আওয়ামীলীগে মুফতি এবং নাপিত নিয়োগের উদ্যোগ

আওয়ামী লীগের মুফতি নিয়োগের নীতিমালা পড়ে দেখছেন তিন মুফতি

রাজনৈতিক পাকিবেদক ।। ১৫ এপ্রিল ২০১১

কিছুদিন আগে রাজবাড়ি পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে স্থানীয় আওয়ামী নেতা আতিউর রহমান নবাবের উদ্যোগে গঠিত সালিশে ফতোয়া জারির মাধ্যমে ২৮জন বাউলের চুল দাঁড়ি কেটে দেয়া হয়। ঘটনার পর দেশের ইসলামী দলগুলো বিক্ষোভে পেদে দেয়। ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির নেতা মুফতি আমিনী আবারো আমপারা হাতে নিয়ে রাজপথে নেমে আসার আহবান জানান। আমিনীর এমন আহবানে আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কপালে প্রায় ৩টা ভাঁজ পড়ে।

আমাদের অনুসন্ধানে দেখা যায় কপালের ভাঁজ শনাক্তকরণের পরই ইসলামী নেতাদের সাথে আলোচনায় বসেন সরকারের নীতি নির্ধারকরা। সভায় ইসলামী নেতারা দাবি করেন, “হক্কানী আলেম ব্যতীত অন্য কেউ ফতোয়া দিতে পারেন না। তাই অবশ্যই আপনাদেরকে মুফতি নিয়োগ দিতে হবে।”

সভায় উপস্থিত এক জামায়াত নেতা বলেন, “বাল কাটার কাজ হলো হিন্দু মালাউনদের। মুসলমান যুবকরা বাল কেটে গুনাহ করেছে। ভবিষ্যতে বাল কাটার কাজে অবশ্যই নিয়োগপ্রাপ্ত নাপিতদের ব্যবহার করতে হবে। নইলে দেশে আগুন জ্বলবে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী নেতা বলেন, “ফতোয়া দিতে না পারার কারণে দেশের ধর্ম ব্যবসায় আওয়ামী লীগ পিছিয়ে পড়েছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা আর কতোদিন! ফতোয়া আমিনীর আব্বার তালুক না। আমাদেরকেও ফতোয়ার বিষয়ে ছাড় দিতে হবে। আওয়ামীলীগ প্রমাণ করে দেবে, আমরা কোন কাজেই অক্ষম নই।”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: