Archive for ‘দেশের শত্রু’

February 19, 2012

বস্ত্র খুলে লন্ড্রীতে দিবো – দুদু রহমান

দুদু রহমান

নিজস্ব প্রতিনিধি

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা দুদু রহমান বলেছেন আওয়ামী লীগ নেতাদের জামা কাপড় খুলে লন্ড্রীতে ধুতে দিয়ে দিবেন।  চল চল ঢাকা চলো কর্মসূচি সফল করতে শনিবার ঝিনাইদহ শহরে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘মার্চ মাস হচ্ছে আওয়ামী লীগের জন্য আত্মসমপর্ণের মাস। আর বিএনপির জন্য এ মাস স্বাধীনতা যুদ্ধের।  যদি গণতন্ত্রকে মানতে হয় তবে শেখ মুজিবকে মানা যাবে না। কারণ, তিনি গণতন্ত্র হত্যাকারী। জিয়া হত্যাকারী। মুজিবের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে জিয়াকে হত্যা করা হয়।”

দুদু বলেন, “শেখ মুজিব হচ্ছেন জাতির পিতা, আর জিয়াউর রহমান হচ্ছেন গণতন্ত্রের পিতা। জিয়ার দু’সন্তান। গণতন্ত্র রহমান ও তারেক রহমান। এবার আপনারাই বলেন, কে বড়?”

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় আওয়ামী লীগের জন্মদাতা হচ্ছেন শহীদ জিয়াউর রহমান। তৃতীয় আওয়ামী লীগের জন্মদাতা হচ্ছেন তারেক রহমান। চতুর্থ আওয়ামী লীগের জন্মদাতা হচ্ছেন কোকো রহমান। পঞ্চম আওয়ামী লীগের জন্মদাতা হচ্ছি আমি দুদু রহমান। পিতা মানতে হলে আমাদেরকেই মানতে হবে।’

January 18, 2012

সারাদেশে ঝড় তুলবেন এরশাদ

ঝড় তুলবেন এরশাদ

রংপুর প্রতিনিধি

এরশাদ এবার সারাদেশে ঝড় তুলবেন। এর আগে কোনদিন সারাদেশে ঝড় তোলেননি। এবারই প্রথম তিনি এ কাজ করবেন। এরশাদ বলেন, “আমি প্রথমে লুঙ্গির কাছা তুলবো, পরে ঝড় তুলবো।” নদীর পানির নায্য হিস্যা আদায়ে তিস্তা অভিমুখে লং মার্চে ক্ষমতাসীন জোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে ঝড় তোলা হবে।

লুঙ্গির কাছার সাথে ঝড়ের সম্পর্ক নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “লুঙ্গির কাছা এক সাথে তুলে ফেলবেন না। একটু একটু করে তুলবেন। একটু একটু করে কাছা তুলবেন আর একটু একুট করে ঝড় উঠবে। অতীতে এরকমই ছিলো। জিনাতের উঠেছিলো, বিদিশার উঠেছিলো, আপনারও উঠবে।” তিনি আরো বলেন, “দেখুন, আপনি যখন কাছা তুলবেন, তখনই ঝড় উঠবে। অর্থাৎ, ঝড় তখনই উঠবে, যখন আপনি কাছা তুলবেন।”

এর আগে কখনো সারাদেশে ঝড় না তুললেও জিনাতের জন্য ফুল তুলেছিলেন এবং বিদিশার পায়ের কাঁটা তুলেছিলেন। ফুল এবং কাঁটা তুলতে লুঙ্গির কাছা তোলা লাগে না। কেবল ঝড় তুলতেই লুঙ্গির কাছা তুলতে হয়। এরশাদ বলেছেন, দু’নেত্রীকে দিয়ে আর কিছু হবে না। উনাদের বয়স হয়ে গেছে, তাই উনাদেরকে সরে যেতে হবে। উনারা সরে গিয়ে এরশাদকে সুযোগ দিতে হবে। সুযোগ দিলে তিনি সারাদেশে ঝড় তুলবেন।

January 9, 2012

মা হাসিনার কাছে ছাত্রলীগের চিঠি

মাগো, ওরা বলে রামদা চাপাতি কেড়ে নেবে। সোনার বাংলায় দাবড়ে বেড়াতে দেবে না। বলো মা, তাই কি হয়? তাইতো আমাদের বিষ উঠেছে। বিষ নামিয়ে পাকা কলার কলজে ভেঙে, তের হাজার বৈরাগীর কেশ ছিঁড়ে তবেই না গর্তে ঢুকবো। দস্যি মা, রাগ ক’রো না। মাত্রতো আর ক’টা মাস।

মাত্রতো আর ক’টা মাস। তারপর সোনার বাংলায় তেলাপোকা খুঁজে পাবে, চামচিকা খুঁজে পাবে, আমাদের আর পাবে না। মা বিশ্বাস করো এ দেশের মানুষ নষ্ট হয়ে গেছে, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে চলে গেছে! শুনেছি ওরা আমাদের রেপ করতে দেবে না, টেন্ডারবাজি ভুলিয়ে দেবে। জগন্নাথের দুষ্টু ছেলেরা বলেছে বাপের নাম ভুলিয়ে কপালে কাকুর নাম টাঙিয়ে দেবে। তোমার বাবার নাম ভাঙিয়ে খেতে দেবে না।

মাগো, মনে অনেক কষ্ট। দু:খের শেষ নেই জাহাঙ্গীর নগরে। ওরা আমাদের ক্যাম্পাসে উঠতে দেবে না। বলো মা, কী করে মেনে নিই! তোমার দোয়ায় সকালে একটারে ফেলে দিয়েছি। নিশ্চয় শুনেছো এর আগে বুয়েটে, কুয়েটে দিয়েছি, অ্যাঁ… ইয়ে করে দিয়েছি! এখন ক্যাম্পাসে উঠলেই ওরা দৌড়ের উপ্রে রাখে।

এইতো মা, ধৈর্য্য ধরো। আবার দুয়েকটা দেবো ফেলে, তারপর তোমার জন্য হাসি নিয়ে তবেই না ঘরে ফিরবো। দস্যি মা, রাগ ক’রো না। মাত্রতো আর ক’টা মাস। তোমার মৃত্যু কামনা করে স্টাটাস দিতে দিবো না!

“পাগলা কুত্তা আমার।” মা পড়ে আর ভেটকি মারে, “তোদের ওপরে রাগ ক’রতে পারি!” এইতো সেদিন তোদেরকে সতর্ক করে পিঠ চাপড়ে দিয়ে, এটা-সেটা আর কত দোয়া করে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারি। আমার রাঙা-ভাঙ্গা ভুতু, আয় আয় তু তু!

January 4, 2012

ছাত্রলীগের জন্মদিনে রামদা এসোসিয়েশনের শুভেচ্ছা

জন্মদিনের কেকের সামনে ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ

মগবাজার ডেস্ক

৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রলীগকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় লোকাল অস্ত্রশস্ত্র। দিবসের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশ দা সমিতি এবং রামদা এসোসিয়েশন যৌথভাবে ছাত্রলীগকে শুভেচ্ছা জানায়। দা সমিতি তাদের শুভেচ্ছা বাণীতে বলে, “ছাত্রলীগের বুকের উষ্ণতায় আমরা টিকে থাকবো যুগের পর যুগ। ছাত্রলীগ না থাকলে এতোদিনে ইতিহাস হয়ে যেতাম।”

রামদা এসোসিয়েশন শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে নিজেদেরকে ছাত্রলীগের অমর প্রেমিকা দাবি করে বলে, “জীবন পুরিয়ে যাবে, ভালোবাসা পুরোবে না জীবনে।” এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসোসিয়েশনের সভাপতি বাবু জয়রাম দা।

চলতি মৌসুমের উৎপাদনে ব্যস্ত থাকায় স্ব-শরীরে উপস্থিত হতে পারেনি চাপাতি সমিতির কেউই। প্রতিনিধি হিসেবে পাঠিয়েছিলো একটি মাঝারি সাইজের ছুরি। ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সভাপতির হাতে শুভেচ্ছাবাণী ধরিয়ে দিয়ে গলির মোড়ে এসে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।

এদিকে শুভেচ্ছা জানাতে এসে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছে হকিস্টিক যুব সংঘ এবং গজারি ফোরামের কর্মীরা। লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে হাতাহাতি এবং শেষে মারামারিতে পরিণত হলে ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ভেতর থেকে বের হয়ে আসেন। সেখানে উপস্থিত থেকে তিনি মারামারি পরিদর্শন করেন। শেষে বিজয়ী হকিস্টিক যুব সংঘের কর্মীদের সাথে হস্তমর্দন করেন এবং শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

শুভেচ্ছা গ্রহণ শেষে সেঞ্চুরিয়ান মানিক স্মরণে ৩০ সেকেন্ড নিরবতা পালন করা হয়। নিরবতা পালন শেষে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাত শেষে আর কিছু করা হয়নি।

অপরদিকে ছাত্রলীগের জন্মদিন উপলক্ষে শীর্ষস্থানীয় সার্চ এঞ্জিন গুগল এক চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। image.google.com এ গিয়ে “ছাত্রলীগ” লিখে সার্চ দিলেই এ প্রদর্শনী উপভোগ করা যাবে।  মহান ছাত্রলীগের দয়ায় প্রদর্শনী উপভোগের জন্য কোন টিকিট কাটতে হবে না।

December 25, 2011

তিতাস নদীতে বাঁধ দিয়ে টিপাইমুখের প্রতিশোধ নিলো বাংলাদেশ

তিতাসের উপর দেয়া বাংলাদেশের বাঁধ

বাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

তিতাস নদীর বুকে মাটির বাঁধ দিয়ে ভারতের উপর প্রতিশোধ নিলো বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দেশের সাথে নদী বিরোধ আজকালের নয়। এর আগে ফারাক্কা বাঁধ নিয়েও বাংলাদেশের সাথে ভারতের বিরোধ হয়েছিলো। সর্বশেষ বরাক নদীর টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিবাদ করে আসলেও ভারত কথা শুনেনি। তাই বাংলাদেশও তাদের তিতাস নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কৃষিকাজকে হুমকীর মুখে ঠেলে দিলো।

পানিসম্পদমন্ত্রী শ্রী রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, “টিপাইমুখে বাঁধের কারণে আমাদের কেবল সিলেট জেলা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। অপরদিকে তিতাসে বাঁধ দেয়ার ফলে ভারতের পুরো একটি অঙ্গরাজ্য ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চুপ ছিলাম। এখন একটু নড়েছড়ে বসার সময় এসেছে।”

এদিকে বাংলাদেশের এ ধরনের কার্যক্রমের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। মনমোহন সিং তার বাণীতে বলেন, “বাংলাদেশের এমন সাম্রাজ্যবাদী আচরণ ভারতের জনগণ মেনে নেবে না। বাংলাদেশকে অনুরোধ করবো অনতিবিলম্বে তিতাসের বুক থেকে বাঁধ উচ্ছেদ করতে।” সোনিয়া গান্ধী তার বাণীতে বাংলাদেশের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। নদীর প্রাপ্য হিস্যা আদায়ে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে যাবার হুমকীও দেন তিনি।

ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা এল কে আদভানী তিতাস অভিমুখে লংমার্চ করার ঘোষনা দিয়েছেন। আজ সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। অপরদিকে গান্ধীবাদী নেতা আন্না হাজারে আখাউড়া সীমান্তে আমরণ অনশন করবেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অনশনের জন্য স্পন্সর ম্যানেজ হলেই তিনি আখাওড়া সীমান্তের দিকে রওনা দেবেন।

তিতাসের উপর বাঁধ দেয়ার পর ট্রানজিটের আওতায় আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে চলাচল করা ভারতীয় ভারীযানগুলো নিকটবর্তী সেতু থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব যানবাহন এখন মাটির রাস্তা দিয়ে চলাচল করবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপুমনি বলেন, “বেশি গাদ্দারী করলে এরকমই হয়। এবার বুঝো ঠ্যালা!”

গোপালগঞ্জর  টুঙ্গিপাড়া থেকে উৎপত্তি হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উপর দিয়ে তিতাস নদী চলে যায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে। শীত মৌসুমে জলের জন্য ত্রিপুরার মানুষ তাকিয়ে থাকে টুঙ্গিপাড়ার দিকে। এ প্রথম জলের সুইচ অফ করে দিয়ে এক মহা সংকটে ফেলে দিলো ত্রিপুরাবাসীকে।

 

 

December 8, 2011

ভারত একটি দরিদ্র দেশ : পাটমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী

নিজস্ব সংবাদদাতা

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন “ভারত একটি দরিদ্র দেশ, বাংলাদেশের উচিত ভারতের জনগণের পাশে দাঁড়ানো। প্রতিবেশী হিসেবে এটা আমাদের কর্তব্য।”

“ভারতীয় মেয়েদের মিনি স্কার্ট এবং প্রতিবেশী দেশের লজ্জা” শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সম্প্রতি সরকারের নেয়া এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে বাংলাদেশের পাট কেবল ভারতে যাবে, বিশ্বের আর কোন দেশে বাংলাদেশ পাট রপ্তানি করবে না। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের এমন সিদ্ধান্তকে আত্মঘাতী বলছে বিশ্লেষকরা।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “আওয়ামীলীগের কোন ভুল নেই। পাট নিয়ে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত দেশের ভাবমূর্তী উজ্জ্বল করবে। অহেতুক কিছু লোক বিরোধিতা করছে।”

সরকার হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জানতে চাইলে মন্ত্রী জানান “ভারতের মানুষ বেশ দরিদ্র। ওরা টাকার অভাবে জামা কাপড় কিনতে পারে না। সাধারণ মানুষতো বটেই, বলিউডের মেয়েরাও টাকার অভাবে ভালো জামা কিনতে পারে না। ছোটছোট জামা পরে দিন কাটাতে হয়।”

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশ থেকে পাট গেলে সেখান থেকে সূতা হবে। এরপর সে সুতা দিয়ে জামা বানিয়ে ওরা পরবে।”

এ নিয়ে বিতর্কের কোন অবকাশ নেই বলে দাবি করেন মন্ত্রী লতিফ সিদ্দীকী।

December 7, 2011

বাংলাদেশের ৩ মন্ত্রী ও ২ উপদেষ্টাকে বেতন দিচ্ছে ভারত

বাংলাদেশের রেমিট্যান্সে যুক্ত হচ্ছে ভারতীয় মুদ্রা

কূটনৈতিক প্রতিনিধি

চলতি মাস হতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, পানিসম্পদমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দু’উপদেষ্টা ভারত সরকার থেকে বেতন নিচ্ছেন। গতকাল ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ খবর বাংলাদেশে পৌঁছুলে সন্ধ্যায় রাজধানীর রাস্তায় আনন্দ মিছিল বের করে উচ্ছ্বসিত জনতা। মিছিলে “হায় ভারত!” “হায় ইন্ডিয়া!” মাতম করা হয়।

তিস্তাচুক্তি ও ট্রানজিট ইস্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপু মনি, ভারত ছাড়া অন্য দেশে পাট রপ্তানি বন্ধ করে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, অভিন্ন নদনদীর পানিবন্টন ও রাষ্ট্রীয় পানিসম্পদ রক্ষণাবেক্ষনে ব্যর্থ পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন এবং এসব বিষয়ে ধারাবাহিক ভারতের চামচামি করার কারণে প্রধানমন্ত্রীর দু’উপদেষ্টা গওহর রিজভি ও মশিউর রহমানকে বেতন দিতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশের জনগণ। বিষয়টি ভারত সরকারের নজরে আসে।

ভারত সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের দুস্থ ও অসহায় পূনর্বাসন তহবিল থেকে বাংলাদেশ সরকারের এসব কর্মচারীকে বেতন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়। ভারত সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের জনগণ স্বাগত জানিয়েছে।

এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী বলেন, “অনেক চেষ্টা সাধনার পর আমরা সফল হয়েছি। আমি এবং আমার সহকর্মীরা ভারত সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ। দাদারা আছেন বলেই কোনমতে ডালভাত খেয়ে বেঁচে আছি।” তিনি আরো বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সাফল্য।”

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দু’উপদেষ্টার ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করলে গওহর রিজভী বলেন, “দাদা আমাদেরকে দিয়েছেন, তাতে আমাদের হয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট।”

এদিকে আগামীকাল ভোরে ভোরে উল্লেখিত মন্ত্রী এবং উপদেষ্টাগণ সিলেট সফরে যাচ্ছেন। সেখানে বরাক নদীর টিপাইমুখে জলে পুষ্পভোগ দিবেন ভারতমাতাকে উৎসর্গ করে। পরে স্থানীয় জনগনের মাঝে প্রসাদ (তবারক) বিতরণ করা হবে।

August 1, 2011

ছাত্রলীগ নেতারা পরীক্ষায় পাস করেছে

নিজস্ব পাকিবেদক ।। ১ আগস্ট ২০১১

চলতি বছরের এপ্রিলে শুরু হয়েছিলো ছাত্রলীগকে নিরক্ষরমুক্ত করার অভিযান। ঐতিহ্যবাহী এ ছাত্র সংগঠনকে টেন্ডরবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী এবং ছ্যাঁছড়ামি থেকে দূরে রাখতে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। পরের বছর ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এরই মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। বরাদ্ধকৃত অর্থ যাতে গচ্ছা না যায়, সে জন্য ২ মাস ব্যাপী শর্ট কোর্সের আয়োজন করা হয়। যার মাধ্যমে ছাত্রলীগ নেতাদের মেধা যাছাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে।

শর্টকোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীদের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়। এ যাত্রায় ভালো ফলাফল করলেও প্রকল্প কর্মকর্তারা ভরসা করতে পারেননি। পরবর্তীতে তাদের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা নেয়া হয়। ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মালবাহী ট্রাকের গায়ে লেখনী কার্যক্রমের দ্বায়িত্ব দেয়া হয় ছাত্রলীগকে। বেশ সফলতার সাথে এখানেও কৃতিত্বের ছাপ রাখে মেধাবী নেতারা।

শর্টকোর্সের সনদ বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রকল্প প্রধান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, “ছাত্রলীগ নেতাদের সফলতা দেখে আমি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। আমার বিশ্বাস এদেরকে দিয়ে দেশের যানবাহনের গায়ে লেখনী শিল্পের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। রাষ্ট্রপতি কখনোই এ বিপ্লবকে ক্ষমা করতে পারবেন না।”

তিনি আরো বলেন, “ভবিষ্যতে আমরা ছাত্রলীগ নেতাদের বিদেশেও রপ্তানী করতে পারবো। আফ্রিকা অঞ্চলে এ ধরনের কাজের বিশাল সম্ভাবনা সৃষ্টি হলেও স্থানীয়ভাবে ওই অঞ্চলে এক্সপার্টের অভাব আছে।”

পরে ছাত্রলীগ নেতাদের অংকন করা একটি ট্রাকের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

ছাত্রলীগ নেতাদের লেখা ট্রাকের বডি :: ছবি - Sad but True

July 30, 2011

আওয়ামীলীগ কর্ণেল অলির বুকের বামপাশে লাত্থি মেরেছে

কর্ণেল অলি হেয়ার কাট

নিজস্ব পাকিবেদক ।। ৩০ জুলাই ২০১১

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, ‘প্রধান বিরোধী দল বিএনপি আমাদের পিঠে লাত্থি মেরেছে। পক্ষান্তরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আমাদের তলপেটে উষ্ঠা মেরেছে এবং বুকের বামপাশে লাথি দিয়েছে। যে পাশে হৃদয় থাকে।’ তিনি বলেন, আমাদের হৃদয়ের ভেতরে বাংলাদেশের পতাকা আছে। আওয়ামীলীগ আমাদের বুকে লাত্থি মারেনি, এ দেশের পতাকায় লাত্থি মেরেছে।

এলডিপি আশা করে জাতীয়তাবাদী শক্তির মাধ্যমে চিত্রনায়িকা মুক্তি ফিরে আসবে। আজ শনিবার মেসার্স এলডিপি হেয়ার ড্রেসার সেলুন পরিদর্শনে গেলে সেখানে উপস্থিত গ্রাহকদের এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, “পিঠে লাত্থি মারলে ব্যাথা কম। তাছাড়া ঘর থেকে লাত্থি মেরে বের করতে চাইলে পিঠে লাত্থি মারার বিকল্প নেই।” কর্ণেল অলি আহমেদ কোনভাবেই বিএনপিকে দোষ দিতে রাজি নন। সেলুন দোকানে উপস্থিত গ্রাহকদের তিনি বলেন, “পেটে খেলে পিঠে সয়। জিয়াউর রহমান আমাকে পেটে খাইয়েছেন। এখন তার স্ত্রী যদি পিঠে লাত্থি মারে, তাহলে সমস্যার কিছু নেই। তাছাড়া মুরুব্বীরা বলেছেন, দুধ দেয়া গাভী লাত্থি দিলেও ভালো।”

এসময় স্থানীয় কয়েকজন যুবদল নেতা কর্ণেল অলি হেয়ার কাট গ্রহণ করেন। নেতারা বলেন, “কর্ণেল অলি হেয়ার স্টাইল বেশ আকর্ষনীয়। চুলের যতটুকু কালো ততটুকু অভিনয়। আর যতটুকু সাদা ততটুকু বাস্তব। যা আমাদের দলের নীতির সাথেও মিলে যায়। তাই নেত্রীর নির্দেশে আমরা সবাই এ স্টাইলে চুল রাখবো।”

July 24, 2011

আমিনীর মাথায় মাল উঠেছে

নিজস্ব পাকিবেদক ।। ২৪ জুলাই ২০০১১

রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা খাওয়ার পর মুফতি আমিনীর মাথায় মাল উঠে গেছে। তিনি এখন মাল ব্যবস্থাপনায় চরম ব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন। সংবিধানকে ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলে দেয়ার হুমকীর অপরাধে আমিনীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দেয়া হয়। এর আগে যখন হাইকোর্ট থেকে আমীনির বিরুদ্ধে রুল জারি হয়, তখনই নাক বরাবর মাল উঠে যায়। তিনি বলেছেন মেজাজ গরম হয়ে মুখ ফসকে বলে ফেলেছেন, আসলে এটা তার কলপের কথা নয়।

আজ এক সংবাদ সম্মেলনে আমিনী চ্যালেঞ্জ করে বলেছেন, ‘এ দেশে আমার মত দেশপ্রেমিক আর একজনও নেই।  দেশে একমাত্র দেশপ্রেমিকা শেখ হাসিনা এবং একমাত্র দেশপ্রেমিক মুফতী আমিনী। এ নিয়ে সংবিধানের সাথে ইসলামের কোন বিরোধ নেই।”

আমিনী আরো বলেন, “কোরআন হাতে নিয়ে রাজপথে নেমে প্রমান করেছি কোরআনকে কতটুকু মহব্বত করি। এবার সংবিধান হাতে রাজপথে নেমে প্রমান করবো সংবিধানকে কতটুকু মহব্বত করি!”

সংবিধানকে কোরআনের সাথে তুলনা করে তিনি বলেন, তার বাসায় কোরআন এবং সংবিধান পাশাপাশি থাকে। এ দুইটাক আলাদা করা যায় না। যেমন আলাদা করা যায় না আমিনী এবং ফতোয়াকে।

দেশের ইসলাম প্রিয় তৌহিদী জনতাকে সংবিধান হাতে নিয়ে রাজপথে নামার আহবান জানিয়েছেন মুফতি আমিনী। এসময় তিনি বলেন, “যার ঘরে যতটুকু সংবিধান আছে, তাই নিয়ে জিহাদে নেমে পড়ো। এবারের সংগ্রাম সংবিধানকে মহব্বত করার সংগ্রাম।”

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করেছেন মুফতি আমিনী। যে সংবিধানে বিসমিল্লাহ লেখা আছে, সে সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলার কথা বলে বেগম জিয়া ইসলামকে অপমান করেছেন, আল্লাহকে অপদস্থ করেছেন। এদেশের ৯০ভাগ মুসলমান জনগন বিএনপির বিচার করবে বলে দাবি করেন মুফতি আমিনী।

এসময় শেখ হাসিনার প্রশংসা করে তিনি বলেন “খালেদা জিয়ার বেশভুষা দেখলেই হিন্দি সিনেমার নায়িকার মতো মনে হয়। এ মহিলার হাতে দেশের ইসলাম নিরাপদ নয়।”

আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিলে ঈমান থাকবে না বলে ফতোয়া দেন মুফতি আমিনী। সাংবাদিকদের সামনে জনগনকে উদ্দেশ্য করে মুফতি আমিনী বলেন, “দযার নবী মোস্তফার হাত ধরে আমরা কোরআন পাই। তাই রাসূলের সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন করি। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে পবিত্র সংবিধান পেয়েছি, তাই বঙ্গবন্ধুর আওযামীলীগকে ভোট দেয়া প্রত্যেক মুসলমানের ধর্মীয় দাযিত্ব।”

সংবাদ সম্মেলন শেষে টুপি খুলে মাথার তুলির উপরে উঠে আসা সামান্য মাল সাংবাদিকদের দেখান। পরে খালেদা জিয়ার বিচার চেয়ে এক মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

%d bloggers like this: