নিরক্ষরতামুক্ত হচ্ছে ছাত্রলীগ

ছাত্রলীগের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাচীন শিলালিপি

বিশেষ পাকিনিধি ।। ২১ এপ্রিল ২০১১

আর নয় টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, খুন খারাবি। এবার ছাত্রলীগ নেতাদের জীবন হবে ফিলিপস বাত্তির মতো ফকফকা। ২ বছরের জন্য স্বাক্ষরতা স্কুলে ভর্তি হচ্ছে ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ জন্য টোটাল লিটারেসি মুভমেন্ট (টিএলএম) নামের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। পরের বছর ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. মোতাহার হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, এর মধ্যে ছাত্রলীগের সব নেতার মাঝে বাত্তি লাগানোর কাজ শেষ হয়ে যাবে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বলা হয়েছিল, ২০১৪ সালের মধ্যে ছাত্রলীগকে নিরক্ষরমুক্ত করা হবে। মাস দুয়েক আগে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূরীকরণে ছাত্রলীগের কাজ করা উচিত। ক্ষমতাসীন দলের গুন্ডাবাহিনী হিসেবে ছাত্রলীগের উচিত সবার আগে স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন হওয়া। এর পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রলীগকে নিরক্ষরতা দূর করার কাজে হাত দেয়। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে দিয়ে টিএসসিতে ছাত্রলীগের নিরক্ষরতা দূরীকরণ কাজের উদ্বোধনও করানো হয়।

আজ দুপুরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা করছে। প্রথমদিনের পাঠ হিসেবে সবাই গুনগুন করে “পড়ালেখা করে যে গাড়িঘোড়া চড়ে সে” পড়তেছিলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বিশ্বে এ প্রথম কোন রাজনৈতিক দল তাদের ছাত্র সংগঠনকে স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিয়েছে। এ সংক্রান্ত নথিপত্র আমরা নোবেল কমিটিতে প্রেরণ করবো। আশা করি আগামী বছর শিক্ষায় নোবেল পাওয়ার বিষয়ে এসব নথিপত্র বিবেচনা করবে।”

One Comment to “নিরক্ষরতামুক্ত হচ্ছে ছাত্রলীগ”

  1. সর্বশেষ আপডেট
    ————————————————
    নৈশ বিদ্যালয়ে ভর্তি হলেন ছাত্রলীগ সভাপতি
    ————————————————

    নৈশ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ছাত্রলীগ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ। বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকরা জানান, ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা শৃঙ্খলা বজায় রাখলে দ্রুত সাক্ষর হয়ে ওঠা তাদের পক্ষে কঠিন হবে না।

    নেতৃবৃন্দ জানান, দিনের বেলা টেন্ডার কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে কমিটির অধিকাংশ সদস্যই নিরক্ষরতার অভিশাপ নিয়ে দিনাতিপাত করছিল। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগ নিরক্ষরতা দূরীকরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: