, শ্রমের দিন। ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের একদল শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজ করার জন্য আন্দোলন শুরু করেন, এবং তাদের এ দাবী কার্যকর করার জন্য তারা সময় বেঁধে দেয় ১৮৮৬ সালের ১লা মে। কিন্তু বাংলাদেশে আজো শ্রমিকের সংজ্ঞাই নিরূপিত হয়নি।

বাংলাদেশের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সুইপার, বিদ্যুত শ্রমিক, ইমাম, অভিনয় শিল্পী,পতিতা সহ বহু পেশা স্বীকৃতি পেলেও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের খেদমতে নিয়োজিত থাকা গেলমান গোত্রকে আজো কোন সুনির্দিষ্ট পেশাজীবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি।

জামায়াত না থাকলে দেশে ইসলাম থাকবে না। আর সে জামায়াত নেতাদের শারিরীক উত্তেজনা প্রমশিত রেখে দেশ ও জাতির কল্যানে কাজ করার সুযোগ করে দেয় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির (গেলমান)। অথচ আজকের এই শ্রমিক দিবসে কেউ তাদের খবর রাখে না।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আজ রাত ১২টায় নগরীর বাল ফালাহ মিলনায়তনে পবিত্র মে দিবসের এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক প্রধান গেলমানের আসনে যত্নের সাথে পাছা রাখেন। নিজামী এবং আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদ জেলে থাকার কারণে আসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল খানকির পোলা।

ডা. ফখরুদ্দিন বলেন, “দেশ স্বাধীন হয়েছে আজ এতোদিন। অথচ কোন সরকারই আমাদেরকে শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। আমরা আমাদের স্বীকৃতি চাই।”

প্রয়োজনে আমিনীর সাথে হাত মিলিয়ে দেশ অচল করে দেয়ার হুমকিও দেন তিনি। তিনি বলেন, “দিনের পর দিনের জন্ম পরিচয়হীন বেওয়ারিশ কুত্তার মতো আমাদের সংখ্যা বেড়েই চলছে। অথচ সরকার এখনো আমাদের দিকে চোখ ফেলেনি। আমরা আমাদের পেশার স্বীকৃতি চাই, এ স্বীকৃতি দিতে হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মকবুল খানকির পোলা বলেন, “গেলমান বলে কি ওরা শ্রমিক নয়! আমাদের পবিত্র কোলের সম্মান এ বাকশালি সরকার দেবে না। কেবলমাত্র আমাদের কোলে বসে বলে সরকার তাদেরকে স্বীকৃতি দিচ্ছে না।”

বিগত ৪দলীয় জোট সরকারের সমালোচনা করে মকবুল খানকির পোলা বলেন, “আপনাদের চোখের সামনের এসব গেলমানদেরকে বিএনপি নেতারাও ব্যবহার করেছে। ওদের কোলেও বসেছে কচি বালকেরা। অথচ ওরাও বেইমানি করেছে।”

আলোচনা সভা শেষে সবাই মিলেমিশে কোল বদল করে দিবস উদযাপনের কর্মসূচী শুরু করে। মকবুল খানকির পোলা যাবার সময় অন্তত ৩জন গেলমানকে সাথে করে নিয়ে যান।

April 18, 2011

পিরোজপুরে ভয়াবহ শিৎকার ।। সাঈদীকে আমাদের কোলে ফিরিয়ে দাও!

পিরোজপুর পাকিনিধি ।। ১৮ এপ্রিল ২০১১

প্রখ্যাত মুফাসসীরে কুরআন অধ্যক্ষ মাওলানা কামাল উদ্দিন জাফরী বলেছেন, কুরআনের মাহফিলে যারা বাধা দেয় তাদের সাথে ছহবত করবেন না। তিনি গত শনিবার রাত ৯টায় পিরোজপুর আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশন ময়দানে এক বিশাল তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করছিলেন। পিরোজপুর তাফহীমুল কুরআন মাদরাসা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত তাফসীরুল সাঈদি মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন হার্টথ্রব মাওলানা রাফীক বিন সাঈদী, মুফাসসীরে কুরআন অন্ধ হাফেজ মাওলানা আলতাফ হোসাইন ও খুলনা আলিয়া মাদরাসার মুহাদ্দিছ মাওলানা মুনিরুজ্জামান।

পিরোজপুরে হাজার হাজার নারী পুরুষ গভীর রাত পর্যন্ত তাফসীর শুনেন। আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশনের বিশাল ময়দান, রাস্তা ও আশে পাশের বাড়িতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। মানুষের পাশাপাশি প্রচুর ফেরেশতাকেও মনোযোগের সাথে সাঈদীর জন্য প্রার্থনা করতে দেখা গেছে।

২০০৭ সালের পর পিরোজপুরের মানুষ তাফসীর শুনতে পারে নাই। গত শনিবারের তাফসীর মাহফিলে আসার পথে বিভিন্ন জায়গায় সরকারের পেটুয়া বাহিনী তৌহিদী জনতাকে বাধার সৃষ্টি করে।

তাফসীর মাহফিলে অন্ধ হাফেজ মাওলানা আলতাফ হোসেন বলেন, হে আল্লাহ, আমার দু’টো চোখ অন্ধ, আমি চোখে জ্যোতি চাই না। আমি হাজার হাজার মুসলমান পুরুষ নিয়ে তোমার দরবারে হাত তুলেছি, তুমি বিশ্বের অগনন মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন মাওলানা সাঈদীকে আমাদের কোলে ফিরিয়ে দাও। কোলের ভেতর ঘুমন্ত অঙ্গখানি আরেকবার জাগিয়ে দাও। এ সময় হাজার হাজার মানুষ শিৎকারের সহিত ডুকরে কেঁদে উঠেন। পিরোজপুরে সর্বকালের মধ্যে এমন বৃহত্তম জনসমাগম কোন মাহফিলে দেখা যায়নি।

সাঈদীকে কোলে নিতে পিজি হাসপাতালের সামনে ভিঁড় জমায় প্রচুর মানুষ। পুলিশ বলছে "উনার পশ্চাতদেশ ভেঙে গেছে!" তারপর অপেক্ষমানরা শিতকারের সহিত ডুকরে কেঁদে উঠেন।

April 15, 2011

ছাগল দৌড়ে ইসলামী ছাত্রশিবির অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন

মাগুরা পাকিনিধি: ১৫ এপ্রিল ২০১১

মাগুরার শ্রীপুর থানার টুপিপাড়া গ্রামে নববর্ষ উপলক্ষে ইসলামী ছাগল দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে টুনিখালির ঘাটে স্থানীয় একটি সংগঠন এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করে।

দৌড়ে অংশ নেয় ইসলামী ছাত্রসংঠনগুলোর অর্ধ শতাধিক নেতা। দৌড়ের তালে তালে উল্লাস-করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে সংলগ্ন এলাকা। তৈরি হয় অন্যরকম এক উৎসবের আবহ।

দৌড়ে এগিয়ে আছেন শিবির নেতারা

প্রতিযোগিতার আয়োজক বলেন ‘বর্তমানে বাংলাদেশের যেকোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা অগ্রগণ্য থাকে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটে আপনারা এর প্রমান পেয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসে বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠানে ইসলামী দলগুলোর কোন অংশগ্রহণ দেখা যায়নি। তাই আমরা এবার তাদেরকে সুযোগ দিয়েছি।’

ছাগল দৌড় প্রতিযোগিতায় মাগুরা জেলা শিবির সেক্রেটারি ১ম স্থান, দপ্তর সম্পাদক ২য় স্থান ও সভাপতি ৩য় স্থান অধিকার করে।

১ম স্থান অধিকারী বলেন, “এ এক স্মরনীয় মূহুর্ত। ছাগল নিয়ে দৌড়াতে গিয়ে মনে হয়েছে আমি উটের পিঠে চড়ে আরবের তপ্ত মরুভূমি পাড়ি দিচ্ছি।”

২য় স্থান অধিকারী তার উচ্ছাস প্রকাশ করেন এভাবে, “পাকিস্তানের জাতীয় পশু ছাগল হলেও নাস্তিক সরকারের দেশে ছাগল নিয়ে কোন কালচারাল অনুষ্ঠান হয় না। আমরা প্রমান করেছি, ছাগল এবং শিবির প্রায় সমার্থক শব্দ।”

৩য় স্থান অধিকারী উনার বাবাদের কথা স্মরণ করেন, “অথচ এ আনন্দদায়ক মূহুর্তে আমাদের আব্বা খানকির পোলারা কাছে নেই।” এ বলে তিনি ৩ থেকে ৪ বার কেঁদে দেন।

April 10, 2011

আমিনীর প্রেমে সাড়া দিয়ে ঢাকায় এসে পৌছেছেন মোনালিসা

নিজস্ব পাকিবেদক ।। ১০ এপ্রিল ২০১১

প্রেমের জয় হলো। প্রেমের কাছে হার মানলো সাত সমুদ্র তেরো নদী সমান দুরত্ব। আমিনীর প্রেমে সাড়া দিয়ে অবশেষে ঢাকায় এসে পৌছেছেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মোনালিসা। জানা যায় তারা আগামীকাল শরিয়ত সম্মত উপায়ে ডেটিং-এ মিলিত হবেন।

বোরখা দিয়ে সতর ঢেকে ঢাকার মাটিতে পা রাখছেন মোনালিসা

এর আগে বোরখা না পরায় মোনালিসাকে হুমকি দেন আমিনী। আমিনীর হুমকির পর অনেক ঘটনা ঘটে। তারপর আমিনী ও মোনালিসার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের এক পর্যায়ে আমিনী মোনালিসাকে ঢাকায় আসার প্রস্তাব দেন। শাস্বত প্রেমিকার মতো মোনালিসা তার ডাকে সাড়া দিয়ে ঢাকায় চলে আসেন।

এদিকে মোনালিসার আগমনে আমিনীকে অনেক উৎফুল্ল দেখা গছে। এ ব্যাপারে দৈনিক মগবাজারের পক্ষ থেকে আমিনীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আশিক বানায়া আশিক বানায়া আশিক বানায়া বনে”

জানা গেছে মোনালিসা আমিনীর প্রেমের কথা জেনে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাওলানা গোলাম আজম। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমিনী পান খাইয়্যা ঠোট লাল করিয়া প্রেমিকা জুটিয়ে নিয়েছে। আমি দৃড় কন্ঠে ঘোষনা দিচ্ছি আমিও আজ থেকে নিয়মিত পান খাবো”

April 3, 2011

দেশ পাকিস্তান সীমান্তে চলে যাচ্ছে – শিবির সভাপতি

পাকিস্তান সীমান্তে আটকে পড়া অসুস্থ একটি পাঠা ছাগল

আন্তর্জাতিক পাকিনিধি ।। ৩ এপ্রিল, ২০১১

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. মো. ফখরুদ্দিন মানিক বলেছেন, বিভাজনের রাজনীতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ দেশকে আরও পেছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পেছনে নিতে নিতে প্রায় পাকিস্তানের কাছাকাছি নিয়ে গেছে। অথচ ভারতের চক্রান্তে পাকিস্তান সীমান্ত পার হতে পারছে না বাংলাদেশ। স্বাধীনভাবে পাঠা ছাগলের দু’পা আলাদা করার পরিবর্তে বর্তমান সরকার জবাইয়ের আগেই খাওয়ার রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছে।
জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সম্পূর্ণ অন্যায় ও বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। রিমান্ডে নিয়ে কুত্তার মতো পেটানো হয়েছে। আবার নতুন করে জামায়াত নেতাদের রিমান্ডের নামে নির্যাতনের পাঁয়তারা করা হচ্ছে। শীর্ষ স্থানীয় প্রবীণ নেতাদের এভাবে রিমান্ডে নেয়া শুধু অন্যায়ই নয়, সাউথ এশিয়ান ছাগাধিকারের চরম লঙ্ঘনও বটে।
তিনি গতকাল সংগঠনের কেন্দ্রীয় কনফারেন্স রুমে আয়োজিত দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সেক্রেটারি জেনারেল মো. দেলাওয়ার হোসেনের পরিচালনায় বৈঠকে অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
শিবির সভাপতি প্রথমে মাতৃভাষায় ম্যা ম্যা করে উঠলেও পরে বাংলা ভাষায় বলেন, ক্রমাগত মশলাপাতির দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষ আজ  দিশেহারা। রেজালার পরিবর্তে কোনমতে সেদ্ধছাগমাংস খেয়ে সাধারণ মানুষ দিন কাটাচ্ছে।
দেশের মানুষ ছাগলের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিভিন্ন স্থানে ছাগল চুরি এবং রোগশোকের প্রকোপের পেছনে বাকশালী সরকারের হাত আছে বলে দাবি করেন ছাগুকূলের শিরোমনি। সর্বশেষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আমাশয়ের মড়কে প্রায় শতাধিক ছাগল এখন ইবনে সিনা পশু হাসপাতালে ভর্তি আছে।

April 1, 2011

সাইমুম শিল্পী গোষ্ঠীর নতুন অ্যালবাম

ল্যাঞ্জা কাটা সেই ছাগীটি অ্যালবামের মোড়ক

জলসা পাকিবেদক ।। ১ এপ্রিল, ২০১১

দেশের প্রথিতযশা সংগীত সংগঠন সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর নতুন অ্যালবাম বাজারে এসেছে। ‘ল্যাঞ্জা কাটা সেই ছাগুটি’ এ অ্যালবামে মোট ১০ টি দেশাত্মবোধক গান রয়েছে। ইতোমধ্যে গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ হয়েছে। পাকিস্তানের উঠতি বয়সী ৬ জন মুজরা শিল্পী এসব ভিডিওতে অভিনয় করছেন। সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর দলনেতা মো: ইবনে আজম জানান, এ প্রথম বাংলাদেশের কোন মিউজিক ভিডিওর শুটিং পাকিস্তানের লাহোরে হয়েছে এবং একইসাথে ৬ জন মুজরা শিল্পী মিউজিক ভিডিওতে অংশ নিচ্ছেন।

মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করা একজন মুজরা শিল্পী

March 30, 2011

দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদে গেলমান শিবিরের প্রতিবাদ

চুইংগাম ডেস্ক ।। ৩০ মার্চ, ২০১১

গতকাল মঙ্গলবার দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় ‘‘শনিবার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে জড়ো হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তির দাবিতে মিছিল করার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় গ্রেফতার হয় ১৭ শিবির ও জঙ্গি’’ গেলমান শিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গেলমান বৃন্দ।
গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে গেলমান সভাপতি ডা. মো. ফখরুদ্দিন মানিক ও সেক্রেটারি জেনারেল মো. দেলাওয়ার হোসেন বলেন, আমাদের কচি ছাগুদের জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ বে শরিয়তি, ভিত্তিহীন ও বেদায়াতের শামিল। মূলত গনহত্যা দিবস উপলক্ষে গত শনিবার সকাল ৯ টায় রাজধানীর নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ছাগুরা একটি বর্ণাঢ্য র্যা লি বের করে। নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে কাকরাইল মোড় হয়ে শান্তিনগর মোড়ে এক সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য চলাকালে হঠাৎ কোনরকম পূর্ব উস্কানী ছাড়াই খিছু খাসির রেজালাপ্রেমী পুলিশ সমাবেশরত খাসি ছাগলের ওপর হামলা চালায়। পুলিশের ব্যাপক ধরপরানি ও ছাগদৌড়ানিতে শতাধিক ছাগলের অংগচ্ছেদ ঘটে। প্রতিবাদে জানানো হয় ওরা শিরোনামেই ভুল করেছে। শিরোনামে উল্লেখিত “শিবির ও জঙ্গি” শব্দদু’টির প্রতি আংগুল তুলে জানান, “আমাদের সর্বজনস্বীকৃত গেলমানদের শিবির ও জঙ্গি বলে আখ্যায়িত করে বাকশালী পত্রিকা আবারো নগ্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমরা এর প্রতিবাদ করছি।”

%d bloggers like this: