Archive for ‘জামায়াত’

May 19, 2013

চাঁদে বিস্ফোরণ, সাঈদীর মেশিন ক্ষতিগ্রস্থ

নাসা থেকে পাওয়া এক্স-রে রিপোর্টে মেশিনের বটম লাইনে ফাটল দেখা যাচ্ছে।

নাসা থেকে পাওয়া এক্স-রে রিপোর্টে মেশিনের বটম লাইনে ফাটল দেখা যাচ্ছে।

মহাকাশ প্রতিবেদক ::

চাঁদের পৃষ্ঠে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কোন রকম ফটোশপ ছাড়াই পৃথিবীর মানুষ তা দেখতে পায়। কিন্তু বিস্ফোরণটি মাত্র ১ সেকেন্ড স্থায়ী থাকায় অনেকেই তা দেখতে পাননি। কেবল যে কলিজু সম্প্রদায় সাঈদীকে দেখার জন্য সবসময় চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকেন, তাঁরাই দেখতে পেয়েছেন।

বিস্ফোরণ সম্পর্কে নাসা জানিয়েছে, চাঁদের যে অঞ্চলে সাঈদী অবস্থান করেন, কোন কিছু বুঝে উঠার আগে সেই অঞ্চলে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের উৎপত্তিস্থল ছিলো সাঈদীর মেশিন থেকে মাত্র ২২ গজ দূরে।

নাসা জানায় ৪০ কেজি ওজনের প্রায় এক মিটার প্রস্থের একটি মেটিওরয়েড ঘন্টায় ৫৬ কিলোমিটার বেগে চন্দ্রপৃষ্ঠে আঘাত হানে। এতে আল্লামা সাঈদীর সাড়ে সাত ইঞ্চি দীর্ঘ মেশিনের বটম লাইনে ফাটল ধরে। নাসার বিজ্ঞানীরা প্রায় দেড় ইঞ্চি দীর্ঘ ফাটল পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখছেন।

এদিকে বিস্ফোরণের কারণে চাঁদে নতুন করে পানির অস্তিত্ব দেখা গিয়েছে। মাঝারি আয়তনের কমপক্ষে তিনটি জলাশয়ের সন্ধান পেয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। সেখানে প্রচুর লইট্টা ফিশ কিলবিল কিলবিল করতে দেখা গেছে।

মেশিনের বটম লাইনে ফাটলের দৃশ্য সরাসরি দেখার পর কলিজু সমাজে শোকের ছায়া নেমে আসে। দেখা দেয় মানবিক সংকট। তীব্র থেকে তীব্রতর এই মানবিক সংকট মোকাবেলায় হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিরলসভাবে কাজ করছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কলিজুরা একে অপরকে জড়াজড়ি করে ধরে কান্নাকাটি করছেন ও কিছুক্ষণ পর পর শোকে ভেঙে পড়ছে।  ভেঙে পড়লে স্বেচ্ছাসেবকরা আবার টেনে তুলে দিলে কলিজুরা আবারো কান্নাকাটি করতে করতে ভেঙে পড়ছেন। এভাবে স্বেচ্ছাসেবকরা টেনে তুলে দিচ্ছেন, আর কলিজুরা ভেঙে পড়ছেন।

বিস্ফোরনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী টুকু জানান, “আচমকা সাঈদীর মেশিন নড়িয়া উঠিলে চন্দ্রের পৃষ্ঠে এই বিস্ফোরণ কর্ম ঘটিয়া যায় বলে ধারনা করা হচ্ছে।”

December 31, 2012

পানের চাহিদা বেড়েছে অবিশ্বাস্যভাবে

পান সুপারি খাও, কামে জোর বাড়াও

পান সুপারি খাও, কামে জোর বাড়াও

মতিউর রহমান, কাওরান বাজার থেকে

কয়েকদিন ধরে রাজধানীর পানের আড়তগুলো দুপুরের আগেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। কোন আড়তদার এক গন্ডা পানও রেখে যেতে হচ্ছে না। সব পান বিক্রি হয়ে যাচ্ছে নিমিষেই। এ নিয়ে কাওরান বাজারের পান ব্যবসায়ীদের মাঝে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। অনেকে আবার হঠাৎ এমন রমরমা ব্যবসার কারণ বুঝতে না পেরে রহস্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে আমীনির মৃত্যুর পর হঠাৎ পান ব্যবসায় ধ্বস নামে। এরই মাঝে অনেকে পান ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু এখন আবার পরিস্থিতি ঘুরে গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন টাকা পয়সা নিয়ে ঢাকায় আসছেন পানের আড়ত খোলার জন্য।

এদিকে বর্তমানে দেশে যে পান উৎপাদন হয়, কিংবা যতটুকু পান বিদেশ থেকে আমদানী হয়, তা দিয়ে চলমান চাহিদা পূরণ করা যাবে না বলে ব্যবসায়ীরা জানান। তাই নতুন নতুন এলসি খুলতে হচ্ছে। কিন্তু সরকারের আমদানি নীতির দীর্ঘসূত্রিতার ফলে পান আসতে দেরি হচ্ছে এবং অধিকাংশ ক্রেতাকে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

কিন্তু কেন এতো চাহিদা? হঠাৎ করে পানের বাজারের দৃশ্যপট এভাবে পাল্টালো কেন? এসব প্রশ্নের জবাব জানতে কথা বলি কয়েকজন ক্রেতার সাথে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্রেতাই জবাব না দিয়ে মুচকি হেসে চলে যান।

অনেক চেষ্টার পর এক ক্রেতার সাথে কথা বলতে সক্ষম হই। তিনি জানান, “হুজুর বলেছেন একদিকে পান চলবে, আরেকদিকে কাজ চলবে!”

এরপর আমরা অনুসন্ধান চালাই। অনুসন্ধানে জানা গেছে সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর ফোনসেক্সের অডিও। সেখানে তিনি তার প্রিয়তমার সাথে সেক্সের এক পর্যায়ে বলেন “আমি একটু পান খেয়ে নিই। একদিকে পান চলবে, আরেকদিকে কাম চলবে!” এরপর থেকে মূলত পানের বাজারে চাহিদার তুফান লাগে।

বাজারে এক ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, রাজশাহী থেকে কিছু পান আসছে। তার কাছে এক বিড়ার মত পান আছে, আপাতত তাই নিয়ে বাসায় যাচ্ছেন। ফজরের পর আড়তে ফিরবেন।

তিনি বলেন, “পান যেহেতু আছে, মেশিন চলবে!”

পান কিভাবে কামের যোগান দেয়, জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, “তা জানি না, কিন্তু মেশিনতো চলছে!”

December 31, 2012

সাঈদীর ফোনসেক্স!

June 17, 2012

মীর কাশেম গ্রেফতার, কান্নায় ভেসে যাচ্ছে সৌদি আরব!

শুয়োরের বাচ্চার চোখের ভেতরেও ছাগল নাচে!

নিজস্ব প্রতিনিধি

জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্যা ও দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলীকে গ্রেফতারের সাথে সাথে সৌদি আরবে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। বৃষ্টির রং গোলাপি। খবর নিয়ে জানা গেছে মীর কাশেম ছিলেন দুধেল গাই। তিনি নিয়মিত দুধ দিতেন। সে দুধ খেয়ে জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন বিএনপি, শিবিরের নেতাকর্মীরা শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতো। এখন চারিদিকে মহররমের মাতম লেগেছে। যেদিকেই কান পাতি খালি হায় কাশেম! হায় কাশেম! মাতম শোনা যায়।

কাশেমের গ্রেফতারের বিষয়টা আগেভাগে আঁচ করতে পেরে সৌদি আরব চলে গেছেন জামায়াতের মহিলা নেত্রী বেগম খালেদা আজম। বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে প্রথমে কাশেম গ্রেফতার হতে পারে, এমন পূর্বাভাস পেয়েছিলেন। পরে বুকের বাম পাশে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করেন। এরপর কোনমতে সৌদি আরব চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি কেঁদে দেন। বেগম খালেদা আজম শাড়ি ও লিপস্টিকের সাথে ম্যাচ করে কান্না করেন। তাঁর অশ্রুর রং গোলাপি। ঘটনার পর সেখানে এক হৃদয় বিদায়ক দৃশ্যের অবতারনা হয়। উপস্থিত সৌদি রাজ পরিবারের সদস্যরাও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ওরা সবাই খালেদার সামনে জল ছেড়ে দেন।

এদিকে হাজার হাজার গেলমান পশ্চাৎদেশে টু-লেট লাগিয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের চোখে জল টলমল করছে এবং কিছুক্ষণ পরপর মূর্ছা যাচ্ছে। শহরের লাখ লাখ মানুষের ভিঁড়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে একজন মীর কাশেমকে।

অপরদিকে মীর কাশেমকে গ্রেফতারের পর ডিমের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সুখবর হচ্ছে দেশের হাস মুরগীগুলো ডিম উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকি তাদের বিদেশী বন্ধুদের এ এদেশে আসতে আমন্ত্রন জানিয়েছে। সবাই মিলেমিশে বেশি বেশি ডিম পেড়ে আসন্ন সংকট মোকাবেলা করবে। হাঁস মুরগিগুলো জানিয়েছে, “দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ।”

কিছুক্ষণ আগে খবর পাওয়া গেছে দৈনিক প্রথম আলো অফিসের উটপাখিগুলোও আজ রাত থেকে ডিম উৎপাদন শুরু করে দেবে। উৎপাদিত ডিম যেন প্রথম আলো সম্পাদক বাসায় নিয়ে যেতে  না পারে, সেজন্য ড. আসিফ নজরুল ও ফারুক ওয়াসিফ নামের দুই ভাইকে পাহারা দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দু:খ সইতে না পেরে আসিফ ও ওয়াসিফ যেন ডিমের ব্যবহার শুরু করে না দেয়, এ জন্য দৈনিক আমারদেশ অফিস থেকে বদরুদ্দিন ওমর নামক এক ব্যক্তিকে হায়ার করা হয়েছে। ওরা সবাই মিলেমিশে ডিমের দেখভাল করবে।

মীর কাশেমের গ্রেফতারের খবরে মীর বংশের জামাতা মীরজা ফখরুল ইসলাম বলেন, “আমি জামাই বলে ওরা আমাকে ডিম দেয়নি। মীর বংশের ছেলে বলে কাশেমকে ওরা ডিম দেবে। এ সরকার বাকশালী জালেম সরকার।”

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মীর কাশেমকে গোলাপ জলের পানিতে গোসল টোসল করিয়ে, আতর মেখে ডিম থেরাপীর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

April 6, 2012

সাঈদীকে গালি দেয়ার কারণে আমার বিয়ে হয়েছে – প্রভা

বিনোদন প্রতিনিধি

জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী প্রভাকে কে না চেনে! তার জীবনে ঘটে যাওয়া দু:খজনক ঘটনাগুলো কে না জানে! কিন্তু আসলে কতটুকুইবা জানে? প্রভার বিয়ে নিয়ে বেরিয়েছে চাঞ্চল্যকর খবর। কী সে খবর? শুনুন প্রভার মুখে, “সাঈদীকে গালি দেয়ার কারণে আমার বিয়ে হয়েছে।”

প্রভা জানালেন, ‘কিছুদিন আগে তিনি প্রথমে সাঈদীর নাম মুখে আনেন। এরপর সাঈদীকে গালি দেন। তারপর তার বিয়ে হয়।’ এরপর আর কী হয়েছে, তা তিনি বলেননি।

এর আগে সাঈদীকে গালি দিয়ে বৃহত্তর নোয়াখালীর হাজিগঞ্জ উপজেলার মোটর মেকানিক ফজলু মিয়া লটারীর তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ১০ লক্ষ টাকা জিতে নেন। এরপর থেকে সারা বাংলাদেশে সাঈদীকে গালি দেয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

ফজলু মিয়াকে অভিনন্দন জানিয়ে তাচ্ছিল্যের সুরে প্রভা বলেন, “তারতো বিয়ে হয়নি!” তিনি বলেন, “ঠিকমতো গালি দিতে না পারার কারণে ফজলু মিয়া তৃতীয় পুরস্কার জিতেছেন। নইলে প্রথম পুরস্কার জিততে পারতেন। এর আগে ঠিকমতো গালি দিতে না পারার কারণে সারাদেশে প্রচুর মানুষ অসুস্থ হয়ে যায়। আমাদের উচিৎ সহী পদ্ধতিতে রাজাকারদের গালি দেয়ার উপায় সমূহ জেনে নেয়া।”

ফজলু মিয়াকে অভিনন্দন জানালেও ক্ষেপে আছেন নাম্বার ওয়ান শাকিব খানের উপর। প্রভা বলেন, “শাকিব অনেক চেষ্টা করেও নিজের জেন্ডার কনভার্ট করতে পারছেন না। যেহেতু তার কনভার্টার কাজ করছে না, সেহেতু তার উচিত সময় নষ্ট না করে সাঈদীকে গালি দিয়ে বিয়ে করে সুখে শান্তিতে স্বামীর সংসার করে যাওয়া।”

January 17, 2012

বিস্ময়কর পুরুষ গোলাম আজম!

খালেদা জিয়া ও গোলাম আজম

নিজস্ব প্রতিনিধি

আজমিয়া সুলতানা নামের চল্লিশোর্ধ্ব এক নারী সোমবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে প্রিজন সেলে আসেন গোলাম আযমের সন্তানের দাবি নিয়ে। এ সময় গোলাম আজমকে তিনি বাবা বলে পরিচয় দেন। এরপর থেকে প্রিজন সেলে একের পর এক দাবিদাররা আসতে থাকেন। কেউ বলছেন গোলাম আজম তাদের মা, কেউ বলছেন বাবা, কেউ বা আবার দুধমাতা বলেও দাবি করছেন।

অপরদিকে প্রিজন সেলের প্রস্রাবখানা কিবলামুখী বলে সন্দেহ হওয়ায় প্রস্রাবের কাঠি ঘোরাতে গিয়ে জিনিসটি বাঁকা করে ফেলেন। এ অবস্থায় হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের অনেকেই ফিরে আসার কারণে গোলাম আজমের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে এবং তিনি কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত হন।

দুপুরের পর হাসপাতালে আসেন বিশিষ্ট নদী গবেষক ড. আসিফ নজরুল। গোলাম আজমকে দুধমাতা দাবি করে তার সাথে দেখা করতে চান। এসময় আসিফ নজরুলের মুখে দুধ লেগে ছিলো। বিকেলের দিকে আসেন দৈনিক আমারদেশ পত্রিকার সম্পাদক বীরশ্রেষ্ঠ মাহমুদুর রহমান। হুজুরের গর্ভে তার জন্ম হয়েছে, এমন দাবি করলে চ্যালেঞ্জ করে বসেন গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহ আমান আজমী। হুজুরের সাথে মাহমুদুরের চেহারার মিল নেই বলে দাবি করেন আজমী। এসময় মাহমুদুর রহমান বলেন, “আমি আমার বাবা রাও ফরমান আলীর চেহারা পেয়েছি।”

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে কৃষিকবি ফরহাদ মজহারকেও বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের আশপাশে ঘুরঘুর করতে দেখা গেছে। কোন পরিচয়ের দাবি নিয়ে সামনে এসে দাঁড়ান সেটাই দেখার বিষয়!

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাবা হিসেবে গোলাম আজমের ৬ ছেলে ১ মেয়ে, মা হিসেবে ১ ছেলে এবং দুধমাতা হিসেবে আরো ১ ছেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। বাকিরা এখনো তাদের পরিচয় প্রমাণ করতে পারেননি। তবে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন এভাবে চলতে থাকলে আরো ডজন খানেক সন্তানের পরিচয় বেরিয়ে আসা অসম্ভব কিছু না।

January 11, 2012

দৈনিক সংগ্রাম, আমার দেশ এবং নয়া দিগন্তে গোলাম আজমের খবর

মগবাজার এক্সক্লুসিভ

জামায়াতের সাবেক আমীর গোলাম আজমকে গ্রেফতারের ঘটনাটি দৈনিক সংগ্রাম, আমার দেশ এবং নয়া দিগন্তে বেশ গুরুত্বের সাথে ছাপা হয়েছে। পত্রিকাগুলো জরুরী ভিত্তিতে আগামীকালের ইস্যুর অগ্রিম বৈকালী সংস্করণ প্রকাশ করেছে। হকারের কাছে পত্রিকার কপি ফুরিয়ে গেলে ফটোকপি করে বিক্রি করার ঘটনাও ঘটেছে খোদ রাজধানীতে। আমাদের কাছে থাকা তিন পত্রিকার প্রথম পাতার স্থির চিত্র আপনাদের জন্য প্রকাশ করা হলো।

দৈনিক সংগ্রাম

আমার দেশ

নয়া দিগন্ত

December 21, 2011

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ মিছিল। ছবি - ব্লগার ওয়ানম্যান

পল্টন প্রতিনিধি

গ্রেফতারকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গতকাল রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী। মিছিলটি কোন রকমের পুলিশী বাধা পুরানা পল্টন থেকে শুরু করে নয়াপল্টনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

নিজামী মুজাহিদদের বিচার চাই – লিখিত ব্যানার ধরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের মিছিলটি রাজধানীবাসীকে ভীষণ চমকে দিয়েছে। রাস্তার দু’পাশে লাখ লাখ মানুষ মিছিলটিকে স্বাগত জানায়। অনেকেই বলেছেন, “আওয়ামীলীগ কখনোই এদের বিচার করতে পারবে না। জামায়াতের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। এবার একটা কিছু হবে।”

কিছুদিন আগে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। এর কিছুদিন পরই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সবচেয়ে বড় মিছিলটি জামায়াতই করলো। এ নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণ বেশ আলোচনামূখর।

যুদ্ধাপরাধের বিচারে জামায়াতের সমর্থন দানের পর বাকি থাকলো বিএনপি। একমাত্র বিএনপি ছাড়া এখন সবগুলো রাজনৈতিক দলই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইছে। এ বিষয়ে বিএনপির এক শীর্ষ নেতা বলেন, “আমাদের ম্যাডাম জামায়াতকে যুদ্ধাপরাধী বলতে রাজি নন। তাই আমরাও বলি না।”

বিক্ষোভ মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সরকারের সাথে এক সঙ্গে কাজ করার ঘোষনা দেন জামায়াত নেতারা। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারকে যেকোন সহযোগিতা করতে জামায়াত প্রস্তুত আছে বলে জানানো হয়।

December 18, 2011

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন গোলাম আজম

গোলাম আজমের ব্যক্তিগত কার্যালয় (File Photo)

মগবাজার প্রতিনিধি

জামায়াতের সাবেক আমীর, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, উর্দুভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আজম ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত হয়েছেন। গতকাল রাতে পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী মগবাজারের একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন তাকে কালেমা পড়িয়ে মুসলমান বানান।

কিছুদিন ধরে গোলাম আজম তার ধর্ম, বর্ণ এবং জন্ম পরিচয় নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েন। খালেদা জিয়ার আশ্বাসে দীর্ঘদিন ধরে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ব্যবহার করেও বর্ণ ঠিক করা যায়নি। অপরদিকে জন্মের বিষয়টি এখন আর রিকভার করা সম্ভব নয়। কিন্তু ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তিনি তার ধর্মীয় পরিচয় আবারো নিশ্চিত করেন।

মুক্তিযুদ্ধের পর পলাতক গোলাম আজম দেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যুর পর। জন্ম পরিচয় ছাড়াই সেনা শাসক জিয়াউর রহমান গোলাম আজমকে এ দেশে আশ্রয় দেন। ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত গোলাম আজম তার পিতৃ পরিচয় উদ্ধার করতে পারেননি। পরে ধর্মপিতা পাকিস্তান সরকারের অনুরোধে খালেদা জিয়ার আদালত গোলাম আজমকে জন্ম পরিচয় ছাড়া এ দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে।

গতকাল রাতে কালেমা পড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর গোলাম আজমের লুঙ্গি খুলে দেখা যায় তাকে মুসলমানি করানো হয়নি। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন। মুযাজ্জিনের পরামর্শে তাকে মুসলমানি করানোর জন্য ওস্তাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় গোলাম আজম বলেন “জিনিসটি এখন অকেজো, না কাটলেই কি নয়!” এমনকি এ বুড়ো বয়সে মুসলমানি করানোকে মানবাধিকার লংঘন বলেও দাবি করেন তিনি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনজন মানুষ পাঁজাকোলে করে মুসলমানি করাতে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধ্যাপক গোলাম আজমকে।

গোলাম আজমের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি। এক বিশেষ বার্তায় বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা বলেছেন, “এবার জমবে ভালো, তবে মানবাধিকার লংঘনের প্রয়োজন নেই।” তিনি আরো বলেন, “এবার নিশ্চয় বাকশালী সরকারের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য আল্লাহ ফেরেশতা পাঠিয়ে দিবেন।”

December 15, 2011

সারা দেশে আবারো ডিমের সংকট, প্রথম আলো অফিসে অভিযান

প্রথম আলো অফিস থেকে উদ্ধারকৃত ডিম পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে

কাওরান বাজার প্রতিনিধি

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সারা দেশে ডিমের সংকট লেগেই আছে। বর্তমানে যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। যার সমাধান ড. জাফর ইকবালও দিতে পারননি। কয়েক দফায় ডিমের দাম প্রতি হালিতে বিশ থেকে পঁচিশ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। দাম বাড়ার কারণে কোন সংকট না হলেও দেশের হাস মুরগি পর্যাপ্ত উৎপাদন করতে না পারার কারণেই এ ভয়াবহ সংকট।

কিছুদিন আগে পাকিস্তান থেকে মুরগী আমদানি করেও এ সংকট মোকাবেলা করা যায়নি। উপর্যুপরি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ডিমের সংকট এখন আকাশচুম্বী।

সর্বশেষ জামায়াতের ৭ নেতাকে ২ দিনের রিমান্ডে নেয়ার কারণে রাজধানীর ডিমের খাঁচা এখন ডিমশূন্য। পুরান ঢাকার ঠাঠারি বাজার (কাপ্তান বাজার) পরিদর্শন করে দেখা যায়, ডিম ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে ঝালমুড়ি কিনে বাসায় ফিরে যাচ্ছেন। এমনকি ডিমের খালি খাঁচাগুলো দেখাতেও রাজি হননি ব্যবসায়ীরা।

গাড়ি ভাংচুর, পুলিশের কাজে বাধা ও বিষ্ফোরক আইনে দায়ের করা রমনা থানার মামলায় জামায়াতে ইসলামীর এমপি হামিদুর রহমান আযাদসহ ৭ নেতাকর্মীকে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল খানকির পোলার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ডিম জালিয়তির বিরুদ্ধে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। খানকির পোলা বলেন, “এর আগে জামায়াত নেতাদের জন্য বরাদ্ধকৃত সেদ্ধ ডিমের প্রায় অর্ধেকই দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসাররা খেয়ে ফেলতেন বলে অভিযোগ আছে। এবারও যদি এমন কিছু হয়, তাহলে সারা পূর্ব পাকিস্তানে আগুন জ্বালিয়ে দিবো।”

এ দিকে আজ সকালে ডিবি এবং র‌্যাবের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টীম উট পাখির ডিমের সন্ধানে দৈনিক প্রথম আলোর অফিসে অভিযান চালায়। অভিযানের একজন কর্মকর্তা জানান, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পেরেছি প্রথম আলোর অফিসে প্রচুর উটপাখি আছে। তাই আমরা উট পাখির ডিমের সন্ধানে এখানে এসেছি।” শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলছিলো।

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 99 other followers

%d bloggers like this: