আমার সোনা কেটে আফগানিস্তানকে দিয়ে দিবো – ইউনিস খান

যা হবার তা পেছনের সাইডে হবে

বিনোদন প্রতিনিধি

পাকিস্তানী ক্রিকেটার ইউনিস খান বলেছেন, তার সোনা কেটে আফগানিস্তানকে দান করে দেবেন। কিন্তু কাজাখস্তান বা খিরগিস্তানকে দেবেন না। সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলেন, “আমার সোনা কোন কাজে আসে না। গোলাম আজম, নিজামী, মুজাহিদের সোনাও কোন কাজে আসে না। ওদের সোনাও আফগানিস্তানকে দিয়ে দেয়া উচিত।”

এর আগে তিনি বলেন, “আইসিসির উচিত বাংলাদেশের টেস্ট স্টাটাস কেটে নিয়ে আফগানিস্তানকে দিয়ে দেয়া।” এসময় নিজের সোনার দিকে আংগুল তুলে তার কার্যকরহীনতার কথা দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইউনিস খান বলেন, “গেলমানের সোনা লাগে না। পশ্চাৎদেশ থাকলেই হয়। আমাদের পশ্চাৎদেশে কামনা জাগলে তখন বাংলাদেশ নিয়ে চোদনা টাইপের কথা বলি। এরপর বাঙালিরা আমাদেরকে অকথ্য বলাৎকার করে। তখন আমরা শীৎকার করি। শীৎকার করতে আমাদের ভালো লাগে।”

কিন্তু এতো বেশি বাঙালির চাপ অল্প সংখ্যক পাকিস্তানি সহ্য করতে পারবে কিনা, এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “বাংলাদেশেও আমাদের কিছু প্রতিনিধি আছে। ফলত বিষয়টা আমাদের জন্য বেশ সহনীয় মাত্রার হয়ে উঠবে।”

অবশ্য কৌশলগত কারণে ড. আসিফ নজরুলকে এ বিষয়ে টকশোতে কিছু না বলার অনুরোধ করেন। কারণ সুশীল গেলমানদের সামনে পেছনে উভয় সাইড ফিট থাকতে হয়। নইলে সুশীলগিরী ঠিক জমে উঠে না বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ইউনিস খানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমাকে নিয়ে নিউজ করতে শব্দচয়নের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখবেন। সব যায়গায় হিউমার চোদাইয়েন না। আমি যা চাই তা দিতে হবে, নইলে সম্পাদকের সোনা কেটে আমার জন্য নিয়ে আসবো!” এমন হুমকীর পর থেকে দৈনিক মগবাজার সম্পাদক কোমরে হেলমেট পরে আছেন।

 

6 Comments to “আমার সোনা কেটে আফগানিস্তানকে দিয়ে দিবো – ইউনিস খান”

  1. “এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ইউনিস খানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমাকে নিয়ে নিউজ করতে শব্দচয়নের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখবেন। সব যায়গায় হিউমার চোদাইয়েন না। আমি যা চাই তা দিতে হবে, নইলে সম্পাদকের সোনা কেটে আমার জন্য নিয়ে আসবো!” এমন হুমকীর পর থেকে দৈনিক মগবাজার সম্পাদক কোমরে হেলমেট পরে আছেন।” হাসতে হাসতে নাই হইয়া গেলাম রে…

    Like

  2. “বাংলাদেশেও আমাদের কিছু প্রতিনিধি আছে। ফলত বিষয়টা আমাদের জন্য বেশ সহনীয় মাত্রার হয়ে উঠবে।”
    হা হা হা, ব্যাপক, ব্যাপক …:D

    Like

  3. “বাঙালিরা আমাদেরকে অকথ্য বলাৎকার করে। তখন আমরা শীৎকার করি। শীৎকার করতে আমাদের ভালো লাগে।”
    চরম গুরু !!

    Like

  4. পইড়া তো চোদ খায়া গেলাম ।অসাধারন । কিপ ইট আপ ।

    Like

  5. চরম। হাহাপগে

    Like

  6. ভাই এই সোনার বিশ্লেশন টা অনেকেই জানেন না তাই একটু খলাসা কইরা দি। আমরা যারা বাংগালী পুরুষ আছি তারা আমাদের পুঃলিংগটাকে ধন সম্পদ মনে করি তাই পুঃলিংগ কে (যশোর জেলা ভিত্তিক্) ধন বলিয়া থাকি। পক্ষান্তরে যারা বাংগালা নারী আছেন তারা তাগের ঐ জিনিসটারে সোনা দানার মত দামী জানে। তাই ঐটারে (চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ভিত্তিক্) সোনা নামে অভিহিত করেন্। লিখক তার লেখায় ঐ সোনার প্রতি ইংগিত করিয়াছেন্।

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: