মীর কাশেম গ্রেফতার, কান্নায় ভেসে যাচ্ছে সৌদি আরব!

শুয়োরের বাচ্চার চোখের ভেতরেও ছাগল নাচে!

নিজস্ব প্রতিনিধি

জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্যা ও দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলীকে গ্রেফতারের সাথে সাথে সৌদি আরবে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। বৃষ্টির রং গোলাপি। খবর নিয়ে জানা গেছে মীর কাশেম ছিলেন দুধেল গাই। তিনি নিয়মিত দুধ দিতেন। সে দুধ খেয়ে জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন বিএনপি, শিবিরের নেতাকর্মীরা শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতো। এখন চারিদিকে মহররমের মাতম লেগেছে। যেদিকেই কান পাতি খালি হায় কাশেম! হায় কাশেম! মাতম শোনা যায়।

কাশেমের গ্রেফতারের বিষয়টা আগেভাগে আঁচ করতে পেরে সৌদি আরব চলে গেছেন জামায়াতের মহিলা নেত্রী বেগম খালেদা আজম। বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে প্রথমে কাশেম গ্রেফতার হতে পারে, এমন পূর্বাভাস পেয়েছিলেন। পরে বুকের বাম পাশে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করেন। এরপর কোনমতে সৌদি আরব চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি কেঁদে দেন। বেগম খালেদা আজম শাড়ি ও লিপস্টিকের সাথে ম্যাচ করে কান্না করেন। তাঁর অশ্রুর রং গোলাপি। ঘটনার পর সেখানে এক হৃদয় বিদায়ক দৃশ্যের অবতারনা হয়। উপস্থিত সৌদি রাজ পরিবারের সদস্যরাও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। ওরা সবাই খালেদার সামনে জল ছেড়ে দেন।

এদিকে হাজার হাজার গেলমান পশ্চাৎদেশে টু-লেট লাগিয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের চোখে জল টলমল করছে এবং কিছুক্ষণ পরপর মূর্ছা যাচ্ছে। শহরের লাখ লাখ মানুষের ভিঁড়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে একজন মীর কাশেমকে।

অপরদিকে মীর কাশেমকে গ্রেফতারের পর ডিমের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সুখবর হচ্ছে দেশের হাস মুরগীগুলো ডিম উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকি তাদের বিদেশী বন্ধুদের এ এদেশে আসতে আমন্ত্রন জানিয়েছে। সবাই মিলেমিশে বেশি বেশি ডিম পেড়ে আসন্ন সংকট মোকাবেলা করবে। হাঁস মুরগিগুলো জানিয়েছে, “দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ।”

কিছুক্ষণ আগে খবর পাওয়া গেছে দৈনিক প্রথম আলো অফিসের উটপাখিগুলোও আজ রাত থেকে ডিম উৎপাদন শুরু করে দেবে। উৎপাদিত ডিম যেন প্রথম আলো সম্পাদক বাসায় নিয়ে যেতে  না পারে, সেজন্য ড. আসিফ নজরুল ও ফারুক ওয়াসিফ নামের দুই ভাইকে পাহারা দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দু:খ সইতে না পেরে আসিফ ও ওয়াসিফ যেন ডিমের ব্যবহার শুরু করে না দেয়, এ জন্য দৈনিক আমারদেশ অফিস থেকে বদরুদ্দিন ওমর নামক এক ব্যক্তিকে হায়ার করা হয়েছে। ওরা সবাই মিলেমিশে ডিমের দেখভাল করবে।

মীর কাশেমের গ্রেফতারের খবরে মীর বংশের জামাতা মীরজা ফখরুল ইসলাম বলেন, “আমি জামাই বলে ওরা আমাকে ডিম দেয়নি। মীর বংশের ছেলে বলে কাশেমকে ওরা ডিম দেবে। এ সরকার বাকশালী জালেম সরকার।”

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মীর কাশেমকে গোলাপ জলের পানিতে গোসল টোসল করিয়ে, আতর মেখে ডিম থেরাপীর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

3 Comments to “মীর কাশেম গ্রেফতার, কান্নায় ভেসে যাচ্ছে সৌদি আরব!”

  1. ak kothai darun.

    Like

  2. valo laglo

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: