তিতাস নদীতে বাঁধ দিয়ে টিপাইমুখের প্রতিশোধ নিলো বাংলাদেশ

তিতাসের উপর দেয়া বাংলাদেশের বাঁধ

বাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

তিতাস নদীর বুকে মাটির বাঁধ দিয়ে ভারতের উপর প্রতিশোধ নিলো বাংলাদেশ। প্রতিবেশী দেশের সাথে নদী বিরোধ আজকালের নয়। এর আগে ফারাক্কা বাঁধ নিয়েও বাংলাদেশের সাথে ভারতের বিরোধ হয়েছিলো। সর্বশেষ বরাক নদীর টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিবাদ করে আসলেও ভারত কথা শুনেনি। তাই বাংলাদেশও তাদের তিতাস নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কৃষিকাজকে হুমকীর মুখে ঠেলে দিলো।

পানিসম্পদমন্ত্রী শ্রী রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, “টিপাইমুখে বাঁধের কারণে আমাদের কেবল সিলেট জেলা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। অপরদিকে তিতাসে বাঁধ দেয়ার ফলে ভারতের পুরো একটি অঙ্গরাজ্য ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চুপ ছিলাম। এখন একটু নড়েছড়ে বসার সময় এসেছে।”

এদিকে বাংলাদেশের এ ধরনের কার্যক্রমের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। মনমোহন সিং তার বাণীতে বলেন, “বাংলাদেশের এমন সাম্রাজ্যবাদী আচরণ ভারতের জনগণ মেনে নেবে না। বাংলাদেশকে অনুরোধ করবো অনতিবিলম্বে তিতাসের বুক থেকে বাঁধ উচ্ছেদ করতে।” সোনিয়া গান্ধী তার বাণীতে বাংলাদেশের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। নদীর প্রাপ্য হিস্যা আদায়ে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে যাবার হুমকীও দেন তিনি।

ভারতের বিরোধী দলীয় নেতা এল কে আদভানী তিতাস অভিমুখে লংমার্চ করার ঘোষনা দিয়েছেন। আজ সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। অপরদিকে গান্ধীবাদী নেতা আন্না হাজারে আখাউড়া সীমান্তে আমরণ অনশন করবেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অনশনের জন্য স্পন্সর ম্যানেজ হলেই তিনি আখাওড়া সীমান্তের দিকে রওনা দেবেন।

তিতাসের উপর বাঁধ দেয়ার পর ট্রানজিটের আওতায় আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে চলাচল করা ভারতীয় ভারীযানগুলো নিকটবর্তী সেতু থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব যানবাহন এখন মাটির রাস্তা দিয়ে চলাচল করবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপুমনি বলেন, “বেশি গাদ্দারী করলে এরকমই হয়। এবার বুঝো ঠ্যালা!”

গোপালগঞ্জর  টুঙ্গিপাড়া থেকে উৎপত্তি হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উপর দিয়ে তিতাস নদী চলে যায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে। শীত মৌসুমে জলের জন্য ত্রিপুরার মানুষ তাকিয়ে থাকে টুঙ্গিপাড়ার দিকে। এ প্রথম জলের সুইচ অফ করে দিয়ে এক মহা সংকটে ফেলে দিলো ত্রিপুরাবাসীকে।

 

 

7 Comments to “তিতাস নদীতে বাঁধ দিয়ে টিপাইমুখের প্রতিশোধ নিলো বাংলাদেশ”

  1. বাংলাদেশের এ সাম্রাজ্যবাদী আচরন সত্যি নিন্দনীয়। এতে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে। আসুন আমরা ভারতের সাথে বড় ভাই সুলভ আচরন করি।🙂

    Like

  2. মনমোহন সিং বাংলাদেশের কাছে ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছে:এল কে আদভানি

    Like

  3. good job bangladesh indiar banglalira norom pai anak khoti korta caica akhon ar kono aposh nai joto para pon mara utic indian dAR

    Like

  4. বাংলাদেশ প্রতিবেশী হিসেবে সবচেয়ে খারাপ নমুনা স্থাপন করল এই পদক্ষেপের মাধ্যমএ।ভারতের প্রতি এরুপ সাম্রাজ্যবাদি বাংলাদেশ সরকার অবশ্যই জাতিসংঘের রোষানলে পতিত হবে

    Like

  5. খালি প্যাচাল্। মোরা কই তিতাসে বাধ দিয়া ভারতরে সাহায্য করলাম্। এইখানে দেখি আরেক কথা। পুতা পাটা ঘষাঘষি দফা সারা মরিচের্, নেতাদের গুতাগুতি কাম সারা পাবলিকের্।

    Like

  6. গড় প্রতি চার দিনে বি এস এফ কর্তৃক সিমান্তে একজন বাংগালী খুন্। ফেলানীর লাশ ঝুলে থাকে কাটাতারে, উলংগ করে সাত ঘন্টা নির্যাতন চালান হল হাবুর উপরে, এগুলো ভারতের সুনাম বয়ে আনবে?

    বড় ভাই না আমরা বাংলাদেশ কে ভারতের অংগরাজ্য বানিয়ে আমরা ভারতিয়দের অর্ধাংগিনী হই। যাতে তারা আমাদের দেশ ও জাতিকে ধর্ষন করতে পারে।

    Like

    • বিশেষ প্রতিবেদন : তিতাস
      নদীসহ ১৮টি খালে বাঁধ
      তৈরি জাতিবিনাশী এক
      কর্মকাণ্ড : কত বড় অপরাধ
      ভেবে দেখেছেন কি? ড. এমাজউদ্দীন আহমদ আশুগঞ্জ
      থেকে আখাউড়া হয়ে আগরতলা
      পর্যন্ত ভারতকে করিডোর
      দেয়ার লক্ষে অদ্বৈত মল্ল
      বর্মণের লেখা ‘তিতাস
      একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের সেই বিখ্যাত নদী তিতাসসহ
      ১৮টি খালে বাঁধ
      তৈরি করে পানির
      স্বাভাবিক গতি রোধ
      করা কেন সংবিধান ও আইন
      পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না—এই মর্মে রুল
      জারি করেছেন হাইকোর্ট।
      আসছে চার সপ্তাহের
      মধ্যে রুলের জবাব
      দিতে হবে।
      জনস্বার্থে National Interest Group-NIG এর সমন্বয়ক
      এবং দৈনিক আমার দেশ
      সম্পাদক এই রিটটি করেন
      বিচারপতি ফরিদ আহমদ ও
      বিচারপতি শেখ হাসান
      আরিফের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে। এটি একটি জনদাবি,
      কেননা বাঁধ
      দিয়ে নদী হত্যা করে
      সংশ্লিষ্ট আইন এবং জনগণের
      দাবি লঙ্ঘন করা হয়েছে।
      ১৪০ চাকার ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী করার
      জন্য এই অপপ্রয়াস, যদিও
      সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলোতে ছিল
      কালভার্ট ও ব্রিজ। রিট
      আবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০
      সালের বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড,
      বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ
      আইন-১৯৯৫, বিআইডব্লিউটিএ
      অধ্যাদেশ-১৯৫৮
      এবং ড্রেনেজ
      ব্যবস্থাপনা অ্যাক্ট-১৯৫২ লঙ্ঘন করে তিতাসসহ
      ১৮টি নদী ও খালে বাঁধ
      তৈরি করে পানির
      স্বাভাবিক গতি রোধ
      করা হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট
      আইনগুলো লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং গোটা
      এলাকার পরিবেশে বিরূপ
      প্রভাবসহ এলাকার মানুষের
      জীবন-
      জীবিকা ভীষণভাবে ব্যাহত
      হবে। তাই বিরাট প্রশ্ন— কেন এই অপপ্রয়াসকে অবৈধ
      ঘোষণা করা হবে না?
      হঠাত্ করে জনাব মাহমুদুর
      রহমান হাইকোর্টে যাননি।
      এর আগে দেশের ২৬ জন
      খ্যাতনামা নাগরিক ২.১১.২০১১
      তারিখে বাংলাদেশ
      সরকারের মাননীয়
      পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয়
      অর্থমন্ত্রী, মাননীয়
      স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় জাহাজ চলাচল ও
      পরিবহনমন্ত্রী, মাননীয়
      পানিসম্পদমন্ত্রী, মাননীয়
      যোগাযোগমন্ত্রী, মাননীয়
      বন ও
      পরিবেশমন্ত্রীকে একটি চিঠির
      মাধ্যমে জানিয়ে কয়েকটি
      প্রশ্নের উত্তর চেয়েছিলেন।
      এই চিঠি, তাছাড়া,
      দেয়া হয়েছিল চেয়ারম্যান
      বিআইডব্লিউটিএ, মহাপরিচালক পরিবেশ
      অধিদফতর, মহাপরিচালক
      পানি উন্নয়ন বোর্ড
      এবং জেলা প্রশাসক,
      ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে। এই
      কর্মকর্তাদের উকিল নোটিশও দেয়া হয় এই মর্মে যে, বাঁধ
      দিয়ে নদী হত্যার জন্য
      তাদের বিরুদ্ধে কেন
      মামলা করা হবে না? এ
      প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য যে,
      ভারতকে এভাবে করিডোর দেয়ার প্রতিবাদে ৯
      ডিসেম্বর ২০১১
      ঢাকা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত
      রোডমার্চ করে বাংলাদেশ
      সম্মিলিত
      পেশাজীবী পরিষদ। রোডমার্চ কর্মসূচির
      শেষে তিতাস নদীর বাঁধ
      প্রতীকীভাবে কাটাও হয়।
      এসব বাঁধ নির্মাণের
      প্রতিবাদে বিভিন্ন
      পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়।
      বেসরকারি টেলিভিশন
      চ্যানেলেও
      ধারাবাহিকভাবে ১৮টি নদী
      ও খালে বাঁধ দেয়ার
      বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
      মাননীয় অর্থমন্ত্রীর
      কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা
      হয়েছিল, মাননীয়
      প্রধানমন্ত্রী কেবিনেট
      মিটিংয়ে বলেছিলেন, তিস্তার পানি বণ্টন
      চুক্তি স্বাক্ষর
      না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশের
      মধ্যে কোনো ট্রানজিট
      চুক্তি স্বাক্ষর হবে না।
      তাছাড়া ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১
      তারিখে কৃষিমন্ত্রী নকলা
      উপজেলার নালিতাবাড়ীর এক
      সভায় বলেছিলেন, ‘No transit to
      India, Till agreement on
      Teesta’ (Daily Star, 11.09.2011)। অথচ আমরা জানতে পেরেছি,
      ১৮ অক্টোবর ২০১১
      থেকে ভারতকে ট্রানজিট
      দেয়া হয়ে গেছে। এমনই
      কার্যক্রম দেশের
      জনমনে হাজারও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মাননীয়
      জাহাজ
      ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের
      চিঠিতেও এ ধরনের
      কথা বলা হয়েছিল।
      কোনো মন্ত্রী এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি।
      তাহলে কি বাংলাদেশ
      সরকার বলে একরকম
      এবং করে অন্যকিছু?
      বাংলাদেশ এবং ভারতের
      মধ্যে ট্রানজিট চুক্তি যদি হয়েই থাকে,
      তাহলে কি হয়েছে অতি
      সঙ্গোপনে? কিন্তু
      আন্তর্জাতিক
      চুক্তি তো গোপনে হওয়ার
      কথা নয়। কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের
      চুক্তি হলে সংবিধান মেনেই
      তা হতে হবে। অন্য কথায়,
      জাতীয় সংসদে তা সমর্থিত
      হওয়ার কথা। আর
      এক্ষেত্রে প্রবাহিত একটি নদীকে হত্যা করার
      মতো অপরাধ এবং অন্য
      ১৮টি খালে বাঁধ দেয়ার
      প্রশ্নে দেশে যেসব
      বিধিবিধান বিদ্যমান,
      যেমন ২০০০ সালের পানি উন্নয়ন বোর্ড আইন
      অথবা বাংলাদেশ পরিবেশ
      সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ রহিত
      করেই তা সম্ভব। নদী হত্যার
      মতো এমন
      আত্মঘাতী ব্যবস্থা জনগণের ভোটে নির্বাচিত
      একটি সরকার কীভাবে গ্রহণ
      করতে পারে?
      ১৮টি খালে বাঁধ দেয়ার
      মতো দেশবিনাশী কর্মকাণ্ডে
      যারা জড়িত, তাদের ভূমিকা সম্পর্কে গোটা
      জাতিকে সজ্ঞাত
      করা প্রয়োজন। চার সপ্তাহ
      পরে, হাইকোর্টের রুলের
      জবাবে সরকার কী উত্তর দেয়
      তার নিরিখে, জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত
      রাখতে যারা এ বিষয়ে জড়িত
      তাদের বিচার হওয়া উচিত
      দেশদ্রোহী হিসেবে।
      জনপ্রতিনিধি হিসেবে
      যারাই এই অন্যায় কর্মের সঙ্গে যুক্ত, তাদের
      জবাবদিহিতা নিশ্চিত
      হওয়া উচিত।
      একটি নির্বাচিত সরকারের
      আমলে বাংলাদেশে যা ঘটল
      তার কি কোনো নজির আছে? এটি আমার মনে হয়েছে শুধু
      একটি অপরাধ নয়, সমগ্র
      জাতির
      সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।
      বাংলাদেশের
      মন্ত্রী মহোদয়দের কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন
      উত্থাপন করা হয়।
      পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
      কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল
      :
      ক. ভারতকে ট্রানজিট/ করিডোর দেয়ার জন্য
      কি কোনো চুক্তি সম্পাদিত
      হয়েছে?
      খ. যদি তেমন
      কোনো চুক্তি হয়ে থাকে,
      তাহলে এর শর্তগুলো কী কী? কখন তা স্বাক্ষর করা হয়?
      গ.
      যদি কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত
      হয়ে না থাকে, তাহলে কোন
      কর্তৃত্বে ভারত আশুগঞ্জ বন্দর
      ব্যবহার করছে? ঘ. ভারত আশুগঞ্জ বন্দর
      ব্যবহার করে আগরতলায়
      মালামাল নিয়ে যাওয়ার
      সময় কী পরিমাণ
      ফি বা সার্ভিস চার্জ
      দিয়ে থাকে? ঙ. বাংলাদেশ
      এতে কীভাবে উপকৃত হচ্ছে?
      তিনি সেই চিঠির উত্তর
      দিতে আগ্রহী হননি।
      বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ২৬
      জন নাগরিকের চিঠিটি পেয়ে মাননীয়
      প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক
      উপদেষ্টার জন্য নিম্নোক্ত
      মন্তব্য করেন : ‘You may see this
      interesting letter and help me with
      your comment’। অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কীভাবে তাকে
      সাহায্য করেছেন
      তা জানা যায়নি।
      অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন
      রাখা হয়েছিল :
      ক. জাতীয় রেভিনিউ বোর্ড (NBR) কী মালামাল
      পারাপারের জন্য ভারতের
      সঙ্গে কোনো ঐকমত্যে পৌঁছেছে
      ?
      খ.
      যদি কোনো ঐকমত্যে উপনীত না হয়ে থাকে, NBR
      কি জানে যে ভারত তার
      মালামাল
      পারাপারে বাংলাদেশের
      ভূমি ব্যবহার করছে?
      গ. ভারতের সঙ্গে ট্রানজিট/ করিডোর ব্যবস্থায় NBR-এর
      সার্বিক ভূমিকা কি?
      ঘ. এ পর্যন্ত
      ভারতকে ট্রানজিট
      সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশ
      কতটুকু আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে?
      স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
      কাছে যেসব প্রশ্ন উত্থাপন
      করা হয়েছিল, তা নিম্নরূপ :
      ক. বাংলাদেশের মধ্য
      দিয়ে ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলে কী ধরনের
      মালামাল পরিবহন
      করা হচ্ছে?
      খ. ট্রানজিটের
      মাধ্যমে যেসব মালামাল
      পরিবহন করা হচ্ছে, এজন্য কি ধরনের নিরাপত্তার
      ব্যবস্থা করা হয়েছে?
      গ.
      কোনো ব্যবস্থা যদি না করা
      হয়ে থাকে, কোন
      কর্তৃত্বে এবং কোন বিবেচনায় একটি সার্বভৌম
      দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
      ট্রানজিটের পণ্যের
      সুরক্ষা করছে?
      ঘ. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
      এই সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য কী ধরনের আর্থিক
      সুবিধা হচ্ছে?
      ঙ. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
      কীভাবে নিশ্চিত করছে যে,
      ভারত উত্তর-
      পূর্বাঞ্চলে যেসব মালামাল পরিবহন করছে,
      তা সেখানকার বিদ্রোহ
      দমনের জন্য ব্যবহৃত হবে না?
      চ. বাংলাদেশ ও ভারতের
      স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
      মধ্যে যে ট্রানজিট ব্যবস্থা চালু রয়েছে সেই
      ঐকমত্যের বিষয়বস্তু কী কী?
      তিনিও এই চিঠির
      কোনো উত্তর দেয়ার প্রয়োজন
      মনে করেননি।
      উইলিয়াম শেক্সপিয়র তার অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক
      Measure for Measure -Gi Act III
      তে লিখেছেন :
      ‘He who the sword of heaven will
      bear should be as holy as severe’.
      তা না হলে তার হাতে সেই sword-টি শোভা পায় না। অন্য
      কথায়, জনগণের বিপুল
      ভোটে বিজয়ী সরকার কর্তৃক
      যদি জনগণের স্বার্থ
      এবং জাতীয় স্বার্থ
      সংরক্ষিত না হয় তাহলে জনগণের প্রদত্ত
      mandate কী আর কার্যকর
      থাকে? শেক্সপিয়র বর্ণিত
      সেই sword কি এমন সরকারের
      হাতে থাকা উচিত?
      কোনো মন্ত্রীর উত্তর না পাওয়ার অর্থ এও
      হতে পারে যে, তারা এ
      বিষয়ে কিছুই জানেন না।
      হতে পারে, জেনেশুনেই
      তারা অতি সঙ্গোপনে
      জাতিবিনাশী কর্মটি যোগসাজশে সম্পন্ন করেছেন।
      টিপাইমুখ বাঁধ
      নিয়ে বাংলাদেশের জনগণ
      ক্ষুব্ধ। এখনও আন্দোলনরত।
      এমনি অবস্থায়
      নির্মমভাবে দেশের একটি প্রবাহিত নদী নিহত
      হচ্ছে দেশের নির্বাচিত
      সরকারের প্ররোচনায়। এই
      রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিচার
      জনগণ চায়।

      Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: