Archive for ‘জামায়াত’

May 19, 2013

চাঁদে বিস্ফোরণ, সাঈদীর মেশিন ক্ষতিগ্রস্থ

নাসা থেকে পাওয়া এক্স-রে রিপোর্টে মেশিনের বটম লাইনে ফাটল দেখা যাচ্ছে।

নাসা থেকে পাওয়া এক্স-রে রিপোর্টে মেশিনের বটম লাইনে ফাটল দেখা যাচ্ছে।

মহাকাশ প্রতিবেদক ::

চাঁদের পৃষ্ঠে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কোন রকম ফটোশপ ছাড়াই পৃথিবীর মানুষ তা দেখতে পায়। কিন্তু বিস্ফোরণটি মাত্র ১ সেকেন্ড স্থায়ী থাকায় অনেকেই তা দেখতে পাননি। কেবল যে কলিজু সম্প্রদায় সাঈদীকে দেখার জন্য সবসময় চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকেন, তাঁরাই দেখতে পেয়েছেন।

বিস্ফোরণ সম্পর্কে নাসা জানিয়েছে, চাঁদের যে অঞ্চলে সাঈদী অবস্থান করেন, কোন কিছু বুঝে উঠার আগে সেই অঞ্চলে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের উৎপত্তিস্থল ছিলো সাঈদীর মেশিন থেকে মাত্র ২২ গজ দূরে।

নাসা জানায় ৪০ কেজি ওজনের প্রায় এক মিটার প্রস্থের একটি মেটিওরয়েড ঘন্টায় ৫৬ কিলোমিটার বেগে চন্দ্রপৃষ্ঠে আঘাত হানে। এতে আল্লামা সাঈদীর সাড়ে সাত ইঞ্চি দীর্ঘ মেশিনের বটম লাইনে ফাটল ধরে। নাসার বিজ্ঞানীরা প্রায় দেড় ইঞ্চি দীর্ঘ ফাটল পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখছেন।

এদিকে বিস্ফোরণের কারণে চাঁদে নতুন করে পানির অস্তিত্ব দেখা গিয়েছে। মাঝারি আয়তনের কমপক্ষে তিনটি জলাশয়ের সন্ধান পেয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। সেখানে প্রচুর লইট্টা ফিশ কিলবিল কিলবিল করতে দেখা গেছে।

মেশিনের বটম লাইনে ফাটলের দৃশ্য সরাসরি দেখার পর কলিজু সমাজে শোকের ছায়া নেমে আসে। দেখা দেয় মানবিক সংকট। তীব্র থেকে তীব্রতর এই মানবিক সংকট মোকাবেলায় হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিরলসভাবে কাজ করছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কলিজুরা একে অপরকে জড়াজড়ি করে ধরে কান্নাকাটি করছেন ও কিছুক্ষণ পর পর শোকে ভেঙে পড়ছে।  ভেঙে পড়লে স্বেচ্ছাসেবকরা আবার টেনে তুলে দিলে কলিজুরা আবারো কান্নাকাটি করতে করতে ভেঙে পড়ছেন। এভাবে স্বেচ্ছাসেবকরা টেনে তুলে দিচ্ছেন, আর কলিজুরা ভেঙে পড়ছেন।

বিস্ফোরনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী টুকু জানান, “আচমকা সাঈদীর মেশিন নড়িয়া উঠিলে চন্দ্রের পৃষ্ঠে এই বিস্ফোরণ কর্ম ঘটিয়া যায় বলে ধারনা করা হচ্ছে।”

January 4, 2013

মিসেস সাঈদী বিস্মিত!

ইনার মেশিনও ছোট - মিসেস সাঈদী

ইনার মেশিনও ছোট – মিসেস সাঈদী

আদালত প্রতিনিধি

আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন খানকির পোলা আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর স্ত্রী দৈনিক প্রথম আলোর প্রতি ব্স্মিয় প্রকাশ করেছেন। আজ রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিস্ময় প্রকাশ করেন।

মিসেস সাঈদী বলেন, “দৈনিক প্রথম আলো একটি বিস্ময়কর পত্রিকা। মতিউর রহমান একটি বিস্ময়কর সম্পাদক। আমি এখন বিস্মিত।”

তিনি বলেন, “একটি পত্রিকা মেশিন কেলেংকারি নিয়ে নিউজ করতে পারে না, অথচ কথতি স্কাইপি কেলেংকারি নিয়ে নিউজ করে; আমি অবাক হয়ে গেছি!”

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে বিস্ময়কর সম্পাদক মতিউর রহমানের মেশিন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন মিসেস সাঈদী। তিনি বলেন, “যত গন্ডগোল সব মেশিন নিয়ে। মতিউর রহমানের মেশিন ছোট না হলে মেশিন কেলেংকারি বাদ দিয়ে কথিত স্কাইপি কেলেংকারি নিয়ে নিউজ করতো না। তার মেশিনে ইট বেঁধে রাখা হোক, মেশিন বড় না হলে এই বানচুদ কখনো মানুষ হবে না।”

মেশিন কেলেংকারি নিয়ে নিউজ না করার ফলে দৈনিক প্রথম আলো ভবিষ্যতে যেকোন কেলেংকারি নিয়ে নিউজ যোগ্যতা হারিয়েছে বলে দাবি করেছেন সাঈদীর স্ত্রী।

আসিফ নজরুল থেকে পিয়াস করিম, সাঈদী থেকে মতিউর রহমান পর্যন্ত সবার মেশিনে এরর দেখাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। কিন্তু মেশিনগুলোর যেহেতু ওয়ারেন্টি নেই এবং মেরামতেরও উপযোগী না, সেহেতু ক্রুটিযুক্ত মেশিন কেটে ফেলে দেয়ার পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, “দুষ্টু গরুর চাইতে শূণ্য গোয়াল ভালো।”

এ (মেশিন) বিষয়ে বিশ্বের এক নম্বর বাংলা পত্রিকা দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করেন পাকিস্তানের এক নম্বর অনলাইন পত্রিকা দৈনিক মগবাজারের সম্পাদক। প্রথমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পরে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, “ওটার (মেশিন) বড়াই করো নাকো, ওটাতে (মেশিন) কী হয়; ওটা (মেশিন) থাকলেই কি আর এক নম্বর সম্পাদক কয়?”

December 31, 2012

পানের চাহিদা বেড়েছে অবিশ্বাস্যভাবে

পান সুপারি খাও, কামে জোর বাড়াও

পান সুপারি খাও, কামে জোর বাড়াও

মতিউর রহমান, কাওরান বাজার থেকে

কয়েকদিন ধরে রাজধানীর পানের আড়তগুলো দুপুরের আগেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। কোন আড়তদার এক গন্ডা পানও রেখে যেতে হচ্ছে না। সব পান বিক্রি হয়ে যাচ্ছে নিমিষেই। এ নিয়ে কাওরান বাজারের পান ব্যবসায়ীদের মাঝে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। অনেকে আবার হঠাৎ এমন রমরমা ব্যবসার কারণ বুঝতে না পেরে রহস্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে আমীনির মৃত্যুর পর হঠাৎ পান ব্যবসায় ধ্বস নামে। এরই মাঝে অনেকে পান ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এখন আবার পরিস্থিতি ঘুরে গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন টাকা পয়সা নিয়ে ঢাকায় আসছেন পানের আড়ত খোলার জন্য।

এদিকে বর্তমানে দেশে যে পান উৎপাদন হয়, কিংবা যতটুকু পান বিদেশ থেকে আমদানী হয়, তা দিয়ে চলমান চাহিদা পূরণ করা যাবে না বলে ব্যবসায়ীরা জানান। তাই নতুন নতুন এলসি খুলতে হচ্ছে। কিন্তু সরকারের আমদানি নীতির দীর্ঘসূত্রিতার ফলে পান আসতে দেরি হচ্ছে এবং অধিকাংশ ক্রেতাকে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

কিন্তু কেন এতো চাহিদা? হঠাৎ করে পানের বাজারের দৃশ্যপট এভাবে পাল্টালো কেন? এসব প্রশ্নের জবাব জানতে কথা বলি কয়েকজন ক্রেতার সাথে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্রেতাই জবাব না দিয়ে মুচকি হেসে চলে যান।

অনেক চেষ্টার পর এক ক্রেতার সাথে কথা বলতে সক্ষম হই। তিনি জানান, “হুজুর বলেছেন একদিকে পান চলবে, আরেকদিকে কাজ চলবে!”

এরপর আমরা অনুসন্ধান চালাই। অনুসন্ধানে জানা গেছে সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর ফোনসেক্সের অডিও। সেখানে তিনি তার প্রিয়তমার সাথে সেক্সের এক পর্যায়ে বলেন “আমি একটু পান খেয়ে নিই। একদিকে পান চলবে, আরেকদিকে কাম চলবে!” এরপর থেকে মূলত পানের বাজারে চাহিদার তুফান লাগে।

বাজারে এক ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, রাজশাহী থেকে কিছু পান আসছে। তার কাছে এক বিড়ার মত পান আছে, আপাতত তাই নিয়ে বাসায় যাচ্ছেন। ফজরের পর আড়তে ফিরবেন।

তিনি বলেন, “পান যেহেতু আছে, মেশিন চলবে!”

পান কিভাবে কামের যোগান দেয়, জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, “তা জানি না, কিন্তু মেশিনতো চলছে!”

December 31, 2012

সাঈদীর ফোনসেক্স!

December 31, 2012

সাঈদীর মেশিন কেলেংকারি, ময়ূরীর প্রতিবাদ

বিএনপি নেত্রী ময়ূরী ও জামায়াত নেতা সাঈদী

বিএনপি নেত্রী ময়ূরী ও জামায়াত নেতা সাঈদী

মেশিন প্রতিনিধি

ঘটে গেলো ইতিহাসের সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক মেশিন কেলেংকারি। পৃথিবীতে আর কখনো, কোনদিনও, কোন সময় হুজুরের মেশিন নিয়ে এরকম ভয়াবহ কেলেংকারির ঘটনা ঘটেনি। অথচ মেশিন এখনো চলছে!

নিন্দা জানিয়েছেন রামুর তদন্ত নায়ক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। যেহেতু ফোনে মেশিন চালানোর কেলেংকারি ফাঁস হয়ে গেছে, সেহেতু হুজুরকে নতুন করে মেশিন চালাতে হবে এবং অপরপ্রান্তে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার মেয়েটিকে পদত্যাগ করতে হবে বলে মনে করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ।

মওদুদ বলেন, “এটাতো এখন দিবালোকের মতো সত্য যে, এখানে কেলেংকারি আছে। দেশের জনগণ বিষয়টি শুনেছে। সুতরাং মেশিন এখনই বন্ধ করতে হবে। পুনঃরায় প্রথম থেকে মেশিন শুরু করতে হবে। এবং অবশ্যই মেয়েটিকে পদত্যাগ করতে হবে। সে এখন তার দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা হারিয়েছে। এভাবেতো একটা মেশিন চলতে পারে না, তাই না!”

মওদুদ আরো বলেন, “রিস্টার্ট মেশিন, প্লীজ!”

এদিকে মেশিনের সাইজ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। কেউ বলছেন, সাড়ে সাত ইঞ্চির বেশি, কেউ বলছেন কম! সর্বশেষ মুখ খুলেছেন বিএনপি নেত্রী চিত্রনায়িকা ময়ূরী। ময়ূরীর মতে হুজুরের মেশিনের সাইজ কোনভাবেই সাড়ে সাত ইঞ্চি হতে পারে না।

তিনি বলেন, “বিএনপি নেত্রী হিসেবে হুজুরের কাছে অনেকবার গেছি। হুজুর বলিষ্ঠ, হুজুর আসল পুরুষ। এসব কথা অনেকবার শুনেছি। কিন্তু হুজুর আমার সামনে কোনদিনও মেশিন বের করেননি। কেন বের করেননি, সে রহস্য আজো ধরতে পারিনি। মেশিন যদি সাড়ে সাত ইঞ্চিই হতো, যদি সত্যিই আসল পুরুষ হতেন, তাহলে ঠিকই বের করতেন।“

ময়ুরী বলেন, “ইসলামী ছাত্রী সংস্থার বাচ্চা মেয়েদের সাথে হুজুর পোর্ট্যাবল মেশিন ব্যবহার করেন; এটা ঠিক না। হুজুর আমাকে অপমান করেছেন।“

বিএনপির আরেক বলিষ্ঠ নেত্রী এডভোকেট আসিফা আশরাফী পাপিয়ার মন্তব্য জানতে ফোন করলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মেশিন এখনো চলছে। হুজুর বলেন, “মেশিন চলবেই! মওদুদ চোদানির পোলার নিপাত যাক, দূরে গিয়া মুড়ি খাক!”

August 28, 2012

গোলাম আজমের গর্ভের সন্তান কোথায়?

স্বামীর সন্তানকে পথে পথে খুঁজে বেড়াচ্ছেন স্ত্রী সৈয়দা আফিফা আজম

অধ্যাপক গোলাম আজমের স্ত্রী সৈয়দা আফিফা আজম সম্প্রতি এক বিবৃতি দিয়েছেন। তার বিবৃতিখানা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বিকৃত অবস্থায় প্রকাশ করে। দৈনিক মগবাজারের হাতে এর মূল কপি এসে পড়েছে। নিচে তা হুবহু তুলে দেয়া হলো -

আমার স্বামী অধ্যাপক গোলাম আজম। তিনি আমার একমাত্র স্বামী। আমার স্বামীর কোথাও কোন ব্রাঞ্চ নাই। ৯০ বছর বয়সে আজ দীর্ঘ ৭ মাস তিনি কারাবন্দী। গোলাম এখন ৭ মাসের গর্ভবতী। আপনারা জানেন ৭ মাস খুব বিপদজনক সময়। আর মাত্র ৩ মাস পর প্রসব যন্ত্রনায় কাতর হয়ে ডেলিভারি করবেন। আমরা উনার জন্য মাদার হরলিক্স, সবুজ শাক সবজি, দুধ, ডিম সরবরাহ করতে চেয়েছি। আমরা চেয়েছি নতুন জামা কাপড় পরিয়ে গর্ভবতীকে সাজাতে। কিন্তু সরকার দিচ্ছে না। এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। কর্তৃপক্ষের ভাব দেখে মনে হয় তাদের বাপ ভাইরা কখনো গর্ভবতী হয় নাই।

গোলাম আজমের প্রতি এমন অবহেলা ধৃষ্টতার সামিল। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা আল্লাহর দেয়া রিজিক ভোগ করে সরকারের ইশারায় আমার স্বামীর সাথে সাম্রাজ্যবাদী আচরণ করে যাচ্ছে। বর্তমান অবস্থায় অধ্যাপক গোলাম আজমের জীবন নিয়ে আমরা শংকিত। গ্রেফতার হওয়ার সময় তার ওজন মোবারক ছিলো ৭২ কেজি। তখন তার গর্ভের সন্তান মোবারকের কোন ওজন ছিলো না। এখন গর্ভের ৭ মাসের সন্তান মোবারকের ওজন সহ আমার স্বামীর ওজন সাড়ে ৭৫ কেজি হওয়ার কথা। কিন্তু তার ওজন এখন ৬৫ কেজি। আমরা খবর পেয়েছি পেট কেটে ৩ মাস আগেই সন্তান বের করে ফেলা হয়েছে। এ সন্তান বিক্রি করে দিয়ে সে টাকা পদ্মা সেতু ফান্ডে জমা দিয়ে দিয়েছে সরকার। আমাদেরকে একটা রিসিপটও দেয় নাই। আমাদের মনে একটাই প্রশ্ন, “সরকার এ সাহস পায় কোথায়!”

আমার স্বামী ও তার নবজাতকের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে সরকার। পেট কেটে সন্তান বের করার পর আজান দেয়নি, মুখে মধু দেয়নি বেদ্বীন বেঈমান বুর্জোয়া সরকার। আমরা জানি এ সরকারের উপর আল্লাহর গজব পড়ে যাবে। আমার স্বামীর নবজাতক সরকারকে অভিশাপ দিচ্ছে।

আপনারা জানেন বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া অধ্যাপক গোলাম আজমকে নিয়ে কোন কথা বলছেন না। বলছেন না তার নবজাতককে নিয়ে। বলবেনই বা কেন? সন্তানের মর্যাদা কী খালেদা বুঝেন! তার এক সন্তান মালেয়শিয়ায় গার্মেন্টসে কাজ করে। আরেক সন্তান লন্ডনে চাঁদাবাজি করে। দুই ছেলের এক ছেলেও তার কাছে নাই। তারা এখন দূরে দূরে। তিনি তার ফালুকে নিয়ে কেবল সৌদি আরব যান। তারেক যেন তার পুত্র নয়, কোকো যেন জিয়ার পুত্র নয়।

যাই হোক, এখন কর্তৃপক্ষের কাছে আমার স্বামীর নবজাতককে ফিরে পেতে চাই। আমি নিজ হাতে সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল, মিঠা নদীর পানি আর খোদার মেহেরবানি খাইয়ে তাকে বড় করবো। আর যদি সরকার আমার স্বামীর সন্তানকে ফিরিয়ে না দেয়, তাহলে আমিও বলবো এ শহরে অধ্যাপক গোলাম আজমের বাপের অভাবও নাই সন্তানের অভাবও নাই। গোলামের এক ডাকে তার লাখ লাখ বাপ আর কোটি কোটি সন্তান এসে হাজির হয়ে যাবে। সরকার তখন পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।

তাই আমি আবারও বলছি সময় থাকতে গোলামের দেবদূতকে ফিরিয়ে দেয়া হোক। একই সাথে হুঁশিয়ারি দিচ্ছি তাকে, যিনি এ নবজাতক খরিদ করেছেন। তার উদ্দেশ্যে বলতে চাই, “তোমরা এ পিতৃ পরিচয়হীন সন্তানকে নিয়ে সুখে থাকতে পারবে না। সেও গোলাম আজমের মতো খানকির পোলা হবে। সুতরাং সময় থাকতে সাবধান হয়ে যাও। মায়ের বুকে তার সন্তানকে ফিরিয়ে দাও।”

কর্তৃপক্ষের জবাবের অপেক্ষায় থাকলাম।

June 17, 2012

মীর কাশেম গ্রেফতার, কান্নায় ভেসে যাচ্ছে সৌদি আরব!

শুয়োরের বাচ্চার চোখের ভেতরেও ছাগল নাচে!

নিজস্ব প্রতিনিধি

জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্যা ও দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলীকে গ্রেফতারের সাথে সাথে সৌদি আরবে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। বৃষ্টির রং গোলাপি। খবর নিয়ে জানা গেছে মীর কাশেম ছিলেন দুধেল গাই। তিনি নিয়মিত দুধ দিতেন। সে দুধ খেয়ে জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন বিএনপি, শিবিরের নেতাকর্মীরা শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতো। এখন চারিদিকে মহররমের মাতম লেগেছে। যেদিকেই কান পাতি খালি হায় কাশেম! হায় কাশেম! মাতম শোনা যায়।

কাশেমের গ্রেফতারের বিষয়টা আগেভাগে আঁচ করতে পেরে সৌদি আরব চলে গেছেন জামায়াতের মহিলা নেত্রী বেগম খালেদা আজম। বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে প্রথমে কাশেম গ্রেফতার হতে পারে, এমন পূর্বাভাস পেয়েছিলেন। পরে বুকের বাম পাশে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করেন। এরপর কোনমতে সৌদি আরব চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি কেঁদে দেন। বেগম খালেদা আজম শাড়ি ও লিপস্টিকের সাথে ম্যাচ করে কান্না করেন। তাঁর অশ্রুর রং গোলাপি। ঘটনার পর সেখানে এক হৃদয় বিদায়ক দৃশ্যের অবতারনা হয়। উপস্থিত সৌদি রাজ পরিবারের সদস্যরাও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ওরা সবাই খালেদার সামনে জল ছেড়ে দেন।

এদিকে হাজার হাজার গেলমান পশ্চাৎদেশে টু-লেট লাগিয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের চোখে জল টলমল করছে এবং কিছুক্ষণ পরপর মূর্ছা যাচ্ছে। শহরের লাখ লাখ মানুষের ভিঁড়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে একজন মীর কাশেমকে।

অপরদিকে মীর কাশেমকে গ্রেফতারের পর ডিমের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সুখবর হচ্ছে দেশের হাস মুরগীগুলো ডিম উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকি তাদের বিদেশী বন্ধুদের এ এদেশে আসতে আমন্ত্রন জানিয়েছে। সবাই মিলেমিশে বেশি বেশি ডিম পেড়ে আসন্ন সংকট মোকাবেলা করবে। হাঁস মুরগিগুলো জানিয়েছে, “দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ।”

কিছুক্ষণ আগে খবর পাওয়া গেছে দৈনিক প্রথম আলো অফিসের উটপাখিগুলোও আজ রাত থেকে ডিম উৎপাদন শুরু করে দেবে। উৎপাদিত ডিম যেন প্রথম আলো সম্পাদক বাসায় নিয়ে যেতে  না পারে, সেজন্য ড. আসিফ নজরুল ও ফারুক ওয়াসিফ নামের দুই ভাইকে পাহারা দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দু:খ সইতে না পেরে আসিফ ও ওয়াসিফ যেন ডিমের ব্যবহার শুরু করে না দেয়, এ জন্য দৈনিক আমারদেশ অফিস থেকে বদরুদ্দিন ওমর নামক এক ব্যক্তিকে হায়ার করা হয়েছে। ওরা সবাই মিলেমিশে ডিমের দেখভাল করবে।

মীর কাশেমের গ্রেফতারের খবরে মীর বংশের জামাতা মীরজা ফখরুল ইসলাম বলেন, “আমি জামাই বলে ওরা আমাকে ডিম দেয়নি। মীর বংশের ছেলে বলে কাশেমকে ওরা ডিম দেবে। এ সরকার বাকশালী জালেম সরকার।”

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মীর কাশেমকে গোলাপ জলের পানিতে গোসল টোসল করিয়ে, আতর মেখে ডিম থেরাপীর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

April 6, 2012

সাঈদীকে গালি দেয়ার কারণে আমার বিয়ে হয়েছে – প্রভা

বিনোদন প্রতিনিধি

জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী প্রভাকে কে না চেনে! তার জীবনে ঘটে যাওয়া দু:খজনক ঘটনাগুলো কে না জানে! কিন্তু আসলে কতটুকুইবা জানে? প্রভার বিয়ে নিয়ে বেরিয়েছে চাঞ্চল্যকর খবর। কী সে খবর? শুনুন প্রভার মুখে, “সাঈদীকে গালি দেয়ার কারণে আমার বিয়ে হয়েছে।”

প্রভা জানালেন, ‘কিছুদিন আগে তিনি প্রথমে সাঈদীর নাম মুখে আনেন। এরপর সাঈদীকে গালি দেন। তারপর তার বিয়ে হয়।’ এরপর আর কী হয়েছে, তা তিনি বলেননি।

এর আগে সাঈদীকে গালি দিয়ে বৃহত্তর নোয়াখালীর হাজিগঞ্জ উপজেলার মোটর মেকানিক ফজলু মিয়া লটারীর তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ১০ লক্ষ টাকা জিতে নেন। এরপর থেকে সারা বাংলাদেশে সাঈদীকে গালি দেয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

ফজলু মিয়াকে অভিনন্দন জানিয়ে তাচ্ছিল্যের সুরে প্রভা বলেন, “তারতো বিয়ে হয়নি!” তিনি বলেন, “ঠিকমতো গালি দিতে না পারার কারণে ফজলু মিয়া তৃতীয় পুরস্কার জিতেছেন। নইলে প্রথম পুরস্কার জিততে পারতেন। এর আগে ঠিকমতো গালি দিতে না পারার কারণে সারাদেশে প্রচুর মানুষ অসুস্থ হয়ে যায়। আমাদের উচিৎ সহী পদ্ধতিতে রাজাকারদের গালি দেয়ার উপায় সমূহ জেনে নেয়া।”

ফজলু মিয়াকে অভিনন্দন জানালেও ক্ষেপে আছেন নাম্বার ওয়ান শাকিব খানের উপর। প্রভা বলেন, “শাকিব অনেক চেষ্টা করেও নিজের জেন্ডার কনভার্ট করতে পারছেন না। যেহেতু তার কনভার্টার কাজ করছে না, সেহেতু তার উচিত সময় নষ্ট না করে সাঈদীকে গালি দিয়ে বিয়ে করে সুখে শান্তিতে স্বামীর সংসার করে যাওয়া।”

April 4, 2012

মগবাজারে কনডম ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে

মগবাজারের ফার্মেসীগুলোয় পাকিস্তানি সাথী কনডম এখন আর দেখা যায় না।

অর্থনৈতিক প্রতিনিধি

এক সময় কনডম বাণিজ্যের জন্য সুপ্রসিদ্ধ মগবাজারে কনডম ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে। জামায়াতে ইসলামীর অফিস এবং গোলাম আজমের বাসভবন এলাকায় বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি কনডম আড়ত। বন্ধ হওয়ার পর আড়তদাররা বেকার হয়ে যান।

আড়তদাররা জানান, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পক্রিয়া শুরু হওয়ার পর হঠাৎ করে রমরমা ব্যবসা ঠান্ডা হয়ে যায়। কেবল কনডম নয়, এ এলাকায় শান্ডার তেল এবং শ্রিপুরের বড়ির ব্যবসাও বেশ ভালো ছিলো। এখন আর কোথায় কী! সব শ্যাষ হয়ে গেছে গা!”

স্থানীয় লোকজনও বিষয়টি টের পেয়েছেন। জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আজমের এক প্রতিবেশী বলেন, “আগে ওই দিকটা থেকে কনডমের ভোটকা গন্ধ আসতো। এখন আসে না।”

তবে সবকিছু মিলিয়ে কনডম ব্যবসায় যতটুকু প্রভাব পড়েছে, তার পুরোটাই আমদানিকৃত কনডমের উপর পড়েছে। পাকিস্তান থেকে আমদানীকৃত সাথী কনডম এ এলাকায় খুব জনপ্রিয় ছিলো। এখন আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে।

কনডম ব্যবসার মন্দার কারণে মন্দা নেমেছে কাগজ কুড়ানো টোকাইদের ব্যবসায়। এ রকমই এক টোকাই বললো, “স্যার, ওই যে একটা অফিস আর এ কয়েকটা বাসার পেছন থেকে আমরা মোটা কাগজের কার্টুন কুড়াইতাম। তারপর তা বেইচা ম্যালা ট্যাকা পাইতাম। অহন আমরা গরীব হয়ে গেছি। ক্যান যে এরাম হইলো!”

সারি সারি কনডমের আড়ত বন্ধ হয়ে গেছে, বন্ধ হয়েছে বাতাসে কনডমের ঘ্রাণ প্রবাহ, ঝিমিয়ে পড়েছে জনজীবন। ঢাকার অনেক ঐতিহ্যের মতো আরো একটি ঐতিহ্য আমরা পেলাম। এক সময় মানুষ বলবে, একদা মগবাজারের বাতাসে কনডমের গন্ধ ভাসতো!

স্থানীয় লোকজন এলাকার এ ঐতিহ্য সংরক্ষণের দাবি জানান। তারা একটি নির্দিষ্ট যায়গা দেখিয়ে বলেন, “ঠিক এ যায়গায় একটা কনডম স্ট্যাচু স্থাপন করার জোর দাবি জানাচ্ছি।”

 

 

January 17, 2012

বিস্ময়কর পুরুষ গোলাম আজম!

খালেদা জিয়া ও গোলাম আজম

নিজস্ব প্রতিনিধি

আজমিয়া সুলতানা নামের চল্লিশোর্ধ্ব এক নারী সোমবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে প্রিজন সেলে আসেন গোলাম আযমের সন্তানের দাবি নিয়ে। এ সময় গোলাম আজমকে তিনি বাবা বলে পরিচয় দেন। এরপর থেকে প্রিজন সেলে একের পর এক দাবিদাররা আসতে থাকেন। কেউ বলছেন গোলাম আজম তাদের মা, কেউ বলছেন বাবা, কেউ বা আবার দুধমাতা বলেও দাবি করছেন।

অপরদিকে প্রিজন সেলের প্রস্রাবখানা কিবলামুখী বলে সন্দেহ হওয়ায় প্রস্রাবের কাঠি ঘোরাতে গিয়ে জিনিসটি বাঁকা করে ফেলেন। এ অবস্থায় হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের অনেকেই ফিরে আসার কারণে গোলাম আজমের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে এবং তিনি কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত হন।

দুপুরের পর হাসপাতালে আসেন বিশিষ্ট নদী গবেষক ড. আসিফ নজরুল। গোলাম আজমকে দুধমাতা দাবি করে তার সাথে দেখা করতে চান। এসময় আসিফ নজরুলের মুখে দুধ লেগে ছিলো। বিকেলের দিকে আসেন দৈনিক আমারদেশ পত্রিকার সম্পাদক বীরশ্রেষ্ঠ মাহমুদুর রহমান। হুজুরের গর্ভে তার জন্ম হয়েছে, এমন দাবি করলে চ্যালেঞ্জ করে বসেন গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহ আমান আজমী। হুজুরের সাথে মাহমুদুরের চেহারার মিল নেই বলে দাবি করেন আজমী। এসময় মাহমুদুর রহমান বলেন, “আমি আমার বাবা রাও ফরমান আলীর চেহারা পেয়েছি।”

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে কৃষিকবি ফরহাদ মজহারকেও বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের আশপাশে ঘুরঘুর করতে দেখা গেছে। কোন পরিচয়ের দাবি নিয়ে সামনে এসে দাঁড়ান সেটাই দেখার বিষয়!

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাবা হিসেবে গোলাম আজমের ৬ ছেলে ১ মেয়ে, মা হিসেবে ১ ছেলে এবং দুধমাতা হিসেবে আরো ১ ছেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। বাকিরা এখনো তাদের পরিচয় প্রমাণ করতে পারেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন এভাবে চলতে থাকলে আরো ডজন খানেক সন্তানের পরিচয় বেরিয়ে আসা অসম্ভব কিছু না।

%d bloggers like this: